...
...
Next Story

Bangladesh Tallest Ram Idol: বাংলাদেশের সবচেয়ে উঁচু রামমূর্তি বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়ার হুঁশিয়ারি মৌলবাদীদের

পলাশবাড়ি উপজেলার হোসেনপুর ইউনিয়নের রামচন্দ্রপুর (বৃন্দাবনপাড়া) গ্রামে নির্মিত হচ্ছে এই রামমূর্তিটি। সেই মূর্তি ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিল মৌলবাদী সংগঠন 'ইনসাফ কায়েমকারী ছাত্র শ্রমিক জনতা'।

Published on: Jun 6, 2026, 12:27:45 IST
Advertisement

বাংলাদেশের রংপুর বিভাগের গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ি উপজেলায় গড়ে উঠছে এক বিশাল রামমূর্তি। আর তা নিয়েই আপত্তি তুলল বাংলাদেশের মৌলবাদী গোষ্ঠী 'ইনসাফ কায়েমকারী ছাত্র শ্রমিক জনতা'। রিপোর্ট অনুযায়ী, পলাশবাড়ি উপজেলার হোসেনপুর ইউনিয়নের রামচন্দ্রপুর (বৃন্দাবনপাড়া) গ্রামে নির্মিত হচ্ছে এই রামমূর্তিটি। সেই মূর্তি ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিল মৌলবাদী সংগঠনটি।

রংপুরের রামমূর্তি ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিল মৌলবাদী সংগঠন 'ইনসাফ কায়েমকারী ছাত্র শ্রমিক জনতা'।
রংপুরের রামমূর্তি ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিল মৌলবাদী সংগঠন 'ইনসাফ কায়েমকারী ছাত্র শ্রমিক জনতা'।

ইনসাফ কায়েমকারী ছাত্র শ্রমিক জনতার তরফ থেকে বলা হয়, 'প্রথমে রামের মন্দিরের নামে ভাঙল বাবরি মসজিদ। এখন বাংলাদেশের পলাশবাড়িতে রামের মূর্তি তৈরি করছে। এটা গুঁড়িয়ে দাও। বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দাও। এটা সরকারের গুঁড়িয়ে দেওয়া উচিত। সরকার যদি না করে, তাহলে সাধারণ মানুষ গুঁড়িয়ে দেবে। জনগণের কর্তব্য সরকারকে সাহায্য করা। বাংলাদেশে রাষ্ট্রীয়ভাবে মন্দির গুঁড়িয়ে দিতে হবে।'

মৌলবাদী নেতা আরও বলেন, 'ভারতকে সতর্ক করতে হবে। ভারতে যদি একটাও মুসলমানের ওপর অত্যাচার হয়, মসজিদ ভাঙা হয়, বাংলাদেশ থেকে ভারতে অভিযান করা হবে। ভারত দখল করে নেওয়া হবে। এই মোদী, তোমার রামরাজত্বকে গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে। বাংলাদেশ, পাকিস্তান এবং ভারতের মুসলমানরা একযোগে হামলা করলে ভারত একঘণ্টাও টিকতে পারবে না। তাই ভারতকে সাবধান করুন বাংলাদেশ সরকার। ভারত যদি মুসলমানদের কাছে ক্ষমা না চায়, তাহলে ভারতকে বিশ্ব মানচিত্র থেকে মুছে ফেলা হবে।'

 
ABOUT THE AUTHOR
Abhijit Chowdhury

২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe