...
...
Next Story

Bangladesh seeks Diesel from India: ভারতের সাথে রাগ করেও তেলের জন্য হাত পাতল বাংলাদেশ, বৈঠক দীনেশ ত্রিবেদীর সঙ্গে

প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মন্তব্য ঘিরে ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক নতুন করে চর্চায়, অন্যদিকে ভারতের কাছ থেকেই পাইপলাইনে আরও বেশি ডিজেল সরবরাহ চেয়েছে বাংলাদেশের সরকার। এই ঘটনায় দুই দেশের সম্পর্কের বাস্তব চিত্র নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

Published on: Aug 7, 2026, 10:05:45 IST
Advertisement

Bangladesh seeks Diesel from India: ভারতের সঙ্গে কূটনৈতিক টানাপোড়েনের আবহেই এবার জ্বালানি সরবরাহ বাড়ানোর অনুরোধ জানাল বাংলাদেশ। একদিকে দেশত্যাগের দু’বছর পূর্তিতে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মন্তব্য ঘিরে ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক নতুন করে চর্চায়, অন্যদিকে ভারতের কাছ থেকেই পাইপলাইনে আরও বেশি ডিজেল সরবরাহ চেয়েছে বাংলাদেশের সরকার। এই ঘটনায় দুই দেশের সম্পর্কের বাস্তব চিত্র নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

ভারতের কাছ থেকেই পাইপলাইনে আরও বেশি ডিজেল সরবরাহ চেয়েছে বাংলাদেশের সরকার। (AFP)
ভারতের কাছ থেকেই পাইপলাইনে আরও বেশি ডিজেল সরবরাহ চেয়েছে বাংলাদেশের সরকার। (AFP)

বৃহস্পতিবার ঢাকার সচিবালয়ে ভারতের রাষ্ট্রদূত দীনেশ ত্রিবেদীর সঙ্গে বৈঠক করেন বাংলাদেশের বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি জানান, প্রতিবেশী দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট একাধিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম ছিল জ্বালানি সহযোগিতা। বর্তমানে ভারত থেকে বিদ্যমান পাইপলাইনের মাধ্যমে বাংলাদেশে ডিজেল আমদানি করা হয়। দেশের ক্রমবর্ধমান জ্বালানির চাহিদার কথা বিবেচনা করে সেই সরবরাহ আরও বাড়ানোর অনুরোধ জানানো হয়েছে ভারতের কাছে।

বাংলাদেশ সরকারের দাবি, দেশে গ্যাসের ঘাটতির কারণে সম্প্রতি একাধিক বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ রাখতে হয়েছিল। তবে এখন ধীরে ধীরে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হওয়ায় সেগুলি পুনরায় চালু করা সম্ভব হচ্ছে। একইসঙ্গে দেশে বিদ্যুতের বিল বৃদ্ধি নিয়ে সাধারণ মানুষের অসন্তোষের বিষয়টিও উঠে আসে। যদিও মন্ত্রী দাবি করেন, অতিরিক্ত বিলের অভিযোগ এলেও অধিকাংশ ক্ষেত্রে তদন্তে দেখা গিয়েছে, প্রকৃত বিদ্যুৎ ব্যবহারের ভিত্তিতেই বিল নির্ধারণ করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, জুন মাস থেকে বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়েছে, যার প্রভাবও গ্রাহকদের বিলে পড়েছে।

অন্যদিকে রাজনৈতিক ক্ষেত্রেও দুই দেশের সম্পর্কে টানাপোড়েন অব্যাহত। দেশত্যাগের দুই বছর পূর্তি উপলক্ষে শেখ হাসিনার সাম্প্রতিক বক্তব্যে অস্বস্তিতে পড়েছে ঢাকা। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণের অনুরোধে ভারত কোনও ইতিবাচক সাড়া দিচ্ছে না। এই ইস্যুতে দুই দেশের মধ্যে মতপার্থক্য আরও স্পষ্ট হয়েছে।

তবে কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, রাজনৈতিক মতভেদ থাকলেও জ্বালানি, বিদ্যুৎ, বাণিজ্য এবং সীমান্ত সহযোগিতার মতো বিষয়গুলিতে ভারত ও বাংলাদেশ পরস্পরের উপর যথেষ্ট নির্ভরশীল। ফলে রাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যেও বাস্তব প্রয়োজনের তাগিদে সহযোগিতার ক্ষেত্র খোলা রাখার চেষ্টা করছে উভয় দেশ। এখন ভারতের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের অতিরিক্ত ডিজেল সরবরাহের অনুরোধে কী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় এবং সামগ্রিক দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক কোন দিকে এগোয়, সেদিকেই নজর থাকবে।

 
ABOUT THE AUTHOR
Abhijit Chowdhury

২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe