ডিসেম্বর মাসে বাংলাদেশে ফেরার ঘোষণা আগেই করেছেন বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গত ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতা আন্দোলনের জেরে তিনি রাতারাতি দেশত্যাগে বাধ্য হন। এরপর থেকে তিনি ভারতেই। এদিকে, এরই মাঝে হঠাৎই ভারতে ঝটিকা সফরে এসেছেন বাংলাদেশের বর্তমান গোয়েন্দা প্রধান মেজর জেনারেল আবু মোহাম্মদ সরোয়ার ফরিদ। বাংলাদেশের জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) মহাপরিচালক জেনারেল ফরিদ।

শেখ হাসিনার বাংলাদেশে প্রত্যাবর্তন জল্পনার মাঝেই ফরিদের ভারত সফর নিয়ে বেশ চর্চা শুরু হয়েছে। তবে জানা গিয়েছে, বাংলাদেশের গোয়েন্দা প্রধানের এই ভারত সফর,অষ্টম দক্ষিণ এশীয় সন্ত্রাসবাদ বিরোধী সম্মেলনে যোগ দিতে। উল্লেখ্য, প্রতি বছর নিয়মিত আয়োজিত এই সম্মেলনটি মূলত দক্ষিণ এশিয়া, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া এবং মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর একটি যৌথ আন্তর্জাতিক মঞ্চ। এ বছরের সম্মেলনে বাংলাদেশ ও ভারত ছাড়াও শ্রীলঙ্কা, নেপাল, মালদ্বীপ, মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড, ফিলিপাইন, মিয়ানমার, ব্রুনাই, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ওমানের প্রতিনিধিরা অংশ নিচ্ছেন। আর তাঁদের মধ্যে রয়েছেন বাংলাদেশের গোয়েন্দা সংস্থার প্রধানও। মূলত, এই সম্মেলনে অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর মধ্যে সন্ত্রাসবাদ দমন, মাদক ও মানবপাচার প্রতিরোধ এবং পারস্পরিক কূটনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করাই লক্ষ্য। মূলত, এটি পূর্ণাঙ্গ বহুপাক্ষীয় আঞ্চলিক ফোরাম। পূর্বনির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী বাংলাদেশ থেকে এনএসআই মহাপরিচালক এতে অংশগ্রহণ করছেন। সম্মেলন শেষে ২৮ অক্টোবর বাংলাদেশের গোয়েন্দা প্রধানের দেশে ফেরার কথা। এদিকে, এনডিটিভি সদ্যই একটি প্রতিবেদনে দাবি করেছে যে, নভেম্বর মাসে হয়তো বাংলাদেশের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভারতের সফরে আসতে পারেন। সেই জায়গা থেকে তার আগে এদেশে বাংলাদেশের গোয়েন্দা প্রধানের সফর বেশ তাৎপর্যপূর্ণ।
ইতিমধ্যেই, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রিত্ব পাওয়ার পর নিজের প্রথম বিদেশ সফর হিসাবে চিনকে বেছে নিন তারেক রহমান। পরে যান আমেরিকার সফরে। সদ্য তিনি জাপানের উদ্দেশে রওনা হচ্ছেন। তবে আমন্ত্রণ থাকা সত্ত্বেও ভারতে আয়োজিত ব্রিকস সম্মেলনের সময় সেপ্টেম্বরে ভারত সফরে আসেননি তারেক রহমান। এদিকে, শেখ হাসিনা জানিয়েছেন, তিনি ২০২৬ সালের ডিসেম্বরেই বাংলাদেশে ফিরবেন। এমন এক অবস্থায় ভারতে বাংলাদেশের গোয়েন্দা প্রধানের সফর কতটা প্রাসঙ্গিক, তা নিয়ে বেশ চর্চা রয়েছে।
{{/usCountry}}ইতিমধ্যেই, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রিত্ব পাওয়ার পর নিজের প্রথম বিদেশ সফর হিসাবে চিনকে বেছে নিন তারেক রহমান। পরে যান আমেরিকার সফরে। সদ্য তিনি জাপানের উদ্দেশে রওনা হচ্ছেন। তবে আমন্ত্রণ থাকা সত্ত্বেও ভারতে আয়োজিত ব্রিকস সম্মেলনের সময় সেপ্টেম্বরে ভারত সফরে আসেননি তারেক রহমান। এদিকে, শেখ হাসিনা জানিয়েছেন, তিনি ২০২৬ সালের ডিসেম্বরেই বাংলাদেশে ফিরবেন। এমন এক অবস্থায় ভারতে বাংলাদেশের গোয়েন্দা প্রধানের সফর কতটা প্রাসঙ্গিক, তা নিয়ে বেশ চর্চা রয়েছে।
{{/usCountry}}