...
...
Next Story

Bangladeshi Infiltration: নিজের দেশের নাগরিকদেরই 'রোহিঙ্গা' আখ্যা বিজিবির, সীমান্তে কান্নাকাটি বাংলাদেশিদের

বাংলাদেশি সংবাদমাধ্যমের কাছে গতকাল কেঁদে কেঁদে এক বাংলাদেশি মহিলা দাবি করেন, তাঁর শ্বশুরবাড়ি খুলনার দিঘলিয়ায়। তাঁর স্বামী অসুস্থ বলে চিকিৎসার জন্যে নাকি তিনি ভারতে এসেছিলেন। এখন বিএসএফ তাঁদের পুশব্যাক করে। তবে বিজিবির পায়ে পড়েও নাকি তাঁদের দেশে ফিরতে দেওয়া হচ্ছে না।

Published on: Jun 6, 2026, 13:35:58 IST
Advertisement

বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড নিজের দেশের নাগরিকদেরই 'রোহিঙ্গা' আখ্যা দিয়ে ফিরতে দিচ্ছে না। আবার বাংলাদেশি মিডিয়া এদেরই ভারতীয় বলে দাবি করছে তারেক রহমান সরকারের 'ন্যারেটিভের' সঙ্গে সামঞ্জস্য বজায় রাখতে। তবে ক্যামেরার সামনে এই সব অনুপ্রবেশকারীরা কান্নাকাটি করে স্বীকার করছেন, তাঁরা বাংলাদেশি। বাংলাশের কোথায় তাঁদের বাড়ি, তা নিয়েও বিশদ জানাচ্ছে তাঁরা। তা সত্ত্বেও এই সব বাংলাদেশিদের আবার ভারতে ফিরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে বিজিবি।

বাংলাদেশি সংবাদমাধ্যমের কাছে গতকাল কেঁদে কেঁদে এক বাংলাদেশি মহিলা দাবি করেন, তাঁর শ্বশুরবাড়ি খুলনার দিঘলিয়ায়।
বাংলাদেশি সংবাদমাধ্যমের কাছে গতকাল কেঁদে কেঁদে এক বাংলাদেশি মহিলা দাবি করেন, তাঁর শ্বশুরবাড়ি খুলনার দিঘলিয়ায়।

এই আবহে বাংলাদেশি সংবাদমাধ্যমের কাছে গতকাল কেঁদে কেঁদে এক বাংলাদেশি মহিলা দাবি করেন, তাঁর শ্বশুরবাড়ি খুলনার দিঘলিয়ায়। তাঁর স্বামী অসুস্থ বলে চিকিৎসার জন্যে নাকি তিনি ভারতে এসেছিলেন। এখন বিএসএফ তাঁদের পুশব্যাক করে। তবে বিজিবির পায়ে পড়েও নাকি তাঁদের দেশে ফিরতে দেওয়া হচ্ছে না। সেই মহিলা দাবি করেন, শ্বশুরবাড়ির লোকেরা তাঁদের বাংলাদেশি নথি নিয়ে আসতে পারে, তবে তার জন্য সময় লাগবে। এদিকে তিনি আরও দাবি করেন, বিজিবি নাকি তাঁদের রোহিঙ্গা বলে আখ্যা দিচ্ছে।

এদিকে আরও এক মহিলা দাবি করেন, অসুস্থ স্বামীকে নিয়ে ভারতে এসে আটকে পড়েছিলেন তিনি। তারপর সেখানেই সন্তানদের নিয়ে বসবাস শুরু করেন। তবে সম্প্রতি বাড়িওয়ালা তাঁদের ভারত ছেড়ে চলে যেতে বলেন শুভেন্দু অধিকারী মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পরে। এই আবহে তাঁরা বাংলাদেশে ফিরতে চাইছে। তবে বিজিবি তাঁদের ঢুকতে দিচ্ছে না। রিপোর্ট অনুযায়ী, শুক্রবার সকালে পানিশালা এলাকার ১৩৪ নম্বর সীমান্ত পিলারের কাছে কয়েকজন বাংলাদেশি নাগরিককে জিরো পয়েন্টে জড়ো হতে দেখা যায়। বিষয়টি নজরে আসার পর বিএসএফের জওয়ানরা সেখানে পৌঁছন। অভিযোগ, বাংলাদেশের বিজিবির ৬১ নম্বর ব্যাটালিয়নের পক্ষ থেকে ওই ব্যক্তিদের ভারতীয় ভূখণ্ডে প্রবেশ করানোর চেষ্টা করা হয়েছিল। তবে বিএসএফের ৯৮ নম্বর ব্যাটালিয়নের মহানদী বিওপির জওয়ানরা তাঁদের আটকে দেয় এবং প্রয়োজনীয় নথি দেখাতে বলে।

 
ABOUT THE AUTHOR
Abhijit Chowdhury

২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe