Bangladesh Teesta Masterplan Delay: বাংলাদেশের তিস্তা প্রকল্পে জোরদার ধাক্কা! জুলাইয়ে ভারতকে খোঁচাও দেন জামাত প্রধান
Bangladesh Teesta Project Latest Update: বাংলাদেশের তিস্তা প্রকল্পে জোরদার ধাক্কা। যে প্রকল্পের জন্য চিনের সঙ্গে হাত মিলিয়েছে বাংলাদেশ। চিনের থেকে একটা বড় অংশের অর্থ ঋণ নিয়েছে ঢাকা। যে প্রকল্প নিয়ে জুলাইয়ে ভারতকে খোঁচাও দেন জামাত প্রধান।
Bangladesh Teesta Masterplan Delay: বাংলাদেশের ‘স্বপ্নের’ তিস্তা প্রকল্প পিছিয়ে যাচ্ছে আবারও। বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যম দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের প্রতিবেদন অনুযায়ী, 'তিস্তা নদীর অববাহিকা ব্যবস্থাপনা প্রকল্প'-র নির্মাণকাজ শুরু করার আগে নতুন করে সমীক্ষা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারেক রহমান সরকার। সেই পরিস্থিতিতে যে প্রকল্প ২০২৮ সালের মার্চের মধ্যে শেষ করার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছিল, সেটার কাজ ২০২৯ সালের আগে শুরুই করা যাবে না বলে মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল।

নতুন করে সমীক্ষা, ২০২৮ সালের মার্চ পর্যন্ত চলবে
নতুন করে সেই সমীক্ষা হতে চলেছে বাংলাদেশ জল উন্নয়ন বোর্ডের প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে। ওই প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, নয়া যে প্রস্তাব পেশ করা হয়েছে, তাতে বলা হয়েছে যে নিজেদের টাকায় স্বাধীনতা সেই সমীক্ষা চালাবে বাংলাদেশ সরকার। সেই রিপোর্ট জমা পড়ার পরই তিস্তা প্রকল্পের নির্মাণকাজ সংক্রান্ত পরিকল্পনা তৈরি করা হবে নতুনভাবে। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে চলতি বছর সেই প্রস্তাবে অনুমোদন পড়বে। সমীক্ষা শুরু হবে আগামী বছর থেকে। আর শেষ হবে ২০২৮ সালের মার্চে। তারপর নির্মাণ কাজ শুরু করতে বছরখানেক মতো লাগবে বলে জানানো হয়েছে।
চিন নাকি স্বাগত জানিয়েছে নয়া প্রস্তাবকে
আর সেই নতুন করে সমীক্ষার পরিকল্পনাকে নাকি চিন স্বাগত জানিয়েছে বলে ওই প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। যে প্রকল্পের জন্য ২০১৬ সালে চিনের রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা পাওয়ার চায়নার সঙ্গে মউ স্বাক্ষর করেছিল ঢাকা। ২০২০ সালে সমীক্ষার রিপোর্টও জমা দিয়েছিল। বাংলাদেশ জল উন্নয়ন বোর্ডের সূত্র উদ্ধৃত করে বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যমের ওই প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, নতুন করে সমীক্ষা করার যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তাতে সমর্থন জানিয়েছে বেজিং। আর সমীক্ষার জন্য প্রযুক্তিগত সহায়তা প্রদানেরও বার্তা দিয়েছে।
ভারতের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়
বেজিং যে সেটা করবে, তা স্বাভাবিক বলেই মনে করছে কূটনৈতিক মহল। কারণ যেখানে ওই প্রকল্প গড়ে উঠবে, তা ভারতের কার্যত ঢিলছোড়া দূরত্বে। অত্যন্ত স্পর্শকাতর শিলিগুড়ি করিডর বা ‘চিকেনস নেক’ থেকে সেটির দূরত্ব মেরেকেটে ১০০ কিলোমিটারের মতো। সেই পরিস্থিতিতে ভারতের একেবারে নাকের ডগায় চিনাদের দীর্ঘমেয়াদি উপস্থিতি নয়াদিল্লির জন্য যথেষ্ট উদ্বেগজনক। নিরাপত্তাজনিত ঝুঁকিও বাড়বে বলে মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল।
যে প্রকল্প নিয়ে জুলাইয়েই নাম না করে ভারতকে খোঁচা দিয়েছিলেন বাংলাদেশের জামায়াতে ইসলামির প্রধান শফিকুর রহমান। তিনি বলেছিলেন, 'তিস্তা প্রকল্প সম্পূর্ণ বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়। দেশের স্বার্থে যা প্রয়োজন, আমরা তাই করব। আমাদের উন্নতিতে বন্ধু রাষ্ট্রগুলির খুশি হওয়ারই কথা। তবু কেউ যদি অসন্তুষ্ট হন, তাহলে রাজশাহীর আম পাঠিয়ে তাঁকে খুশি করার চেষ্টা করব।'
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


