বাংলাদেশে হাসিনা বিরোধী গণঅভ্যুত্থানের পরে গঠিত রাজনৈতিক দল এনসিপি নির্বাচনে জামাতের সঙ্গে জোট বেঁধেছিল। সেই সময় দলটিকে নিয়ে অনেকেই সমালোচনা করেছিল। স্বতন্ত্র ধারার রাজনীতি করার নাম করে ময়দানে নেমে মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী একটি দলের সঙ্গে হাত মেলানোয় এনসিপির অনেক নেতাই নাহিদ ইসলামদের ত্যাগ করেছিলেন। তবে তখন নাহিদরা যুক্তি দিয়েছিলেন, আদর্শগত ভাবে জামাতের সঙ্গে তারা জোট করছে না, জোট হচ্ছে শুধু নির্বাচনী বোঝাপড়ার ভিত্তিতে। তবে নির্বাচনের পরে দেখা যাচ্ছে, জামাতকে বুকে জড়িয়েই রাজনীতি করতে চাইছে এনসিপি। এই আবহে পার্বত্য চট্টগ্রাম এলাকায় সাত সংখ্যালঘু নেতা এনসিপি ছাড়লেন।

রিপোর্ট অনুযায়ী, রাঙ্গামাটিতে জাতীয় নাগরিক পার্টির সাতজন নেতা দলীয় পদ থেকে একযোগে পদত্যাগ করেছেন। পদত্যাগ করা নেতারা হলেন- রাঙ্গামাটি জেলা শাখার যুগ্ম সদস্য সচিব উজ্জল চাকমা, সাংগঠনিক সম্পাদক দিবাকর চাকমা ও মিশন চাকমা, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ঊষাপ্রু মারমা, দপ্তর সম্পাদক প্রণয় বিকাশ চাকমা এবং সদস্য বিনয় চাকমা ও সুলেখা চাকমা। রিপোর্ট অনুযায়ী, পদত্যাগপত্রে উজ্জল চাকমা লিখেছেন, ‘অনেক আশা-আকাঙ্ক্ষা নিয়ে এনসিপিতে যোগ দিয়েছিলাম। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্পিরিটকে ধারণ করে জাতীয় নাগরিক পার্টিকে এক সময় একটি বহুমাত্রিক ও বহুত্ববাদে বিশ্বাসী দল মনে হয়েছিল। কিন্তু বিগত জাতীয় নির্বাচনকে ঘিরে দলটি তার স্বতন্ত্র আদর্শ থেকে সরে গিয়ে একটি বৃহৎ দলের সঙ্গে জোট গঠন করেছে। এমতাবস্থায় আমার পক্ষে সেই আদর্শকে লালন করা সম্ভব হচ্ছে না। তাই আজ থেকে জাতীয় নাগরিক পার্টির সব সাংগঠনিক কার্যক্রম থেকে বিদায় নিচ্ছি এবং একই সঙ্গে দলীয় পদ থেকেও পদত্যাগ করছি।’
এদিকে এই ঘটনার পরে রাঙ্গামাটি জেলা এনসিপির আহ্বায়ক বিপিন জ্যোতি চাকমা বলেন, ‘শুনেছি আমার জেলা শাখার আহ্বায়ক কমিটির কয়েকজন নেতা নাকি পদত্যাগ করেছেন। তবে এখনো আমার কাছে কোনো লিখিত আবেদন আসেনি। হঠাৎ করে একসঙ্গে এভাবে পদত্যাগের কারণ কী, তা আমরা সাংগঠনিকভাবে খতিয়ে দেখব।'
{{/usCountry}}এদিকে এই ঘটনার পরে রাঙ্গামাটি জেলা এনসিপির আহ্বায়ক বিপিন জ্যোতি চাকমা বলেন, ‘শুনেছি আমার জেলা শাখার আহ্বায়ক কমিটির কয়েকজন নেতা নাকি পদত্যাগ করেছেন। তবে এখনো আমার কাছে কোনো লিখিত আবেদন আসেনি। হঠাৎ করে একসঙ্গে এভাবে পদত্যাগের কারণ কী, তা আমরা সাংগঠনিকভাবে খতিয়ে দেখব।'
{{/usCountry}}