Bangladeshi Inquilab Mancha: পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির জয়ের পর থেকেই বাংলাদেশে শুরু হয়েছে গেল গেল রব। সেই দেশের সংবাদমাধ্যমে মিথ্যাচার চলছে এপারের সংখ্যালঘুদের নিয়ে। এই আবহে ভারত বিরোধিতার সুর চড়াতে ফের পথে নেমেছে নিহত ওসমান হাদির দল 'ইনকিলাব মঞ্চ'। ভারতের বিরুদ্ধে সাত দফার দাবিতে তারা ১০ মে একটি সংবাদ সম্মেলন করে ঢাকায়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যানটিনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ইনকিলাব মঞ্চের নেতা আব্দুল্লা আল জাবের দাবি করেন, সীমান্তে বাংলাদেশি পাচারকারীদের হত্যা করা যাবে না, ভারতের ২৬ লাখ নাগরিক নাকি অবৈধ ভাবে বাংলাদেশে আছেন, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে নাকি এখনও নাক গলাচ্ছে ভারত।
জাবের বলেন, 'বিএসএফ নিয়মিতভাবে বাংলাদেশিদের হত্যা করছে সীমান্তে। ২০০১ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত প্রায় ২০০০ বাংলাদেশিকে সীমান্তে হত্যা করা হয়েছে। ভারতের এই আচরণ আন্তর্জাতিক আইনের চরম লঙ্ঘন। ভারত সরকার কোনও আন্তর্জাতিক আইনের তোয়াক্কা না করেই বাংলাদেশের ওপর আগ্রাসন চালাচ্ছে।' তবে জাবের এটা বলতে ভুলে গেছেন, বাংলাদেশিরা ক্রমাগত অবৈধভাবে অনুপ্রবেশ করছে ভারতে। সীমান্তে পাচার জারি রেখেছে তারা। বিজিবি এই অনুপ্রবেশ এবং পাচার ঠেকাতে ব্যর্থ। এদিকে বাংলাদেশি পাচারকারীরা অস্ত্র নিয়ে সীমান্তে কার্যকলাপ চালায়। এই আবহে তাদের ওপর গুলি চালানো ছাড়া বিএসএফের কাছে আর কী উপায় থাকে?
এরই সঙ্গে জাবেরের আজব দাবি, 'ভারত শুধুমাত্র সীমান্ত হত্যায় সীমাবদ্ধ নয়, বরং বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি এবং সামরিক সক্ষমতা অর্জনের ক্ষেত্রেও বাধা সৃষ্টি করছে। একটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশ তার সামরিক সক্ষমতা কতটুকু বাড়াবে, তা ভারত নির্ধারণ করে দিচ্ছে।' বাংলাদেশ এর আগে তুরস্ক, পাকিস্তান এবং চিনের থেকে সামরিক সরঞ্জাম কিনেছে, কোনও ক্ষেত্রে ভারত বাধা সৃষ্টি করেছে বলে বাংলাদেশেরও কোনও রাজনৈতিক দল অভিযোগ করেনি। এই আবহে জাবের এই মনগড়া কাহিনী কোথা থেকে এবং কীভাবে তৈরি করেছেন, তা জানাননি।
এই আবহে ইনকিলাব মঞ্চের এই 'বিপ্লবীর' দাবি, ভারতীয় হাইকমিশনারকে তলব করে আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদ জানাতে হবে সরকারকে; ভারতকে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার হুমকি হিসেবে চিহ্নিত করে রাষ্ট্রসংঘ ও ওআইসিতে নালিশ করতে হবে; সীমান্তে প্রতিটি হত্যার পরিপ্রেক্ষিতে আন্তর্জাতিক আদালতে মামলা দায়ের করতে হবে; বিএসএফের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে হবে; সীমান্ত হত্যা বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত ভারতের সঙ্গে আদানিসহ সব ট্রানজিট ও বন্দর সুবিধা স্থগিত রাখতে হবে।
{{/usCountry}}এই আবহে ইনকিলাব মঞ্চের এই 'বিপ্লবীর' দাবি, ভারতীয় হাইকমিশনারকে তলব করে আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদ জানাতে হবে সরকারকে; ভারতকে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার হুমকি হিসেবে চিহ্নিত করে রাষ্ট্রসংঘ ও ওআইসিতে নালিশ করতে হবে; সীমান্তে প্রতিটি হত্যার পরিপ্রেক্ষিতে আন্তর্জাতিক আদালতে মামলা দায়ের করতে হবে; বিএসএফের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে হবে; সীমান্ত হত্যা বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত ভারতের সঙ্গে আদানিসহ সব ট্রানজিট ও বন্দর সুবিধা স্থগিত রাখতে হবে।
{{/usCountry}}