Trump on India-Middle East-Europe Corridor: পাক-চিনকে এড়িয়ে সোজা ভারত থেকে ইউরোপ! নয়া করিডরে সমর্থন ট্রাম্পের
Trump on India-Middle East-Europe Corridor: পাকিস্তান এবং চিনকে এড়িয়ে সোজা ভারত থেকে ইউরোপ! নয়া বাণিজ্যিক করিডরের প্রতি সমর্থন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের। আর সেই পরিস্থিতিতে কি এশিয়ায় ‘খেলা’ ঘুরল?
Trump on India-Middle East-Europe Corridor: ভারত-মধ্যপ্রাচ্য-ইউরোপ অর্থনৈতিক করিডরের প্রতি সমর্থন জানালেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। পাকিস্তানের রুট এবং চিনের প্রভাব এড়িয়ে যে মেগা অর্থনৈতিক করিডর গড়ে তোলার স্বপ্ন দেখা হচ্ছে, সেটা বাস্তবায়িত হলে ভারত-সহ মধ্যপ্রাচ্যের ছবিটাই পালটে যাবে। একদিকে যেমন বৃদ্ধি পাবে বাণিজ্য, তেমনই কমবে খরচ। আর সেই রেশ ধরেই ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরানের থেকে জ্বালানি তেলের পরিকাঠামো সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য ভারত-মধ্যপ্রাচ্য-ইউরোপ অর্থনৈতিক করিডর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হবে।

মধ্যপ্রাচ্যের ‘খেলা’ ঘোরাতে চাইছেন ট্রাম্প
বুধবার (ভারতীয় সময় অনুযায়ী) নিউ ইয়র্কে রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ভাষণের পরে মধ্যপ্রাচ্য এবং আরব নেতাদের সঙ্গে বৈঠকের সময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেছেন, ‘প্রতিবেশী দেশে বাণিজ্যিক জাহাজের উপরে ইরান যে জঙ্গি হামলা চালিয়েছে, তা দেখিয়ে দিয়েছে যে ইরানিয়ান চেকপয়েন্ট (ইরানের নিয়ন্ত্রণাধীন এলাকা) থেকে মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানি পরিকাঠামোকে দূরে সরিয়ে নেওয়ার প্রয়োজনীয়তা আছে। তাই আমার প্রশাসন জোরালোভাবে ভারত-মধ্যপ্রাচ্য-ইউরোপ অর্থনৈতিক করিডরকে সমর্থন করে, যাতে তেল বের করে আনা যায়। সেটা পাইপলাইনের মাধ্যমে হোক বা অন্য কোনও উপায়ে হোক।’
কোন কোন দেশ ইতিমধ্যে যুক্ত আছে ওই প্রকল্পে?
আর সেই ভারত-মধ্যপ্রাচ্য-ইউরোপ অর্থনৈতিক করিডরের ভিত তৈরি হয়েছিল ২০২৩ সালে নয়াদিল্লিতে হওয়া জি-২০ সম্মেলনে। সেইসময় যৌথভাবে ওই প্রকল্পের ঘোষণা করেছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। তাছাড়াও সেই সমঝোতাপত্রে স্বাক্ষর করেছিল সংযুক্ত আরব আমিরশাহি, সৌদি আরব, ফ্রান্স, ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন, ইতালি এবং জার্মানি।
প্রস্তাবিত রুট কোন পথে এগিয়ে যাবে?
প্রস্তাবিত রুট অনুযায়ী, ভারত-মধ্যপ্রাচ্য-ইউরোপ অর্থনৈতিক করিডরের মধ্যে দুটি করিডর। ইস্টার্ন করিডর যুক্ত করবে ভারত এবং মধ্যপ্রাচ্যকে। আর মধ্যপ্রাচ্যের সঙ্গে ইউরোপকে যুক্ত করবে নর্দান করিডর। তার ফলে ভারত থেকে সংযুক্ত আরব আমিরশাহি, সৌদি আরব, জর্ডন. ইজরায়েল, গ্রিস, ইতালি, ফ্রান্স হয়ে সুদূর জার্মানি পর্যন্ত বাণিজ্যের রাস্তা তৈরি হয়ে যাবে। জলপথ, রেলপথ এবং সড়কপথ মিলিয়ে সেই করিডর তৈরি করা হবে।
চিন ও পাকিস্তানের কপাল পুড়বে
সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, ওই করিডর তৈরি হয়ে গেলে পাকিস্তানকে এড়িয়েই মধ্যপ্রাচ্য এবং ইউরোপের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ তৈরি করে ফেলতে পারবে ভারত। পাকিস্তান কখনওই সেটা করতে দিতে চায়নি। আর তাতে মদত জুগিয়েছে চিনও। পরিবর্তে চিন নিজেদের ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ’ বা ‘ওয়ান বেল্ট ওয়ান রোড’-র সঙ্গে যুক্ত করেছে ইসলামাবাদকে। যে প্রকল্পের তীব্র বিরোধিতা করে এসেছে ভারত। কারণ ওই প্রকল্প যে জায়গার মধ্যে দিয়ে গিয়েছে, তা জোর করে দখল করে রেখেছে পাকিস্তান।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


