মাঝের কিছুটা সময় বাংলাদেশে ভারতীয় ভিসা দেওয়া সাময়িকভাবে বন্ধ থাকলেও চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে তা ফের শুরু হয়েছে। এদিকে, বাংলাদেশের বুকে ভারতের জন্য ভিসাপ্রত্যাশীরা ভিসার জন্য আবেদন করার সুযোগ পাচ্ছেন না এবং ভিসা পেতে জটিলতা সৃষ্টি হচ্ছে বলে অভিযোগ। সেই বিষয়টি নিয়ে মুখ খুললেন বাংলাদেশে ভারতের ডেপুটি হাইকমিশনার পবন বাদেহ। গোটা বিষয়টির নেপথ্য কারণ ফাঁস করলেন পবন বাদেহ।

দুর্গাপুজোর সপ্তমীর রাতে, সন্ধ্যায় টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে এশিয়াখ্যাত দানবীর রণদা প্রসাদ সাহার বাড়ির পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে যান পবন বাদেহ। তিনি সেখানে যেতেই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন। সেখানেই ভারতের ভিসা সংক্রান্ত জটিলতার প্রসঙ্গটি আসে। পাওয়ান বাধে বলেন, ‘মূল সমস্যাটা হলো স্লট নিয়ে। কারণ, আমরা অবশ্যই (ট্রাভেল) এজেন্টদের পুরোপুরি এড়িয়ে যেতে পারছি না, এখানে প্রচুর অসাধু এজেন্ট (মধ্যস্থতাকারী) কাজ করছে, যাদের নিজস্ব স্বার্থ রয়েছে। তারা বেশ আগেই স্লটগুলো ব্লক করে ফেলে, যার ফলে সাধারণ নাগরিকেরা ভিসার স্লট পাওয়া থেকে বঞ্চিত হন এবং দুর্ভাগ্যবশত তাদের (ভিসাপ্রত্যাশী) ওই এজেন্টদের শরণাপন্ন হতে হয়।’
প্রসঙ্গত, ভারতীয় ভিসার স্লট বলতে বোঝায় ভিসার আবেদন জমা দেওয়ার জন্য নির্দিষ্ট তারিখ ও সময়ে নির্ধারিত সুযোগ বা অ্যাপয়েন্টমেন্ট। প্রসঙ্গত, বাংলাদেশে ভারতের ভিসা ইস্যু নিয়ে ভারতের ডেপুটি হাইকমিশনার পবন বাদেহ বলেন, সাধারণ মানুষের এই ভোগান্তি নিরসন এবং প্রক্রিয়াটিকে আরও সহজ ও স্বচ্ছ করতে ভারতীয় হাইকমিশন সক্রিয়ভাবে কাজ করছে।
দুই দেশের সম্পর্ক ও দুর্গাপুজো প্রসঙ্গে তিনি বলেন, পবন বাদেহ বলেন, ‘বাংলাদেশ ও ভারতের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য অনেকাংশেই অভিন্ন। আমাদের দেশেরও দুর্গাপূজা উদ্যাপনও প্রায় একই রকম।’ জানা যায় সপ্তমীর রাতে বাংলাদেশের ওই এলাকায় কুমুদিনী লাইব্রেরি পরিদর্শনের পর বজরা নৌকাযোগে লৌহজং নদ পার হয়ে রণদার বাড়ির পূজামণ্ডপে যান।
{{/usCountry}}দুই দেশের সম্পর্ক ও দুর্গাপুজো প্রসঙ্গে তিনি বলেন, পবন বাদেহ বলেন, ‘বাংলাদেশ ও ভারতের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য অনেকাংশেই অভিন্ন। আমাদের দেশেরও দুর্গাপূজা উদ্যাপনও প্রায় একই রকম।’ জানা যায় সপ্তমীর রাতে বাংলাদেশের ওই এলাকায় কুমুদিনী লাইব্রেরি পরিদর্শনের পর বজরা নৌকাযোগে লৌহজং নদ পার হয়ে রণদার বাড়ির পূজামণ্ডপে যান।
{{/usCountry}}