বাংলাদেশে মাদক চোরাচালানকারীদের বাড়বাড়ন্ত দিনকে দিন বেড়েই চলেছে। সীমান্তে পাচার হোক কি তাদের দেশে মাদক বিক্রি, অসাধু কারবারিরা সারা দেশ জুড়ে তাদের নেটওয়ার্ক ছড়িয়ে রেখেছে। এরই মাঝে তারেক রহমান সরকারের প্রধান হয়ে এসেছেন। এবং গদিতে বসেই তিনি মাদক কারবারিদের ধরতে সচেষ্ট হয়েছেন। পুলিশকে এই বিষয়ে কড়া হতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সেই মতো বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে চলছে মাদক বিরোধী তল্লাশি অভিযান। এমনই একটি অভিযান চলাকালীন বরিশালের ঝালকাঠিতে হিন্দু এক পুলিশকর্মীর হাতে কামড় বসাল এক মাদক কারবারি। ঘটনায় আহত পুলিশকর্মীর নাম রতন কৃষ্ণ। এদিকে অভিযুক্ত সুজন সোহরাব হাওলাদারকে ধরেছে পুলিশ।

জানা গিয়েছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঝালকাঠির কাঠালিয়ায় মাদক বিরোধী অভিযান চলার পুলিশ। সেই সময়ে মাদক কারবারি সুজনকে ধরে ফেলেছিলেন রতন কৃষ্ণ। তখন তাঁর হাত থেকে ছাড়া পেতে কামড়ে দেয় সুজন। কামড়ে আহত হন সাব ইন্সপেক্টর রতন কৃষ্ণ। এদিকে পালানোর চেষ্টা করলেও তা ব্যর্থ হয়। অভিযুক্ত সুজনের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ৮টি ইয়াবা ট্যাবলেট। ধৃত সুজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করতে চলেছে পুলিশ।
এদিকে ঢাকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মাদকবিরোধী অভিযানে গিয়ে পুলিশ মারধর করার ঘটনা ঘটে সম্প্রতি। তা নিয়ে উত্তপ্ত বাংলাদেশ। এই ঘটনায় চাপের মুখে ৪ পুলিশ আধিকারিককে ক্লোজ করা হয়েছে। সেই অভিযানে থাকা বাকি পুলিশকর্মীদের বিরুদ্ধেও পদক্ষেপ করতে 'জুলাই যোদ্ধাদের' অনেকে রাস্তায় নেমেছে। জানা গিয়েছে, পুলিশি অভিযানের সময় মার খাওয়া যুবকদের মধ্যে নাকি একজন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়া তথা বিপ্লবী যুব আন্দোলনের নেতা। তার নাম নাইম উদ্দিন। এই অভিযানের নেতৃত্বে থাকা ডিসি মাসুদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করার দাবি জানিয়েছেন প্রতিবাদীরা। ঘেরাও করা হয়েছিল শাহবাগ থানা।