Bangladesh President India Connection: বাবা ছিলেন ভারতের শিবিরে, বউ পড়তেন কলকাতায়- বাংলাদেশের নয়া রাষ্ট্রপতি ফখরুল কে?
Bangladesh President India Connection: বাংলাদেশের নয়া রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়েছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগির। আর তাঁর সঙ্গে ভারতের যোগাযোগ আছে। তাঁর বাবা ভারতের রিফিউজি শিবিরে ছিলেন। স্ত্রী পড়তেন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে।
Bangladesh President India Connection: মুক্তিযুদ্ধের সময় শরণার্থী হিসেবে দীর্ঘদিন ভারতে ছিলেন বাবা। আবার স্ত্রী পড়তেন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে। সেই মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগির নির্বাচিত হলেন বাংলাদেশের নয়া রাষ্ট্রপতি। বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বধীন জোট প্রার্থী কর্নেল (অবসরপ্রাপ্ত) অলি আহমদকে উড়িয়ে দিয়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর প্রাপ্ত ভোট হল ২৫৫। বিরোধী প্রার্থী পেয়েছেন মাত্র ৮৮টি ভোট। আর সেই ফখরুলের পরিবারের সঙ্গে ভারতের গভীর সংযোগ আছে।

মুক্তিযুদ্ধের প্রায় পুরোটা সময় ভারতে ছিলেন ফখরুলের বাবা
গত বছর নভেম্বর একটি ফেসবুক পোস্টে নিজেই বলেছিলেন, ‘আমার আব্বা মরহুম মির্জা রুহুল আমিন ১৯৭১ সালের মার্চের ২৭ তারিখে আমার নানাবাড়ি যান আমার দুই ছোটো ভাই আর দুই বোন এবং মা'কে নিয়ে। তারপর এপ্রিলে চলে যান ভারতের ইসলামপুরে! রিফিউজি ক্যাম্পে ছিলেন যুদ্ধের প্রায় পুরোটা সময়।'
সেইসঙ্গে তিনি বলেছিলেন, '৩ ডিসেম্বর ঠাকুরগাঁও স্বাধীন হয়। আমার বাবা ঠাকুরগাঁও ফিরে আসেন তখনই! যখন ফিরে আসেন, দেখেন সব লুট হয়ে গিয়েছে ! আমার মরহুম মা তাঁর গয়না বিক্রি করেন! আমি যোগ দিই অর্থনীতি শিক্ষকতায় ! প্রথম বেতন তুলে দিই আম্মার হাতে।’
ফখরুলের বউ পড়তেন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে
সেইসঙ্গে তিনি যে বইয়ের ছবি পোস্ট করেন, তাতে লেখা ছিল, ‘আমার বাবা কিন্তু মুসলিম লিগার ছিলেন। তিনি একসময় প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য ছিলেন। আমার বাবাও মুক্তিযুদ্ধের সময় ভারতে গিয়েছিলেন। আমাদের পুরো ফ্যামিলি ভারত গিয়েছিল।’ যে ফখরুলের স্ত্রী রাহাত আরা বেগম আবার পড়াশোনা করতেন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে। বাংলাদেশের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের রিপোর্ট অনুযায়ী, তিনি একটি বেসরকারি আর্থিক প্রতিষ্ঠানে কাজ করেন।
রাষ্ট্রপতি হওয়ার পরে প্রথম বার্তা ফখরুলের
আর সেই ফখরুল রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে জয়ের পরে বাংলাদেশের সরকারি সংবাদসংস্থায় বলেছেন, ‘আমি এমন একটি সুখী, সমৃদ্ধ ও জনকল্যাণমুখী রাষ্ট্রের স্বপ্ন দেখি, যেখানে প্রান্তিক জনগোষ্ঠী, কঠোর পরিশ্রমী মানুষ এবং দিনমজুররা দিনে দুবেলা অন্নসংস্থানের সামর্থ্য রাখেন।’
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


