সাম্প্রতিক সময়ে ফের একবার ভারত বিরোধী সুর চড়তে শুরু করেছে বাংলাদেশে। ভারত নিজের জমিতে কাঁটাতারের বেড়া দেবে, তাই নিয়ে আপত্তি বাংলাদেশের বহু নেতার। সেখানকার মৌলবাদী নেতাদের ঘুম উড়েছে। 'দিল্লি না ঢাকা' স্লোগান তুলছে, আবার বন্ধুত্ব নষ্ট হওয়ার কথা বলছে। এই আবহে ভারতের 'আধিপত্যবাদ ভেঙে দেওয়ার' কথা বলতে শোনা গেল জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির সহসভাপতি রাশেদ খানকে। মৌলানা ভাসানীকে টেনে এনে ফারাক্কার বিরুদ্ধে সুর চড়ান তিনি। এরই সঙ্গে ভারত যে অবৈধ বাংলাদেশিদের পুশ ব্যাক করছে, তা নিয়েও আপত্তি জানান তিনি। তিনি হুঁশিয়ারি দেন, দিল্লি শান্তিতে ঘুমাতে পারবে না।

রাশেদ বলেন, 'মৌলানা ভাসানী আমাদের শিখিয়েছিলেন কিভাবে আধিপত্যবাদের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে নিজের দেশের মাটির ও জলের জন্য রাজপথে দাঁড়াতে হয়। আজ ঐতিহাসিক ফারাক্কা দিবসের ৫০ বছর পূর্তিতে দাঁড়িয়ে সবার বুঝতে হবে যে বাংলাদেশ এখন আর করদরাজ্য নয়। যারা নতজানু হয়ে দুর্বল বিদেশনীতি প্রদর্শন করছেন, তারা মনে করেন দিল্লির গোলামি করে মসনদ রক্ষা করা যায়। তবে দেশপ্রেমিক জনগণ রক্ত দিতে শিখে গেছে। আমাদের রাজনীতির ফয়সালা হবে ঢাকার রাজপথে, দিল্লির দরবারে নয়। ফারাক্কা বাঁধ ছিল আমাদের সার্বভৌমত্বের ওপর আঘাত। জলের ন্যায্য অংশিদারিত্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছি। আজ সীমান্ত হত্যা, অবৈধ পুশইন, সাংস্কৃতিক আগ্রাসন হচ্ছে। আমাদের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে নগ্ন হস্তক্ষেপ পর্যন্তকরা হচ্ছে। দিল্লি সরকারকে বুঝতে হবে, কাঁটাতারের বেড়া দিয়ে বন্ধুত্ব হয় না। সময় এসেছে ভারতীয় আগ্রাসন রুখে দেয়ার, সময় এসেছে ভারতীয় আধিপত্যবাদ ভেঙে দেয়ার।'
তিনি আরও বলেন, 'বাংলাদেশে আগ্রাসন চালিয়ে এবং নিজ দেশে হিন্দুত্ববাদ সৃষ্টি করে এই অঞ্চলে শান্তি বজায় রাখা সম্ভব নয়। দিল্লিকে মনে রাখতে হবে, প্রতিবেশী রাষ্ট্রে আগুন লাগিয়ে এবং নিজ রাষ্ট্রে সংখ্যালঘু নির্যাতন করে কেউ নিজের ঘরে শান্তিতে ঘুমাতে পারে না। আমাদের দেশে যেসব রাজনৈতিক দল, মিডিয়া এবং সুশীল ব্যক্তি দিল্লির গোলামি করছেন, আপনারাও মনে রাখবেন আপনারা দেশ ও জাতির শত্রু। ইতিহাস কাউকে ক্ষমা করে না।' উল্লেখ্য, পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনের ফলাফলের পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশের মৌলবাদী শক্তি না-খুশ। ভারত নিয়ে মিথ্যাচার ছড়িয়ে তারা রাস্তায় নেমেছে। তাদের দেশেরই মিডিয়ায় বহু ভুয়ো ভিডিয়োর পর্দা ফাঁস হয়েছে। সেই দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যন্ত বলেছেন, সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া ভিডিয়োগুলি পুরোনো এবং অন্য জায়গার। তা সত্ত্বেও উগ্র মৌলবাদীরা ভারত বিরোধিতার সুর চড়িয়ে যাচ্ছে।
{{/usCountry}}তিনি আরও বলেন, 'বাংলাদেশে আগ্রাসন চালিয়ে এবং নিজ দেশে হিন্দুত্ববাদ সৃষ্টি করে এই অঞ্চলে শান্তি বজায় রাখা সম্ভব নয়। দিল্লিকে মনে রাখতে হবে, প্রতিবেশী রাষ্ট্রে আগুন লাগিয়ে এবং নিজ রাষ্ট্রে সংখ্যালঘু নির্যাতন করে কেউ নিজের ঘরে শান্তিতে ঘুমাতে পারে না। আমাদের দেশে যেসব রাজনৈতিক দল, মিডিয়া এবং সুশীল ব্যক্তি দিল্লির গোলামি করছেন, আপনারাও মনে রাখবেন আপনারা দেশ ও জাতির শত্রু। ইতিহাস কাউকে ক্ষমা করে না।' উল্লেখ্য, পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনের ফলাফলের পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশের মৌলবাদী শক্তি না-খুশ। ভারত নিয়ে মিথ্যাচার ছড়িয়ে তারা রাস্তায় নেমেছে। তাদের দেশেরই মিডিয়ায় বহু ভুয়ো ভিডিয়োর পর্দা ফাঁস হয়েছে। সেই দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যন্ত বলেছেন, সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া ভিডিয়োগুলি পুরোনো এবং অন্য জায়গার। তা সত্ত্বেও উগ্র মৌলবাদীরা ভারত বিরোধিতার সুর চড়িয়ে যাচ্ছে।
{{/usCountry}}