শুরু হয়ে গিয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ত্রিদেশীয় সফর। ইতিমধ্যেই তিনি পা রেখেছেন ইন্দোনেশিয়ায়। এরপর তাঁর গন্তব্য দক্ষিণ গোলার্ধের অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড। এদিকে, অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের বিভিন্ন শহরে বিগত কিছু সময়ে খলিস্তান রেফারেন্ডামের মতো বিষয় উঠে এসেছে চর্চায়। বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠী 'শিখস ফর জাস্টিস' এই দেশগুলিতে বেশ কিছুটা সক্রিয় বলে সদ্য দাবি করেছে, ‘দ্য প্রিন্ট’র এক রিপোর্ট। এই 'শিখস ফর জাস্টিস' ২০১৯ সাল থেকে ভারতে নিষেদ্ধাধাজ্ঞার আওতায়। এদিকে, এই পরিস্থিতিতে নিউজিল্যান্ড সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তার আগে, নিউজিল্যান্ড জানিয়ে দিল খলিস্তান ইস্যুতে তাদের অবস্থান।
আগামী ১০ জুলাই থেকে নিউজিল্যান্ড সফর শুরু হচ্ছে নরেন্দ্র মোদীর। ১০ জুলাই তিনি যাবেন অকল্যান্ড। সেখানে একাধিক কর্মসূচি রয়েছে তাঁর। এর আগে, নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী ক্রিস্টোফর লাক্সান খলিস্তান ইস্যুতে তাঁর দেশের অবস্থান স্পষ্ট করে দেন। এক টিভি চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে লাক্সান বলেন, তিনি মনে করেন না যে দুই দেশের সম্পর্কে এই ইস্যুটি প্রভাব ফেলবে। এরই সঙ্গে তিনি স্পষ্ট বলেন,' প্রথমত, আমি স্বীকার করছি যে খালিস্তান ইস্যুটি ভারতের অভ্যন্তরে ব্যাপক যন্ত্রণা ও দুর্ভোগ এবং অসংখ্য মানুষের প্রাণহানি ও জীবিকা হারানোর কারণ হয়ে দাঁড়ায়,এবং এ বিষয়ে আমরা পুরোপুরি অবগত। পাশাপাশি, আমাদের দেশেও এ বিষয়ে অত্যন্ত স্পষ্ট নিয়মকানুন রয়েছে, আমরা একটি উদার গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে যেমন বাক-স্বাধীনতা ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতাকে গুরুত্ব দিই, তেমনি আমরা এটাও প্রত্যাশা করি যে মানুষ আমাদের নিয়মকানুন মেনে চলবে।' তিনি একইসঙ্গে বলেন, ‘ভীতি প্রদর্শন বা সহিংসতার যেকোনো হুমকিই সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য, আমাদের পুলিশ এ বিষয়ে সতর্ক রয়েছে এবং পরিস্থিতি ভালোভাবে সামাল দিচ্ছে।’
নিউজিল্যান্ডে খলিস্তান রেফারেন্ডাম (গণভোট) ইস্যু নিয়েও মুখ খোলেন লাক্সান। খলিস্তান বিষয়ক রেফারেন্ডামের (গণভোটের) অনুমতি নিউজিল্যান্ড দেবে কি না, এমন এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী লাক্সন বলেন, যে, বিষয়টি ‘কাল্পনিক’ এবং এ বিষয়ে যেকোনও সিদ্ধান্ত সম্ভাব্য ঝুঁকি নিয়ে পুলিশের মূল্যায়নের ওপর নির্ভর করবে।
{{/usCountry}}নিউজিল্যান্ডে খলিস্তান রেফারেন্ডাম (গণভোট) ইস্যু নিয়েও মুখ খোলেন লাক্সান। খলিস্তান বিষয়ক রেফারেন্ডামের (গণভোটের) অনুমতি নিউজিল্যান্ড দেবে কি না, এমন এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী লাক্সন বলেন, যে, বিষয়টি ‘কাল্পনিক’ এবং এ বিষয়ে যেকোনও সিদ্ধান্ত সম্ভাব্য ঝুঁকি নিয়ে পুলিশের মূল্যায়নের ওপর নির্ভর করবে।
{{/usCountry}}