...
...
Next Story

Bangladesh Mob Lynching: প্রসঙ্গে বাংলাদেশের মব সন্ত্রাস,রিপোর্টের বিস্ফোরক তথ্যে নাক কাটল ইউনুস সরকারের!

সদ্য বাংলাদেশে গত ১৭ মাসে প্রধান উপদেষ্টার নেতৃত্বের ভূয়সী প্রশংসা করেন সেদেশে একবছরের মেয়াদ শেষ করা যুক্তরাষ্ট্রের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স ট্রেসি অ্যান জ্যাকবসন। তবে আসক-র রিপোর্টে উঠে এল অন্তর্বর্তী সরকারের আমলের এক উদ্বেগজনক এক পরিসংখ্যান।

Published on: Dec 31, 2025, 20:12:36 IST
By
Prefer HTon Google
Advertisement

কিছুদিন আগেই বাংলাদেশের ময়মনসিংহে খোলা রাস্তায় জনসমক্ষে দীপু দাসকে পিটিয়ে হত্যা এবং তার পরবর্তী নৃশংস দৃশ্য ঘিরে বাংলাদেশের 'মব সন্ত্রাস' প্রসঙ্গ চর্চায় আসে। এর আগে গত ৯ অগস্ট ভ্যান চোর সন্দেহে রুপালাল দাস ও প্রদীপ দাসকে জনতার পিটিয়ে মারার ঘটনাও মব সন্ত্রাসের আরও এক নিদর্শন। দীপু দাসের মৃত্যুর পরও অমৃত মণ্ডলের মৃত্যুও বাংলাদেশে গণপিটুনিতে হয়। একের পর এক এমন ঘটনা বাংলাদেশে ইউনুস আমলে উঠে আসার মাঝেই সেদেশে ‘মানবাধিকার সংগঠন আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক)’র রিপোর্ট প্রকাশ্যে এল। রিপোর্টে উঠে আসা পরিসংখ্যান কোন বার্তা দিচ্ছে?

বাংলাদেশের মানবাধিকার সংগঠন আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক)র রিপোর্ট দেখে নিন। (HT_PRINT)
বাংলাদেশের মানবাধিকার সংগঠন আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক)র রিপোর্ট দেখে নিন। (HT_PRINT)

সদ্য বাংলাদেশে গত ১৭ মাসে প্রধান উপদেষ্টার নেতৃত্বের ভূয়সী প্রশংসা করেন সেদেশে একবছরের মেয়াদ শেষ করা যুক্তরাষ্ট্রের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স ট্রেসি অ্যান জ্যাকবসন। এদিকে, আসক-র রিপোর্ট বলছে, অন্তর্বর্তী সরকারের এই সময়কালে বাংলাদেশে কমপক্ষে ২৯৩ জন মব সন্ত্রাসের শিকার হয়ে মৃত্যুর কোলে ঢোলে পড়েন, আসক-র রিপোর্টকে তুলে ধরে এই তথ্য প্রকাশ করেছে বাংলাদেশের ‘প্রথম আলো’র প্রতিবেদন। আসকের রিপোর্টে স্পষ্টভাবে যে পরিসংখ্যান তুলে ধরা হয়েছে, তা উল্লেখ করে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালে বাংলাদেশে মব সন্ত্রাসের শিকার হয়ে মৃতের সংখ্যা ১২৮ জন, চলতি বছরে জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত সেই সংখ্যা ১৯৭ জন। ২০২৫ সালে মব সন্ত্রাস আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে, বলে আসকের রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে।

আসকের রিপোর্ট বলছে, ‘কোনও ধরনের প্রমাণ, তদন্ত বা আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে, সন্দেহ, গুজব সৃষ্টি করে মানুষকে মারধর ও হত্যা করা হয়েছে।'এছাড়াও রিপোর্টে বলা হয়েছে,'বেআইনিভাবে মব তৈরি করে শিল্প-সংস্কৃতি কেন্দ্র ভাঙচুর, বাউল সম্প্রদায়ের ওপর হামলা,এমনকি কবর থেকে তুলে লাশ পুড়িয়ে দেওয়ার মতো ঘটনা ঘটে।’ ওই সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে রিপোর্ট উদ্ধৃত করে বলা হয়েছে,'মুক্তিযোদ্ধাসহ বিরুদ্ধ মতের মানুষকে নানাভাবে হেনস্থা করার ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় অনেক ক্ষেত্রে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার নিষ্ক্রিয়তা এবং অপরাধীদের বিচারের আওতায় আনার ক্ষেত্রে উদাসীনতার প্রবণতা লক্ষ্য করা গিয়েছে।' বাংলাদেশে মব সন্ত্রাসে মৃত্যু ২০২৫ সালে কোথায় কোথায় বেশি, সেই পরিসংখ্যান তুলে ধরে আসকের রিপোর্ট বলছে, রাজধানী ঢাকায় এই সংখ্যা সর্বাধিক। ঢাকায় মব সন্ত্রাসে মৃতের সংখ্যা ২৭, গাজিপুরে ১৭, নারায়ণগঞ্জে ১১, চট্টগ্রামে ৯, কুমিল্লায় ৮, ময়মনসিংহে ৬। রিপোর্টে এক বিস্ফোরক তথ্যে বলা হয়েছে, এই বছর হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর বাংলাদেশে কমপক্ষে ৪২টি হামলার ঘটনা ঘটেছে। এরমধ্যে মন্দিরে হামলা, বসতবাড়িতে ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ, জমি দখলের মতো ঘটনাও রয়েছে। বাংলাদেশে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের মন্দিরে ১টি হামলার ঘটনাও রিপোর্টে উঠে আসে। ঢাকায় বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরেও বারবার ভাঙচুরের ঘটনার কথা উল্লেখ করে রিপোর্ট বলছে,'এসব কর্মকাণ্ড বাঙালি জাতিসত্তা, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতার সঙ্গে গভীরভাবে সম্পৃক্ত জাতীয় স্মৃতিচিহ্নসমূহের প্রতি গুরুতর অবমাননার শামিল। '

 
ABOUT THE AUTHOR
Sritama Mitra

শ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe