বাংলাদেশি ছাত্রনেতা মেহেদি হাসান ভারতে এসেছিল ৪০ লাখ টাকার ক্রিপ্টোকারেন্সি নিয়ে। এমনই দাবি করা হয়েছে বিভিন্ন রিপোর্টে। এই আবহে প্রশ্ন উঠছে, একজন জেলাস্তরের ছত্রনেতার কাছে এক টাকার ক্রিপ্টোকারেন্সি কোথা থেকে এল। অবশ্য এই দাবি অস্বীকার করেছে মেহেদি নিজে। যদিও বিসিবি বাংলা দু'জন সূত্রকে উদ্ধৃত করে তাদের রিপোর্টে নিশ্চিত করেছে যে ক্রিপ্টো নিয়ে ভারতে এসেছিল মেহেদি। এদিকে ভারত সফর বা ইউরোপীয় দেশের ভিসার আবেদনের অর্থ তিনি কোথা থেকে পেয়েছেন, এই সংক্রান্ত প্রশ্ন করা হলে বাংলাদেশি সংবাদমাধ্যমকেও কোনও সদুত্তর দিতে পারেনি মেহেদি।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশের বিপ্লবী ছাত্রনেতা হয়ে ওঠা মেহেদি হাসানকে ভারতের বিমানবন্দরে আটক করা হয় গত ১৮ ফেব্রুয়ারি। দিল্লি পুলিশ এই বাংলাদেশি ছাত্রনেতাকে আটক করে বাংলাদেশে ফেরত পাঠায়। এরই মাঝে ভাইরাল হয় একটি ভিডিয়ো। তাতে দাবি করা হয়, মেহেদির স্ত্রীও দিল্লিতে এসেছিলেন। সেই তরুণীর নাম তুহিন আক্তার। এই তুহিন নাকি মেহেদির চুক্তিভিত্তিক বউ। রিপোর্টে দাবি করা হয়, বয়সে তিনি মেহেদির থেকে ৮ বছর বড়। প্রায় ৬ মাস আগে মেহেদির সঙ্গে চুক্তির ভিত্তিতে বিয়ে হয়েছিল বলে ক্যামেরায় স্বীকার করেন তুহিন।
এর আগে থানায় বসে ক্যামেরার সামনে হিন্দু পুলিশ অফিসারকে খুনের কথা স্বীকার করেছিল ছাত্রনেতা মেহদি হাসান। পরে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। আবার গ্রেফতারির একদিন পরই জামিনও পেয়ে যায় সে। এই মেহদির বিরুদ্ধে পুলিশের কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে মামলা রুজু হয়েছিল। এহেন মেহেদি এসেছে ভারতে। ১৭ ফেব্রুয়ারি এই মেহেদিকে দেখা গিয়েছিল দিল্লির ভিএফএস সেন্টারে। সেখানেই তার ভিডিয়ো রেকর্ড করা হয়। এরপরই নাকি তাকে ফোন করে অনেকে হুমকি দিয়েছে। এদিকে মেহেদি জানায়, ফিনল্যান্ডে যাওয়ার ভিসা পেতে দিল্লিতে গিয়েছিল সে।
উল্লেখ্য, হাসিনা বিরোধী বিক্ষোভের সময় হিন্দু পুলিশ অফিসারকে জ্বালিয়ে দেওয়ার দাবি করেছিল বাংলাদেশি ছাত্রনেতা মেহদি হাসান। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের হবিগঞ্জ জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক এই মেহদি। কয়েকদিন আগে থানায় বসেই পুলিশ আধিকারিককে হুমকি দেয় এই বিপ্লবী নেতা। সেই সময়ই ২০২৪ সালের অগস্টের ঘটনার 'দায় স্বীকার' করে সে। পরে পুলিশ গ্রেফতার করে সেই ছাত্রেতাকে। জানা যায়, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের এক সদস্যকে পুলিশের হাত থেকে ছাড়াতে শায়েস্তাগঞ্জ থানায় গিয়েছিল মেহেদি। সেখানে সে কর্তব্যরত পুলিশ অফিসারকে আঙুল উঁচিয়ে শাসায়। বলে, 'বানিয়াচং থানা কিন্তু আমরা পুড়িয়ে দিয়েছিলাম, এসআই সন্তোষকে (সন্তোষ চৌধুরী) কিন্তু জ্বালাই দিয়েছিলাম'। এই ভিডিয়ো সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়তেই শুরু হয় বিতর্ক। সেই বিপ্লবী ছাত্রনেতাই দিব্যি ভারতে এসেছিল।
{{/usCountry}}উল্লেখ্য, হাসিনা বিরোধী বিক্ষোভের সময় হিন্দু পুলিশ অফিসারকে জ্বালিয়ে দেওয়ার দাবি করেছিল বাংলাদেশি ছাত্রনেতা মেহদি হাসান। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের হবিগঞ্জ জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক এই মেহদি। কয়েকদিন আগে থানায় বসেই পুলিশ আধিকারিককে হুমকি দেয় এই বিপ্লবী নেতা। সেই সময়ই ২০২৪ সালের অগস্টের ঘটনার 'দায় স্বীকার' করে সে। পরে পুলিশ গ্রেফতার করে সেই ছাত্রেতাকে। জানা যায়, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের এক সদস্যকে পুলিশের হাত থেকে ছাড়াতে শায়েস্তাগঞ্জ থানায় গিয়েছিল মেহেদি। সেখানে সে কর্তব্যরত পুলিশ অফিসারকে আঙুল উঁচিয়ে শাসায়। বলে, 'বানিয়াচং থানা কিন্তু আমরা পুড়িয়ে দিয়েছিলাম, এসআই সন্তোষকে (সন্তোষ চৌধুরী) কিন্তু জ্বালাই দিয়েছিলাম'। এই ভিডিয়ো সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়তেই শুরু হয় বিতর্ক। সেই বিপ্লবী ছাত্রনেতাই দিব্যি ভারতে এসেছিল।
{{/usCountry}}