...
...
Next Story

Bangladesh-China: চিনা J-10C যুদ্ধবিমান কিনবে বাংলাদেশ! ভারতের জন্য কী উদ্বেগের?

Bangladesh-China: নাম প্রকাশ না করার শর্তে সরকারের একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা ডেইলি ওয়াদা-কে জানিয়েছেন, ‘আমরা আশা করছি চলতি বছরের আগস্ট মাসের মধ্যে এই যুদ্ধবিমান ক্রয়ের চূড়ান্ত চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হবে।’

Published on: Jun 23, 2026, 21:58:44 IST
Advertisement

Bangladesh-China: চিনের থেকে আধুনিক যুদ্ধবিমান কেনার পরিকল্পনা করছে বাংলাদেশ। সোমবার একটি সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ ২৪টি চিনা জে-১০সিই মাল্টিরোল যুদ্ধবিমান কেনার পরিকল্পনা করছে। জে-১০সিই হল চিনের জে-১০সি যুদ্ধবিমানের রফতানি সংস্করণ। এই বিমান ইতিমধ্যেই চিনা বিমান বাহিনী ব্যবহার করছে।

চিনা J-10C যুদ্ধবিমান কিনবে বাংলাদেশ! (সৌজন্যে টুইটার)
চিনা J-10C যুদ্ধবিমান কিনবে বাংলাদেশ! (সৌজন্যে টুইটার)

ডেইলি ওয়াদা’র এক প্রতিবেদনে সরকারের এক শীর্ষ কর্মকর্তাকে উদ্ধৃত করে বলা হয়েছে, চলতি বছরের আগস্টের মধ্যেই যুদ্ধবিমান ক্রয়সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষরের আশা করছে বাংলাদেশ সরকার। সূত্রটির দাবি, প্রতিটি জে-১০সিই যুদ্ধবিমানের সম্ভাব্য মূল্য প্রায় ৪০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, গত সপ্তাহে একটি চিনা প্রতিনিধিদল ঢাকায় এসে এ বিষয়ে আলোচনা এগিয়েছে। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চিন সফরের সময় বাংলাদেশের প্রতিনিধিদল সে দেশের বিদেশমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে পৃথক বৈঠকে অধিগ্রহণ-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো চূড়ান্ত করতে পারে। পাশাপাশি ঢাকা ও বেজিংয়ের মধ্যে প্রতিরক্ষা, অবকাঠামো, বাণিজ্য এবং বিনিয়োগ খাতে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা আরও গভীর হতে পারে।

তবে যুদ্ধবিমান কেনার বিষয়ে বাংলাদেশ সরকার বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এখনও আনুষ্ঠানিক কোনও ঘোষণা করা হয়নি। নাম প্রকাশ না করার শর্তে সরকারের একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা ডেইলি ওয়াদা-কে জানিয়েছেন, ‘আমরা আশা করছি চলতি বছরের আগস্ট মাসের মধ্যে এই যুদ্ধবিমান ক্রয়ের চূড়ান্ত চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হবে।’ এই বিশেষ প্রতিরক্ষা আলোচনাটি মূলত দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার একটি বৃহত্তর অংশ বলে মনে করা হচ্ছে। বাংলাদেশের বিদেশ সচিব আসাদ আলম সিয়াম জানিয়েছেন যে সে দেশের প্রধানমন্ত্রীর এই গুরুত্বপূর্ণ সফরে চিনের সঙ্গে প্রায় ১৭টি চুক্তি, সমঝোতা স্মারক ও ইশতেহার স্বাক্ষরিত হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। তিনি আরও বলেন, এই সফরে তিস্তা প্রকল্প নিয়েও আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বিদেশ সচিব জানান, এই সফরকে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব জোরদার, বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং আঞ্চলিক সংযোগ সম্প্রসারণের লক্ষ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe