ভারত বিরোধিতার সুর চড়িয়েই বাংলাদেশে রাজনীতি করে জামাতে ইসলামি। সেই জামাতের নির্বাচনী ইশতেহারে দাবি করা হল, তারা ক্ষমতায় গেলে ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে তুলবে। ইশতেহারে তাদের বিদেশ নীতি প্রসঙ্গে জামাত দাবি করেছে, ক্ষমতায় গেলে ভারত, ভুটান, নেপাল, মায়ানমার, শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ ও থাইল্যান্ডসহ প্রতিবেশী এবং নিকট প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে পারস্পরিক সম্মান ও ন্যায্যতার ভিত্তিতে সহযোগিতামূলক সম্পর্ক গড়ে তোলা হবে।

এদিকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, জাপান, কানাডার মতো উন্নত দেশগুলির সঙ্গেও সম্পর্ক ভালো করার বার্তা দিয়েছে জামাত। তারা ইশতেহারে দাবি করেছে, সরকার গঠন করতে পারলে বাংলাদেশি পাসপোর্টের মর্যাদা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে। এর আগে জামাতপন্থী মৌলবাদী ছাত্ররা রাস্তায় নেমে ভারত বিরোধী স্লোগান দিয়েছিল গত ডিসেম্বরে। 'দিল্লি না ঢাকা' স্লোগান তোলা ওসমান হাদির হত্যার পরে ভারতের হাইকমিশনের বাইরে বিক্ষোভ দেখিয়েছিল তারা। তবে ক্ষমতায় গেলে ভারত বিরোধিতার মন্ত্র ভোলার দাবি করল জামাতে ইসলামি।
এর আগে ভারতীয় কূটনীতিকের সঙ্গে গোপন বৈঠক হয়েছিল জামাতের আমির শফিকুর রহমানের। পরে সেই খবর সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হওয়ার পরে চরম অস্বস্তিতে পড়েছিলেন এই ইসলামি কট্টরপন্থী নেতা। পরে সেই বৈঠক নিয়ে তিনি দাবি করেছিলেন, ভারতীয় কূটনীতিকই নাকি সেই বৈঠক গোপন রাখতে বলেছিলেন। রয়টার্সের সাক্ষাৎকারে জামাতের আমির বলেছিলেন, 'অন্যান্য দেশের কূটনীতিকেরা যেমন প্রকাশ্যে তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন, ভারতীয় কূটনীতিক তেমনটি করেননি। ভারতীয় কর্মকর্তা বৈঠকটি গোপন রাখতে বলেছিলেন।'
পরে অবশ্য বিষয়টি নিয়ে অস্বস্তিতে পড়তেই তিনি ফেসবুকে একটি পোস্ট করেছিলেন। তাতে তিনি লিখেছিলেন, 'আন্তর্জাতিক মিডিয়া রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সাংবাদিক আমাকে জিজ্ঞেস করেন, ভারত যেহেতু আপনাদের প্রতিবেশী দেশ, তাদের সঙ্গে আপনাদের কোনও যোগাযোগ আছে কি না, কোনও কথাবার্তা বা বৈঠক হয় কি না। আমি তখন বলেছিলাম, গত বছরের মাঝামাঝি সময়ে আমি অসুস্থ হওয়ার পর চিকিৎসা শেষে যখন বাড়িতে ফিরি, তখন দেশ-বিদেশের অনেকেই আমার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে আসেন। অন্যান্য দেশের সম্মানিত কূটনৈতিকরা যেমন এসেছেন, তেমনি তখন ভারতের দুজন কূটনীতিকও আমাকে দেখতে আমার বাড়িতে এসেছিলেন। অন্যান্যদের মত তাদের সঙ্গেও আমার কথা হয়েছে।'
{{/usCountry}}পরে অবশ্য বিষয়টি নিয়ে অস্বস্তিতে পড়তেই তিনি ফেসবুকে একটি পোস্ট করেছিলেন। তাতে তিনি লিখেছিলেন, 'আন্তর্জাতিক মিডিয়া রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সাংবাদিক আমাকে জিজ্ঞেস করেন, ভারত যেহেতু আপনাদের প্রতিবেশী দেশ, তাদের সঙ্গে আপনাদের কোনও যোগাযোগ আছে কি না, কোনও কথাবার্তা বা বৈঠক হয় কি না। আমি তখন বলেছিলাম, গত বছরের মাঝামাঝি সময়ে আমি অসুস্থ হওয়ার পর চিকিৎসা শেষে যখন বাড়িতে ফিরি, তখন দেশ-বিদেশের অনেকেই আমার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে আসেন। অন্যান্য দেশের সম্মানিত কূটনৈতিকরা যেমন এসেছেন, তেমনি তখন ভারতের দুজন কূটনীতিকও আমাকে দেখতে আমার বাড়িতে এসেছিলেন। অন্যান্যদের মত তাদের সঙ্গেও আমার কথা হয়েছে।'
{{/usCountry}}