আগামী ১২ থেকে ১৩ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে আয়োজিত হতে চলেছে ব্রিকস সম্মেলন। সেই সম্মেলনের সমারোহে বাংলাদেশের নব নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আমন্ত্রণ করেছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বিমসটেকের বর্তমান চেয়ারম্যান। তিনিই এই আমন্ত্রণ পাঠান তারেককে। তবে এদিন বাংলাদেশের তাবড় সংবাদপত্র ‘প্রথম আলো’দাবি করেছে, সম্ভবত, ভারতের সেই আমন্ত্রণে সাড়া দিয়ে ব্রিকস সম্মোলনে যোগ দিতে ভারতে আসছেন না বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
সদ্য গত, ৫ আগস্ট, ২০২৬ সালে দিল্লিতে বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে এক ইভেন্টে বক্তব্য রাখতে শোনা যায়। সাউথ এশিয়ান ফরেন করসপন্ডেন্ট-র ওই সভায় হাসিনা বক্তব্য রাখবেন জানতে পেরেই তার বিরোধিতা করে ঢাকা। ভার্চুয়ালি এই সভায় শেখ হাসিনার কণ্ঠস্বর শোনা গিয়েছিল সেদিন। তারপরই ক্ষোভ উগরে দেয় ঢাকা। এদিকে, জানা যাচ্ছে, এরপরই তারেক রহমান সম্ভবত ভারতের আমন্ত্রণে এদেশে ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে আসছেন না। এমনই দাবি বাংলাদেশি ওই সংবাদমাধ্যমের।
প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট বাংলাদেশে জন অভ্যুত্থানের হাত ধরে পতন হয় শেখ মুজিবর রহমানের কন্যা শেখ হাসিনার শাসনকালের। সেই দিনই তিনি ভারতে আশ্রয় নেন। এরপর থেকে হাসিনাকে ফেরত চেয়ে বহুবার দিল্লির কাছে চিঠি পাঠিয়েছে বলে দাবি করেছে ঢাকা। এদিকে, বাংলাদেশে একাধিক মামলা রয়েছে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে। তাঁর বিরুদ্ধে রয়েছে ফাঁসির সাজাও। এই অবস্থায় ডিসেম্বর মাসে শেখ হাসিনা বাংলাদেশে ফিরবেন বলে জানিয়েছেন। প্রসঙ্গত, একটা সময় যখন বাংলাদেশে দোষী সাব্যস্ত হয়ে সাজার মেয়াদে ছিলেন বিএনপির তারেক রহমানের মা খালেদা জিয়া, তখন তাঁর রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ শেখ হাসিনা ছিলেন বাংলাদেশের মসনদে। এবার, সেই বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর কুর্সিতে রয়েছেন তারেক রহমান।
এদিকে, প্রথম আলো-র রিপোর্টে সূত্র উল্লেখ করে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পরিস্থিতির পর ব্রিকস আউটরিচে প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণের সম্ভাবনা কার্যত শেষ। এক্ষেত্রে দিল্লিতে শেখ হাসিনাকে ঘিরে ইভেন্ট-র ইঙ্গিতই করা হচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে। উল্লেখ্য, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী পদে বসার পর তারেক রহমান তাঁর প্রথম বিদেশ সফর হিসাবে চিনকে বেছে নেন। সেক্ষেত্রে তাঁর দ্বিতীয় বিদেশ সফর কোথায় হবে, সেদিকে তাকিয়ে দক্ষিণ এশিয়ার কূটনৈতিক মহল।
{{/usCountry}}এদিকে, প্রথম আলো-র রিপোর্টে সূত্র উল্লেখ করে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পরিস্থিতির পর ব্রিকস আউটরিচে প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণের সম্ভাবনা কার্যত শেষ। এক্ষেত্রে দিল্লিতে শেখ হাসিনাকে ঘিরে ইভেন্ট-র ইঙ্গিতই করা হচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে। উল্লেখ্য, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী পদে বসার পর তারেক রহমান তাঁর প্রথম বিদেশ সফর হিসাবে চিনকে বেছে নেন। সেক্ষেত্রে তাঁর দ্বিতীয় বিদেশ সফর কোথায় হবে, সেদিকে তাকিয়ে দক্ষিণ এশিয়ার কূটনৈতিক মহল।
{{/usCountry}}অর্থনৈতিক দিক দিয়ে উদীয়মান ১১টি দেশের জোট ব্রিকস। ব্রিকসের আউটরিচ পর্বে সাধারণত সদস্য নয়,এমন নির্বাচিত দেশ ও আঞ্চলিক সংস্থার নেতাদের অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া হয়। এই পরিস্থিতিতে দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক কোনদিকে যায়, সেদিকে তাকিয়ে সব মহল। এই প্রেক্ষাপটে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ঢাকায় ভারতের নবনিযুক্ত হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর প্রথম সৌজন্য সাক্ষাৎকে তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। যে সাক্ষাৎ রয়েছে আগামিকাল সোমবার।