ইউনুস জমানা পরবর্তী ঢাকার সঙ্গে ধীরে ধীরে দিল্লির সম্পর্ক ঘিরে গত কয়েকদিনে বেশ কিছু ঘটনা দেখা যায়। সদ্যই বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ও বাংলাদেশের বাসিন্দাদের ইদের শুভেচ্ছা জানিয়ে চিঠি পাঠান ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এরপর এদিন, দিল্লিতে ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকরের সঙ্গে বৈঠকে বসতে দেখা গেল ভারতে বাংলাদেশের হাইকমিশনার এম রিয়াজ হামিদুল্লাহকে।

শুক্রবার, রিয়াজ হামিদুল্লা এক সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে জানান, ভারতের বিদেশমন্ত্রকের দফতরে গিয়ে দেখা করেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকরের সঙ্গে। রিয়াজ এই সাক্ষাৎকে সৌজন্য সাক্ষাৎ বলে বর্ণনা করেন। তাঁর সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে রিয়াজ লেখেন,‘বাংলাদেশের হাইকমিশনার এম রিয়াজ হামিদুল্লাহর সঙ্গে সাক্ষাৎ হয়েছে। দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার বিষয়টি ছিল আমাদের আলোচনার মূল বিষয়।’ বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশ ছাড়ার পর বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের কূটনৈতিক সম্পর্ক এই মুহূর্তে দক্ষিণ এশিয়ার কূটনৈতিক আঙিনায় বড় বিষয়। আর সেই সম্পর্ক নিয়েই দুই পক্ষের আলোচনা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।
রিয়াজ লেখেন, ‘ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতের সুযোগ পেয়েছি। অভিন্ন স্বার্থ ও অভিন্ন সুফলের লক্ষ্যে ভারতের সঙ্গে একত্রে কাজ করার জন্য বাংলাদেশ যে তৈরি আছে, সেটা নিশ্চিত করেছি।’ জয়শংকর ছাড়াও দিল্লিতে এদিন ভারতের বাণিজ্যমন্ত্রী পীযূষ গোয়েলের সঙ্গেও রিয়াজের সাক্ষাতের কথা রয়েছে।
উল্লেখ্য, গত বছরের মে মাসে ভারতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত হিসাবে পদে অভিষিক্ত হন রিয়াজ। তবে তারপর এই প্রথমবার ভারতের মন্ত্রী পর্যায়ে কারোর সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ পেলেন তিনি।
{{/usCountry}}উল্লেখ্য, গত বছরের মে মাসে ভারতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত হিসাবে পদে অভিষিক্ত হন রিয়াজ। তবে তারপর এই প্রথমবার ভারতের মন্ত্রী পর্যায়ে কারোর সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ পেলেন তিনি।
{{/usCountry}}এদিকে, দিল্লিতে দুই দেশের এই হাইভোল্টেজ সাক্ষাৎ পর্বের আগে, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ইদ উপলক্ষ্যে শুভেচ্ছাবার্তা পাঠান। মোদী তাঁর শুভেচ্ছা বার্তায় লেখেন, ‘ভারতের মানুষ এবং ভারত সরকারের পক্ষ থেকে আপনাকে এবং বাংলাদেশের মানুষকে ইদ-উল-ফিতরের শুভেচ্ছা। গত এক মাস ধরে ভারত-সহ গোটা বিশ্বের মুসলিমরা নিষ্ঠার সঙ্গে রমজান মাস পালন করেছেন। ইদের উদ্যাপন তাঁদের সহানুভূতি, ভ্রাতৃত্ব এবং একতার মতো চিরন্তন মূল্যবোধগুলিকে স্মরণ করিয়ে দেয়।’ বিশ্বশান্তি কামনা করার পাশাপাশি ওই বার্তায় মোদী লেখেন, ‘আমাদের এই দুই দেশের মধ্যে বন্ধুত্ব, সৌহার্দ্যের বন্ধন আরও দৃঢ় হোক।’ এরপরই শুক্রবার দিল্লিতে আয়োজিত হয় এই বৈঠক।