Banks to remain open on Sunday: রবিবার ব্যাঙ্ক খোলা! কর্মীরা টানা ৩ দিন ধর্মঘটের ডাক দিতে কড়া পথে হাঁটল কেন্দ্র
Banks to remain open on Sunday: রবিবার ব্যাঙ্ক খোলা থাকবে। ব্যাঙ্কের কর্মচারী সংগঠনের তরফে টানা তিনদিন ধর্মঘটের ডাক দেওয়া হতেই কড়া পথে হাঁটল কেন্দ্রীয় সরকার। মূলত পাঁচদিনের ব্যাঙ্কিংয়ের দাবিতে ধর্মঘটের ডাক দেওয়া হয়।
Banks to remain open on Sunday: মাসের শেষে টানা তিনদিন ব্যাঙ্ক ধর্মঘটের ডাক দেওয়া হয়েছে। আর শনিবার এবং রবিবার জুড়লে টানা পাঁচদিন ব্যাঙ্ক বন্ধ থাকত। কারণ ২৬ সেপ্টেম্বর হচ্ছে মাসের চতুর্থ শনিবার। যেদিন ব্যাঙ্ক বন্ধ থাকে। আর রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) তো এমনিতেই ব্যাঙ্ক বন্ধ থাকবে। ফলে উৎসবের মরশুমের ঠিক আগে টানা পাঁচদিন ব্যাঙ্কিং পরিষেবা লাটে ওঠার আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল। সেই পরিস্থিতিতে একেবারে কড়া পথে হাঁটল কেন্দ্রীয় সরকার। আগামী রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সমস্ত ব্যাঙ্ক খোলা থাকবে বলে কেন্দ্রীয় অর্থ মন্ত্রকের তরফে জানানো হল।

RBI-র অনুমোদন, রবিবার সব ব্যাঙ্ক খোলা রাখতে হবে
বুধবার কেন্দ্রীয় অর্থ মন্ত্রকের তরফে একটি বিবৃতিতে বলা হয়েছে, 'জনসাধারণের ব্যাঙ্কিং সংক্রান্ত জরুরি কাজকর্ম যাতে দীর্ঘ সময় ধরে ব্যাহত না হয়, তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ২৭ সেপ্টেম্বর (রবিবার) সমস্ত রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ক এবং আঞ্চলিক গ্রামীণ ব্যাঙ্ক স্বাভাবিকভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করবে। ২০২৬ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর পুরোপুরি পরিষেবা সচল রাখতে সব ব্যাঙ্কের শাখা, কার্যালয়, এটিএম-সংযুক্ত শাখা এবং কারেন্সি চেস্টকে অনুমোদন দিয়েছে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া (আরবিআই)।'
৯০ শতাংশ কর্মীই UFBU-র ছাতায় তলায়, দাবি সংগঠনের
আর কেন্দ্রের সেই নির্দেশিকার পরে আপাতত ব্যাঙ্কের কর্মচারী সংগঠন ইউনাইটেড ফোরাম অফ ব্যাঙ্ক ইউনিয়নসের (UFBU) তরফে কোনও মন্তব্য করা হয়নি। যে সংগঠনের তরফে দাবি করা হয়েছে যে দেশের ব্যাঙ্কিং সেক্টরের ৯০ শতাংশ কর্মীই তাদের ছাতায় তলায় আছে। গত ১১ সেপ্টেম্বরও ওই সংগঠনের তরফে ব্যাঙ্ক ধর্মঘটের ডাক দেওয়া হয়েছিল।
কী কী দাবিতে ধর্মঘটের ডাক দেওয়া হয়েছে?
মূলত প্রতি সপ্তাহে পাঁচদিন ব্যাঙ্ক খোলার দাবি জানিয়ে ধর্মঘটের ডাক দেওয়া হয়েছে UFBU-র তরফে। বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী, প্রতি মাসের প্রথম এবং তৃতীয় শনিবার ব্যাঙ্ক খোলা থাকে। আর দ্বিতীয় এবং চতুর্থ শনিবার ছুটি থাকে ব্যাঙ্কে। ওই সংগঠনের তরফে দাবি করা হয়েছে, ওরকম কোনও শর্ত রাখা হবে। প্রতি সপ্তাহেই শনিবার এবং রবিবার ব্যাঙ্কে ছুটি রাখতে হবে। সোমবার থেকে শুক্রবার পর্যন্ত ব্যাঙ্ক চালু রাখার দাবি তোলা হয়েছে ওই সংগঠনের তরফে।
পাশাপাশি ওই সংগঠনের তরফে দাবি করা হয়েছে যে পেনশন ব্যবস্থায় উন্নতি করতে হবে, সমস্ত পেনশনভোগীদের জন্য একটি অভিন্ন মহার্ঘ ভাতা (ডিয়ারনেস অ্যালোওয়েন্স) ফর্মুলা কার্যকর করতে হবে এবং ন্যাশনাল পেনশন সিস্টেমের (এনপিএস) আওতায় থাকা কর্মচারীদের পুরনো পেনশন স্কিমে ফিরে যাওয়ার সুযোগ দিতে হবে।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


