...
...
Next Story

বাংলাদেশে চরমে বিদ্যুৎ সংকট! মন্ত্রী বললেন, ‘এই ক্রাইসিসের সময় আসলে এখন..’

Bangladesh Energy Crisis: এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের শিল্পকারখানা ও বিদ্যুৎ উৎপাদনে চলমান গ্যাস–সংকট নিরসনে সরকারের সীমিত সামর্থ্য ও বর্তমান কাঠামোগত পরিস্থিতির কথা তুলে ধরেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ।

Published on: Aug 13, 2026, 21:00:44 IST
Advertisement

Bangladesh Energy Crisis: বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সংকট (Bangladesh Energy Crisis) চরমে উঠেছে। বহু জায়গায় ২৪ ঘন্টার মধ্যে দিনে ৩-৪ ঘন্টা মাত্র বিদ্যুৎ থাকছে। এই পরিস্থিতিতে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে বড় পদক্ষেপ করল তারেক রহমান সরকার। শপিংমল-মার্কেট এবং দোকানপাট খোলা রাখার ক্ষেত্রেও নতুন সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, বাংলাদেশের সমস্ত বাজার দোকান এবং শপিংমল রাত আটটার মধ্যে বন্ধ করতে হবে। দিনে বেলা ১১'টার আগে খোলা যাবে না। অর্থাৎ দিনের মধ্যে মাত্র ৯ ঘণ্টা বাজার খোলা রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশে শপিংমল-মার্কেট খোলা রাখার নতুন সময় নির্ধারণ (সৌজন্যে টুইটার)
বাংলাদেশে শপিংমল-মার্কেট খোলা রাখার নতুন সময় নির্ধারণ (সৌজন্যে টুইটার)

বুধবার (১২ আগস্ট) রাতে এই বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে বাংলাদেশ সরকারের বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের বিদ্যুৎ বিভাগ। এতে বলা হয়েছে, ১২ আগস্ট থেকেই বিভিন্ন শপিংমল, মার্কেট ও দোকান সকাল ১১টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত খোলা রাখা যাবে। এর আগে গত ১১ জুন জারি করা নির্দেশনা অনুযায়ী, শপিংমল, মার্কেট ও দোকান রাত ৯টা পর্যন্ত খোলা রাখার সরকারি সিদ্ধান্ত কার্যকর ছিল। নতুন নির্দেশিকার মাধ্যমে সেই সময়সীমা এক ঘণ্টা কমিয়ে রাত ৮টা করা হলো। বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, দেশের বিভিন্ন প্রান্তে চলমান ও অনুষ্ঠিতব্য মেলা, বাণিজ্য মেলা এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের ক্ষেত্রেও এই সময়সীমা প্রযোজ্য হবে। এসব আয়োজন রাত ৮টার মধ্যে শেষ করতে হবে। তবে খাবারের দোকান, হাসপাতাল, ওষুধের দোকান-সহ সংশ্লিষ্ট জরুরি সেবাগুলো এ নির্দেশিকার আওতামুক্ত থাকবে।

বিদ্যুৎ বিভাগের উপসচিব মো. মামুন ভূঁইয়ার স্বাক্ষর করা স্মারকে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হয়েছে। সরকারের নতুন এ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, শপিংমল, মার্কেট ও দোকান সকাল ১১টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত খোলা রাখা, সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে সব ধরনের আলোকিত বিলবোর্ড বন্ধ করা, আলোকসজ্জা বন্ধ রাখা এবং মেলা, বাণিজ্য মেলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান রাত ৮টার মধ্যে শেষ করার ব্যবস্থা নিতে হবে। সরকারের এই পদক্ষেপে মাথায় হাত পড়েছে দোকানদার, ব্যবসায়ীদের। তাঁদের বক্তব্য এর ফলে ব্যবসায় বড় ধরনের ক্ষতি হবে। অবশ্য বিদ্যুতের অভাবে বাংলাদেশে উৎপাদন শিল্প ব্যাপক মার খাচ্ছে। দেশটির অর্থনীতির মেরুদণ্ড হিসাবে পরিচিত গার্মেন্টস শিল্পে বড় ধরনের আঘাত নেমে এসেছে বিদ্যুতের অভাবে। বহু কারখানা অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ রাখা হয়েছে। এর প্রভাব গিয়ে পড়েছে সাধারণ মানুষের ওপর। কর্মহীন কয়েক হাজার মানুষ।

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe