বিভিন্ন জল্পনা তুঙ্গে রেখে বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ জানিয়ে দেয় যে, ব্রিকস চলাকালে ভারত সফরে আসছেন না তারেক রহমান। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর বাতিল ঘিরে কূটনৈতিক মহলে বেশ চর্চা। তারই সঙ্গে চর্চা ছিল, চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ব্রিকসে যোগ দিতে ভারতে আসবেন কি না, সেই বিষয়টি নিয়ে। বাংলাদেশ যে মুহূর্তে জানিয়ে দেয় যে, তাদের প্রধানমন্ত্রী ভারতে আসবেন না, তার ক্ষণিকের মধ্যেই ভারতে চিনের দূতাবাস থেকে নিশ্চিত করা হয় যে ভারতের সফরে আসছেন চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। এদিকে, তারেকের ভারত সফর বাতিলের পর, এবার বাংলাদেশ ভারতের সঙ্গে হওয়া ১০১ মউ চুক্তি পর্যালোচনা করছে বলে জানিয়েছে।

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর তারেক রহমান প্রথম বিদেশ সফর হিসাবে গিয়েছিলেন চিনে। পরবর্তীতে তিনি ভারতের সফরে আসবেন বলে তারেককে ঘিরে জল্পনা শুরু হয়। এদিকে, সেই চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং আসছেন ভারতে। ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে শুধু যে জিনপিং আসছেন তা নয়, ভারতে পা রেখেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিন। এসেছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান। এমন এক সম্মেলনের সময় ভারতের সফর বাতিল করেছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী।
কিছুদিন আগেই, ৫ আগস্ট দিল্লিতে শেখ হাসিনার কণ্ঠ শোনা যায় এক ইভেন্টে। তা নিয়ে সুর চড়ায় ঢাকা। তারপর থেকেই তারেকের ভারত সফর নিয়ে জল্পনা বাড়ে।
এদিকে, বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি জানিয়েছেন, শেখ হাসিনার শাসনামলে ভারতের সঙ্গে হওয়া ১০১টি চুক্তি পর্যালোচনা করছে সরকার। নুরুল ইসলাম মনি বলেন, দেশের স্বার্থ বিরোধী অসংখ্য চুক্তি করে গেছেন শেখ হাসিনা। আমরা সেই জায়গা থেকে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করছি। আমাদের দেশের স্বার্থ রক্ষার পরেই বন্ধুত্ব বজায় রাখা হবে।বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যম যুগান্তরের রিপোর্ট অনুসারে, নুরুল ইসলাম মনি বলেন, বিভিন্ন অনৈতিক চুক্তি থেকে বের হয়ে আসছে বর্তমান সরকার। বিএনপি সরকারের মূলনীতি হচ্ছে, সবার আগে বাংলাদেশ।