বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড নিজের দেশের নাগরিকদেরই 'রোহিঙ্গা' আখ্যা দিয়ে ফিরতে দিচ্ছে না। আবার বাংলাদেশি মিডিয়া এদেরই ভারতীয় বলে দাবি করছে তারেক রহমান সরকারের 'ন্যারেটিভের' সঙ্গে সামঞ্জস্য বজায় রাখতে। তবে ক্যামেরার সামনে এই সব অনুপ্রবেশকারীরা কান্নাকাটি করে স্বীকার করছেন, তাঁরা বাংলাদেশি। বাংলাশের কোথায় তাঁদের বাড়ি, তা নিয়েও বিশদ জানাচ্ছে তাঁরা। তা সত্ত্বেও এই সব বাংলাদেশিদের আবার ভারতে ফিরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে বিজিবি।

এই আবহে বাংলাদেশি সংবাদমাধ্যমের কাছে গতকাল কেঁদে কেঁদে এক বাংলাদেশি মহিলা দাবি করেন, তাঁর শ্বশুরবাড়ি খুলনার দিঘলিয়ায়। তাঁর স্বামী অসুস্থ বলে চিকিৎসার জন্যে নাকি তিনি ভারতে এসেছিলেন। এখন বিএসএফ তাঁদের পুশব্যাক করে। তবে বিজিবির পায়ে পড়েও নাকি তাঁদের দেশে ফিরতে দেওয়া হচ্ছে না। সেই মহিলা দাবি করেন, শ্বশুরবাড়ির লোকেরা তাঁদের বাংলাদেশি নথি নিয়ে আসতে পারে, তবে তার জন্য সময় লাগবে। এদিকে তিনি আরও দাবি করেন, বিজিবি নাকি তাঁদের রোহিঙ্গা বলে আখ্যা দিচ্ছে।
এদিকে আরও এক মহিলা দাবি করেন, অসুস্থ স্বামীকে নিয়ে ভারতে এসে আটকে পড়েছিলেন তিনি। তারপর সেখানেই সন্তানদের নিয়ে বসবাস শুরু করেন। তবে সম্প্রতি বাড়িওয়ালা তাঁদের ভারত ছেড়ে চলে যেতে বলেন শুভেন্দু অধিকারী মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পরে। এই আবহে তাঁরা বাংলাদেশে ফিরতে চাইছে। তবে বিজিবি তাঁদের ঢুকতে দিচ্ছে না। রিপোর্ট অনুযায়ী, শুক্রবার সকালে পানিশালা এলাকার ১৩৪ নম্বর সীমান্ত পিলারের কাছে কয়েকজন বাংলাদেশি নাগরিককে জিরো পয়েন্টে জড়ো হতে দেখা যায়। বিষয়টি নজরে আসার পর বিএসএফের জওয়ানরা সেখানে পৌঁছন। অভিযোগ, বাংলাদেশের বিজিবির ৬১ নম্বর ব্যাটালিয়নের পক্ষ থেকে ওই ব্যক্তিদের ভারতীয় ভূখণ্ডে প্রবেশ করানোর চেষ্টা করা হয়েছিল। তবে বিএসএফের ৯৮ নম্বর ব্যাটালিয়নের মহানদী বিওপির জওয়ানরা তাঁদের আটকে দেয় এবং প্রয়োজনীয় নথি দেখাতে বলে।
বিএসএফ সূত্রে জানা গিয়েছে, বাংলাদেশের লালমনিরহাট জেলার পাটগ্রাম উপজেলার ঝালাঙ্গী এলাকা থেকে একটি গাড়িতে করে ওই ১০ জনকে সীমান্তের কাছে নিয়ে আসা হয়। তাঁদের কাছে ভারতীয় নাগরিকত্ব বা বৈধ প্রবেশের কোনও নথি না থাকায় বিএসএফ প্রবেশে বাধা দেয়। এরপর নারী ও শিশুসহ ওই ১০ জন জিরো পয়েন্টেই অবস্থান করতে শুরু করেন। শুক্রবার রাত পর্যন্ত তাঁরা সেখানেই ছিলেন বলে জানা গিয়েছে।
{{/usCountry}}বিএসএফ সূত্রে জানা গিয়েছে, বাংলাদেশের লালমনিরহাট জেলার পাটগ্রাম উপজেলার ঝালাঙ্গী এলাকা থেকে একটি গাড়িতে করে ওই ১০ জনকে সীমান্তের কাছে নিয়ে আসা হয়। তাঁদের কাছে ভারতীয় নাগরিকত্ব বা বৈধ প্রবেশের কোনও নথি না থাকায় বিএসএফ প্রবেশে বাধা দেয়। এরপর নারী ও শিশুসহ ওই ১০ জন জিরো পয়েন্টেই অবস্থান করতে শুরু করেন। শুক্রবার রাত পর্যন্ত তাঁরা সেখানেই ছিলেন বলে জানা গিয়েছে।
{{/usCountry}}