Bangladesh Border Appeal to India: সীমান্তের কয়েকটি পয়েন্টে কাঁটাতারের বেড়া খুলে দেওয়ার জন্য ভারতকে অনুরোধ জানাচ্ছে বাংলাদেশ। বিভিন্ন মিডিয়াা রিপোর্ট অনুযায়ী, বাংলাদেশের পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু দাবি করেছেন যে হাতির চলাচলের জন্যই ভারতের মেঘালয় ঘেঁষে অবস্থিত শেরপুর সীমান্তের কয়েকটি পয়েন্ট খুলে দেওয়ার অনুরোধ জানানো হবে নয়াদিল্লিকে। যদিও বিষয়টি নিয়ে আপাতত কবে ভারত সরকারকে অনুরোধ করা হবে, তা নিয়ে কিছু জানাননি বাংলাদেশের পরিবেশ মন্ত্রী। সেই পরিস্থিতিতে ভারত সরকারের তরফেও কোনও মন্তব্য করা হয়নি বিষয়টি নিয়ে।
'৯ বছরে বাংলাদেশে ১৪৬ হাতির মৃত্যু হয়েছে'

এমনিতে বাংলাদেশের পরিবেশ মন্ত্রী সেই মন্তব্য করেছেন ঢাকায় আয়োজিত হাতি সংরক্ষণ সংক্রান্ত একটি অনুষ্ঠানে। তিনি বলেছেন, ‘বাংলাদেশের বন্য হাতি দেশের প্রাকৃতিক ঐতিহ্য ও প্রতিবেশ ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। কিন্তু বর্তমানে তাদের অস্তিত্ব গুরুতর সংকটের মুখে রয়েছে। বাংলাদেশে বন্য হাতির চলাচল প্রধানত শেরপুর, জামালপুর, ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, সুনামগঞ্জ, সিলেট, চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার অঞ্চলে বেশি। ২০১৬ সালে দেশে আনুমানিক ২৬৮টি হাতি ছিল। বন অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৬ সাল থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত ১৪৬টি হাতির মৃত্যু হয়েছে।’
'মানুষের স্বার্থের বন্যপ্রাণীর বিলুপ্তি রুখতে হবে'
তিনি দাবি করেছেন, বর্তমানে পৃথিবী থেকে বিভিন্ন প্রাণী বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে বা বিলুপ্তির মুখে দাঁড়িয়ে আছে। কিন্তু সেটা রুখতে হবে। আর সেটা করতে হবে মানুষের স্বার্থেই। কারণ পুরো বিষয়টার সঙ্গে পুরো বিশ্ব ওতপ্রোতভাবে জড়িত আছে। মানুষ যদি প্রকৃতিরই অংশ হিসেবে পৃথিবীতে বাস করচে চায়, তাহলে বন্যপ্রাণীর অবলুপ্তি রুখতে অবিলম্বে সচেতন হবে হবে এবং এগিয়ে আসতে হবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশের পরিবেশ মন্ত্রী।
{{/usCountry}}তিনি দাবি করেছেন, বর্তমানে পৃথিবী থেকে বিভিন্ন প্রাণী বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে বা বিলুপ্তির মুখে দাঁড়িয়ে আছে। কিন্তু সেটা রুখতে হবে। আর সেটা করতে হবে মানুষের স্বার্থেই। কারণ পুরো বিষয়টার সঙ্গে পুরো বিশ্ব ওতপ্রোতভাবে জড়িত আছে। মানুষ যদি প্রকৃতিরই অংশ হিসেবে পৃথিবীতে বাস করচে চায়, তাহলে বন্যপ্রাণীর অবলুপ্তি রুখতে অবিলম্বে সচেতন হবে হবে এবং এগিয়ে আসতে হবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশের পরিবেশ মন্ত্রী।
{{/usCountry}}হাতি সংরক্ষণে জোর বাংলাদেশের মন্ত্রীর
সেই রেশ ধরে তিনি বলেছেন, ‘আবাসস্থল ও চলাচলের করিডোর সংকুচিত হওয়া, বন উজাড়, খাদ্যের সংকট, সড়ক ও রেলপথ নির্মাণ, জলবায়ু পরিবর্তন এবং বৈদ্যুতিক ফাঁদের মতো বিভিন্ন কারণে মানুষ-হাতি সংঘাত বাড়ছে। হাতি যখন লোকালয় বা কৃষিজমিতে প্রবেশ করে, তখন মানুষ ও হাতি উভয়ই ঝুঁকির মুখে পড়ে। তাই সংঘাত ঘটার পর ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি হাতির আবাসস্থল ও চলাচলের করিডর রক্ষা, সংঘাতপ্রবণ এলাকা চিহ্নিতকরণ, আগাম সতর্কতা এবং দ্রুত প্রতিক্রিয়া ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করা হবে।’