WTC Points Table: ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশ। ঘরের মাঠ, সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে দ্বিতীয় টেস্টের পঞ্চম দিনে পাকিস্তানকে ৭৮ রানে হারিয়ে ২-০ ব্যবধানে সিরিজে হোয়াইটওয়াশ করল নাজমুল হোসেন শান্তর দল। শুধু সিরিজ জয় নয়, এই ফলাফল বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের (ডব্লিউটিসি) পয়েন্ট তালিকাতেও লক্ষ্যণীয় পরিবর্তন আনল। সিলেটে দ্বিতীয় টেস্টে ৭৮ রানে জয়ের পর বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ র্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশ উঠে এল পঞ্চম স্থানে। আর একধাপ নেমে ছয়ে চলে গেল ভারত।

৪ টেস্টে বাংলাদেশের পয়েন্ট শতাংশ ৫৮.৩৩। সেখানে ষষ্ঠ স্থানে থাকা ভারতের ৯ ম্যাচে পয়েন্ট ৪৮.১৫ শতাংশ। ফলে ক্রমতালিকায় ভারত আপাতত বাংলাদেশের নীচে। বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে পয়েন্ট তালিকায় খনও সবার ওপরে আছে অস্ট্রেলিয়া। ৮ ম্যাচের ৭টিই জিতেছে তারা। পয়েন্ট ৮৪, শতাংশ হিসেবে জয় ৮৭.৫০। এরপর রয়েছে নিউজিল্যান্ড ও দক্ষিণ আফ্রিকা। অন্যদিকে, পাকিস্তানের অবস্থা আরও শোচনীয়। আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে পরাজয়ের পর এবার বাংলাদেশের কাছে চুনকামের লজ্জা। যার জেরে বাবর আজমরা নেমে গিয়েছেন আট নম্বরে। পয়েন্ট শতাংশ মাত্র ৮.৩৩। পাকিস্তানের নীচে রয়েছে শুধু ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
সিলেটে বাংলাদেশের কাছে চুনকাম পাকিস্তান
সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ৪৩৭ রানের বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে পাকিস্তান লড়াই চালালেও শেষ পর্যন্ত ৩৫৮ রানেই শেষ হয়ে যায়। শেষ দিনের নায়ক বাঁ হাতি স্পিনার তাইজুল ইসলাম। দুরন্ত বোলিংয়ে পাকিস্তানের ব্যাটিং লাইন আপ ভেঙে দিয়ে তিনি ৩৪.২ ওভারে ১২০ রান খরচ করে ৬ উইকেট তুলে নেন। টসে জিতে প্রথমে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল পাকিস্তান। তবে লিটন দাসের দুরন্ত পাল্টা আক্রমণাত্মক ১২৬ রানের ইনিংসে ভর করে প্রথম ইনিংসে ২৭৮ রান করে বাংলাদেশ। জবাবে ব্যাট করতে নেমে বাবর আজমের ৮৪ বলে ৬৮ রানের লড়াকু ইনিংস সত্ত্বেও ২৩২ রানেই অলআউট হয়ে যায় পাকিস্তান। বাংলাদেশের হয়ে নাহিদ রানা ও তাইজুল ইসলাম তিনটি করে উইকেট নিয়ে দলকে ৪৬ রানের গুরুত্বপূর্ণ লিড এনে দেন। দ্বিতীয় ইনিংসে পাকিস্তানকে কার্যত ম্যাচের বাইরে ছিটকে দেয় বাংলাদেশ। মুশফিকুর রহিমের ২৩৩ বলে অনবদ্য ১৩৭ রান এবং লিটন দাসের ৬৯ রানের সৌজন্যে ৩৯০ রান তোলে বাংলার বাঘরা। ফলে পাকিস্তানের সামনে দাঁড়ায় ৪৩৭ রানের কঠিন লক্ষ্য।
রান তাড়া করতে নেমে পাকিস্তানের হয়ে অধিনায়ক শান মাসুদের ৭১ ও বাবর আজমের ৪৭ রানের জুটি কিছুটা আশা জাগায়। পরে আগা সলমন ও মহম্মদ রিজওয়ানের ১৩৪ রানের জুটিও লড়াইয়ে ফেরার ইঙ্গিত দেয়। রিজওয়ান খেলেন ৯৪ রানের দুর্দান্ত ইনিংস। তবে শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের স্পিন আক্রমণের সামনে আর টিকতে পারেনি পাকিস্তান। তাইজুল ইসলাম একের পর এক উইকেট তুলে নিয়ে ম্যাচ বাংলাদেশের দিকে ঘুরিয়ে দেন। ঢাকায় প্রথম টেস্টে ১০৪ রানের জয়ের পর সিলেটে ৭৮ রানের জয় বাংলাদেশের। সব মিলিয়ে স্মরণীয় জয় বাংলার ঢাকায় প্রথম টেস্টে ১০৪ রানের জয়ের পর সিলেটে ৭৮ রানের জয় বাংলাদেশের। সব মিলিয়ে স্মরণীয় জয় বাংলার টাইগারদের।
{{/usCountry}}রান তাড়া করতে নেমে পাকিস্তানের হয়ে অধিনায়ক শান মাসুদের ৭১ ও বাবর আজমের ৪৭ রানের জুটি কিছুটা আশা জাগায়। পরে আগা সলমন ও মহম্মদ রিজওয়ানের ১৩৪ রানের জুটিও লড়াইয়ে ফেরার ইঙ্গিত দেয়। রিজওয়ান খেলেন ৯৪ রানের দুর্দান্ত ইনিংস। তবে শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের স্পিন আক্রমণের সামনে আর টিকতে পারেনি পাকিস্তান। তাইজুল ইসলাম একের পর এক উইকেট তুলে নিয়ে ম্যাচ বাংলাদেশের দিকে ঘুরিয়ে দেন। ঢাকায় প্রথম টেস্টে ১০৪ রানের জয়ের পর সিলেটে ৭৮ রানের জয় বাংলাদেশের। সব মিলিয়ে স্মরণীয় জয় বাংলার ঢাকায় প্রথম টেস্টে ১০৪ রানের জয়ের পর সিলেটে ৭৮ রানের জয় বাংলাদেশের। সব মিলিয়ে স্মরণীয় জয় বাংলার টাইগারদের।
{{/usCountry}}