বাংলাদেশের রংপুর বিভাগের গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ি উপজেলায় গড়ে উঠছে এক বিশাল রামমূর্তি। আর তা নিয়েই আপত্তি তুলল বাংলাদেশের মৌলবাদী গোষ্ঠী 'ইনসাফ কায়েমকারী ছাত্র শ্রমিক জনতা'। রিপোর্ট অনুযায়ী, পলাশবাড়ি উপজেলার হোসেনপুর ইউনিয়নের রামচন্দ্রপুর (বৃন্দাবনপাড়া) গ্রামে নির্মিত হচ্ছে এই রামমূর্তিটি। সেই মূর্তি ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিল মৌলবাদী সংগঠনটি।

ইনসাফ কায়েমকারী ছাত্র শ্রমিক জনতার তরফ থেকে বলা হয়, 'প্রথমে রামের মন্দিরের নামে ভাঙল বাবরি মসজিদ। এখন বাংলাদেশের পলাশবাড়িতে রামের মূর্তি তৈরি করছে। এটা গুঁড়িয়ে দাও। বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দাও। এটা সরকারের গুঁড়িয়ে দেওয়া উচিত। সরকার যদি না করে, তাহলে সাধারণ মানুষ গুঁড়িয়ে দেবে। জনগণের কর্তব্য সরকারকে সাহায্য করা। বাংলাদেশে রাষ্ট্রীয়ভাবে মন্দির গুঁড়িয়ে দিতে হবে।'
মৌলবাদী নেতা আরও বলেন, 'ভারতকে সতর্ক করতে হবে। ভারতে যদি একটাও মুসলমানের ওপর অত্যাচার হয়, মসজিদ ভাঙা হয়, বাংলাদেশ থেকে ভারতে অভিযান করা হবে। ভারত দখল করে নেওয়া হবে। এই মোদী, তোমার রামরাজত্বকে গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে। বাংলাদেশ, পাকিস্তান এবং ভারতের মুসলমানরা একযোগে হামলা করলে ভারত একঘণ্টাও টিকতে পারবে না। তাই ভারতকে সাবধান করুন বাংলাদেশ সরকার। ভারত যদি মুসলমানদের কাছে ক্ষমা না চায়, তাহলে ভারতকে বিশ্ব মানচিত্র থেকে মুছে ফেলা হবে।'
উল্লেখ্য, হোসেনপুর ইউনিয়নের রামচন্দ্রপুর (বৃন্দাবনপাড়া) গ্রামেই আছে বাংলাদেশের বৃহত্তম কৃষ্ণ মূর্তি। মন্দির কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ২৫ নভেম্বর রাজশাহীতে নিযুক্ত ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনার শ্রী মনোজ কুমার আনুষ্ঠানিকভাবে কৃষ্ণ বিগ্রহের উদ্বোধন করেন। তবে এখন এই মন্দিরের ওপর কুনজর পড়েছে বাংলাদেশি মৌলবাদীদের।
{{/usCountry}}উল্লেখ্য, হোসেনপুর ইউনিয়নের রামচন্দ্রপুর (বৃন্দাবনপাড়া) গ্রামেই আছে বাংলাদেশের বৃহত্তম কৃষ্ণ মূর্তি। মন্দির কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ২৫ নভেম্বর রাজশাহীতে নিযুক্ত ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনার শ্রী মনোজ কুমার আনুষ্ঠানিকভাবে কৃষ্ণ বিগ্রহের উদ্বোধন করেন। তবে এখন এই মন্দিরের ওপর কুনজর পড়েছে বাংলাদেশি মৌলবাদীদের।
{{/usCountry}}