...
...
Next Story

Bangladesh on Teesta Project: তারেক আমলে তিস্তা প্রকল্প নিয়ে চিনকে বড় বার্তা ঢাকার, মিটিং হল কাদের?

Bangladesh issue: বাংলাদেশের ঢাকায় এদিন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত চিনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন। সেখানেই ওঠে তিস্তা প্রকল্পের কথা।

Published on: Apr 22, 2026 10:15 PM IST
Advertisement

Bangladesh on Teesta Project: তিস্তা প্রকল্প নিয়ে ইউনুস আমলেই তৎপর হয়েছিল বাংলাদেশ। শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকে তিস্তা প্রকল্প নিয়ে বেজিংর দ্বারস্থ হয় ঢাকা। এবার তারেক আমলে ফের একবার উঠল এই তিস্তা প্রকল্পের প্রসঙ্গ।

সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল ‘ইঞ্জিনিয়ার’ তারেক রহমান! এই অদ্ভুত মিমের রহস্য কী (REUTERS)
সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল ‘ইঞ্জিনিয়ার’ তারেক রহমান! এই অদ্ভুত মিমের রহস্য কী (REUTERS)

বাংলাদেশের ঢাকায় এদিন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত চিনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন। সেখানেই ওঠে তিস্তা প্রকল্পের কথা। বাংলাদেশের ঢাকার সংসদ ভবনে স্পিকারের কার্যালয়ে এই মিটিং আয়োজিত হয়। জানা যাচ্ছে, এই মিটিং-এ দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক, সংসদীয় মৈত্রী গ্রুপ গঠন, তিস্তা প্রকল্প এবং রোহিঙ্গা সংকট নিরসন সমেত পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। বৈঠক ঘিরে বাংলাদেশের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের বক্তব্য, বাংলাদেশের সবচেয়ে পুরনো ও বিশ্বস্ত বন্ধু। তাঁর মতে, দুই দেশের সুসম্পর্ক এগিয়ে নিতে সংসদ সদস্যদের সফর বিনিময় অত্যন্ত জরুরি। তিনি গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় বাংলাদেশ-চিন সংসদীয় মৈত্রী গ্রুপ দ্রুত বাস্তবায়নের তাগিদ দেন। এই সাক্ষাতের সময় বাংলাদেশের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ তিস্তা প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং বাংলাদেশের বুকে দীর্ঘদিনের রোহিঙ্গা সংকট নিরসনে চিনের কার্যকর ও শক্তিশালী ভূমিকা রাখার প্রস্তাব করেন। কার্যত তিস্তা প্রকল্প নিয়ে বাংলাদেশের তারেক আমলও নিজের অবস্থান জানান দিয়ে দিয়েছে। অন্যদিকে, বাংলাদেশে অবস্থিত চিনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন, চিনের বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, বলে উল্লেখ করেন।

 
ABOUT THE AUTHOR
Sritama Mitra

শ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe