...
...
Next Story

Bangladeshi Hindus: বাংলাদেশে কি ধর্মাচারণের অধিকার নেই হিন্দুদের? মন্দিরে ঢুকে কীর্তন বন্ধ করে দিল কট্টরপন্থীরা

অভিযোগ, স্থানীয় শীতলা মন্দিরে কীর্তন অনুষ্ঠানে আপত্তি জানিয়ে একদল কট্টরপন্থী হুমকি দেয় এবং পরে অনুষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া হয়। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রের দাবি। অভিযোগ, কট্টরপন্থীদের তরফ থেকে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের বাংলাদেশ ছেড়ে চলে যেতে বলা হয়।

Published on: May 22, 2026, 10:33:09 IST
Advertisement

বাংলাদেশের রংপুরে কীর্তন বন্ধের অভিযোগ ঘিরে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। অভিযোগ, স্থানীয় শীতলা মন্দিরে কীর্তন অনুষ্ঠানে আপত্তি জানিয়ে একদল কট্টরপন্থী হুমকি দেয় এবং পরে অনুষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া হয়। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রের দাবি। অভিযোগ, কট্টরপন্থীদের তরফ থেকে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের বাংলাদেশ ছেড়ে চলে যেতে বলা হয়।

বাংলাদেশের রংপুরে কীর্তন বন্ধের অভিযোগ ঘিরে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে।
বাংলাদেশের রংপুরে কীর্তন বন্ধের অভিযোগ ঘিরে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া একাধিক ভিডিওতে দেখা যায়, কীর্তন চলাকালীন হঠাৎই উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। অভিযোগ, কয়েকজন ব্যক্তি মন্দির প্রাঙ্গণে ঢুকে আওয়াজ বন্ধ করার দাবি তোলে এবং পরে কীর্তন থামিয়ে দেওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করে। উপস্থিত ভক্তদের একাংশ প্রতিবাদ জানালেও পরিস্থিতি ক্রমশ উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। সেখানে থাকা হিন্দুরা প্রশ্ন তোলেন, ধর্মীয় আচার পালনের কি অধিকার নেই তাঁদের?

স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের দাবি, বহু বছর ধরে ওই এলাকায় নিয়মিত কীর্তনের আয়োজন হয়ে আসছে। কিন্তু সাম্প্রতিক ঘটনায় তাঁরা নিজেদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগে রয়েছেন। অভিযোগ উঠেছে, ধর্মীয় অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে ভয় দেখানোর চেষ্টা করা হয়েছে। যদিও প্রশাসনের তরফে ঘটনার পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা এখনও সামনে আসেনি।

ঘটনার পর থেকেই বিষয়টি নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। অনেকে সংখ্যালঘুদের ধর্মীয় স্বাধীনতা ও নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। এদিকে বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলায় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে ঘিরে একাধিক বিতর্কের আবহে রংপুরের এই ঘটনাকে ঘিরে নতুন রাজনৈতিক ও সামাজিক আলোচনা শুরু হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ চাইছেন, প্রশাসন দ্রুত হস্তক্ষেপ করে এলাকায় শান্তি ও স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনুক।

 
ABOUT THE AUTHOR
Abhijit Chowdhury

২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe