বাংলাদেশের নির্বাচনে বিপুল সংখ্যক আসন পেয়ে জয়ী হয়েছে বিএনপি। এরই সঙ্গে আবার বাংলাদেশে গণভোট অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে সংবিধান সংশোধনের একটি প্রশ্নমালা নিয়ে ভোটগ্রহণ হয়। সেই ভোটে জেতে 'হ্যাঁ' ভোট। অর্থাৎ, অধিকাংশ ভোটাররা নাকি সংবিধান সংস্কারের পক্ষে মত দেয়। সই মতো নির্বাচিন সাংসদদের সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবেও শপথ নেওয়ার কথা ছিল। যদিও বিএনপির নির্বাচিত সাংসদরা সেই পথে হাঁটালেন না। অর্থাৎ, তাঁরা সংবিধান সংস্কারের পথে হয়ত হাঁটবে না। এর আগে অবশ্য জামাত এবং এনসিপি দাবি করেছিল, সংস্কার না করা হলে তারা আন্দোলনে নামবে। তবে সেই হুঁশিয়ারিকে আপাতত তোয়াক্কা করছে না বিএনপি।
উল্লেখ্য, ইউনুস জমানায় সংবিধান সংস্কারের জন্য জুলাই সনদ আনা হয়েছিল। গতকালই ইউনুসের শেষ কার্যদিবসে শর্তসাপেক্ষে সেই সনদে সই করেছিল এনসিপি। তবে আজ বিএনপি স্পষ্ট করে দিল, সংবিধান বদল করার ক্ষেত্রে ইউনুসের দেখানো পথে তারা হাঁটবে না। এমনিতেও সেই প্রস্তাবিত 'সংস্কার' অনুযায়ী, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা খর্ব করার কথা বলা হয়েছিল। রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা বৃদ্ধির কথা বলা হয়েছিল। এছাড়া দুবারের বেশি কেউ বাংলাদেশি প্রধানমন্ত্রী থাকতে পারবে না বলে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করা বিএনরি এই সব শর্ত মানবে বলে এবার মনে হচ্ছে না। যদিও ভোটের আগে বিএনপি প্রধান তারেক রহমান 'হ্যাঁ' ভোটের পক্ষেই সায় দিয়েছিল। তবে এই সব প্রস্তাবিত সংস্কারের বেশ কয়েকটি নিয়ে যে বিএনপির আপত্তি রয়েছে, তা দলগত ভাবে তারা বহুবার ইউনুসকে জানিয়েছিল।
এদিকে বিএনপি সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ না নেওয়ায় জামাত-এনসিপি জোটের জয়ীরা সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নেয়নি। এই নিয়ে এনসিপি মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া ফেসবুক পোস্টে লেখেন, 'গণভোটের জনরায়কে প্রথম দিনেই বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে শুরু হলো নতুন সংসদের যাত্রা। আইন অনুযায়ী বিএনপি সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ না নেওয়ায় কোনো শপথই নেবে না ১১-দলীয় জোট।'
এদিকে নিজেদের অবস্থান নিয়ে বিএনপি সাংসদ সালাউদ্দিন আহমেদ বলেন, 'বিএনপি সংবিধান মেনে চলছে এবং আগামী দিনেও চলবে। আমরা কেউ সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হইনি। জাতীয় সংসদে সাংবিধানিকভাবে গৃহীত হলে এ বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়া যাবে।'
{{/usCountry}}এদিকে নিজেদের অবস্থান নিয়ে বিএনপি সাংসদ সালাউদ্দিন আহমেদ বলেন, 'বিএনপি সংবিধান মেনে চলছে এবং আগামী দিনেও চলবে। আমরা কেউ সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হইনি। জাতীয় সংসদে সাংবিধানিকভাবে গৃহীত হলে এ বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়া যাবে।'
{{/usCountry}}