শোনা গিয়েছিল, সেপ্টেম্বর মাসে ভারতের সফরে না এলেও, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নভেম্বর মাসে আসতে পারেন সেই সফরে। তবে সদ্য একাধিক মিডিয়া রিপোর্ট দাবি করেছে, সম্ভবত নভেম্বর মাসে সৌদি ও তুরস্কের সফরে যাবেন তারেক রহমান। ফলত, তারেক রহমানের ভারত সফর আপাতত জল্পনাতেই রয়েছে। এদিকে, ডিসেম্বর মাসে বাংলাদেশে পা রাখার ঘোষণা করে দিয়েছেন বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এমন পরিস্থতিতে তারেক রহমান কবে ভারতে আসছেন, তা নিয়ে প্রশ্ন থাকছে। এদিকে, সদ্য বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশে ভারতের রাষ্ট্রদূত দীনেশ ত্রিবেদী। সেই সাক্ষাতের পর দুই ব্যক্তিত্বই নিজেদের বক্তব্য রাখেন। এদিকে, একই দিনে গঙ্গা চুক্তি নিয়ে মুখ খোলে ভারতের বিদেশমন্ত্রক।

ভারতে নভেম্বর মাসে তারেক রহমান আসার যে গুঞ্জন ছিল, তা নিয়ে সাংবাদিকরা বাংলাদেশের বিদেশ প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরকে জিজ্ঞাসা করলে, তিনি বলেন, ‘গুঞ্জন মানে গুঞ্জনই। গুঞ্জন নিয়ে আমি কথা বলি না। আমি কথা বলি রিয়েলিটি নিয়ে। রিয়েলিটি হচ্ছে, আজ আমাদের মধ্যে (দীনেশ ত্রিবেদী ও হুমায়ুন কবিরের বৈঠক) ভালো বৈঠক হয়েছে।’ তারেক রহমানের ভারত সফরের প্রসঙ্গ উঠতেই বাংলাদেশের মন্ত্রী বলেন, ‘যখন সফরের জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরি হবে, তখন সফর হতে পারে। আমরা এই বিষয়ে ইতিবাচক।’ দুই দেশের সম্পর্ক ইস্যুতে বাংলাদেশের বিদেশ প্রতিমন্ত্রী কবির বলেন, ‘বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের ক্ষেত্রে অবশ্যই কিছু চ্যালেঞ্জ আছে। এসব চ্যালেঞ্জ সংলাপ ও আলোচনার মাধ্যমে অতিক্রম করব। আমরা আশাবাদী, এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে পারব।’
এদিকে, তারেকের দিল্লি সফর নিয়ে দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, ‘আমার এই আত্মবিশ্বাস আছে, যখন দুই প্রধানমন্ত্রী মনে করবেন যে সুবিধাজনক সময় হয়েছে, তখন সফরটি হবে।’ দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে তাঁর ব্যক্তিগত পর্যায়ে সম্পর্ক তৈরি হয়েছে। বৈঠকে কোনো সুনির্দিষ্ট বিষয়ে আলোচনা হয়নি বলেও জানান তিনি।
এদিকে, একই দিনে ভারতের বিদেশমন্ত্রকের তরফে গঙ্গা চুক্তি নিয়ে বক্তব্য উঠে আসে। ভারতের তরফে দিল্লিতে বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সোয়াল বলেন, ‘গঙ্গা চুক্তি ও বাকি যে সমস্ত নদী ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে রয়েছে, তার জন্য আমাদের জয়েন্ট রিভার কমিশন যৌথ নদী কমিশন) রয়েছে। নদী সংক্রান্ত বিষয়, জয়েন্ট রিভার কমিশনে আলোচিত হবে। টেকনিক্যাল লেভেলে গঙ্গা চুক্তি সংক্রান্ত বৈঠক চলতে থাকবে।’
{{/usCountry}}এদিকে, একই দিনে ভারতের বিদেশমন্ত্রকের তরফে গঙ্গা চুক্তি নিয়ে বক্তব্য উঠে আসে। ভারতের তরফে দিল্লিতে বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সোয়াল বলেন, ‘গঙ্গা চুক্তি ও বাকি যে সমস্ত নদী ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে রয়েছে, তার জন্য আমাদের জয়েন্ট রিভার কমিশন যৌথ নদী কমিশন) রয়েছে। নদী সংক্রান্ত বিষয়, জয়েন্ট রিভার কমিশনে আলোচিত হবে। টেকনিক্যাল লেভেলে গঙ্গা চুক্তি সংক্রান্ত বৈঠক চলতে থাকবে।’
{{/usCountry}}