ভারতে সদ্য সফরে আসেন বেলজিয়ামের প্রধানমন্ত্রী বার্ট ডে ওয়েভার। এক বাণিজ্যিক প্রতিনিধি সহ তাবড় টিম সঙ্গে নিয়ে ভারত সফরে আসেন তিনি। বেলজিয়াম থেকে আসার সময় সেদেশের বিখ্যাত চকোলেটের তৈরি ইন্ডিয়াগেট-র এক রেপ্লিকা চকোলেট ভারতকে উপহার দেওয়ার জন্য নিয়ে আসছিলেন বার্ট ডে ওয়েভার। তবে বেলজিয়াম থেকে ভারতে আসার মাঝে সফরের মধ্যেই সেই চকোলোটের রেপ্লিকা গলে যায়। সেকথা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সামনেই অকপটে স্বীকার করে নেন বার্ট ডে ওয়েভার। তবে উপহার তিনি দিয়েছেন! আর সেই উপহারটি নিয়েই এক যৌথ প্রেস ব্রিফিং-এ মুখ খোলেন বার্ট ডে ওয়েভার।

বেলজিয়ামের প্রধানমন্ত্রী রবার্ট ডি ওয়েভার বলেন, সেরা বেলজিয়ান চকোলেট দিয়ে তৈরি ইন্ডিয়া গেট-র রেপ্লিকা তৈরি করে, তা ভারতের প্রধানমন্ত্রীর হাতে উপহার হিসাবে তুলে দেবেন বলে আনছিলেন। তিনি মজার ছলে বলেন, তবে ইন্ডিয়া গেট যেমন শতাব্দী ধরে পোক্তভাবে দাঁড়িয়ে আছে, ‘এই ইন্ডিয়াগেটের বেলজিয়ান চকোলেট সংস্করণটি কিন্তু সেভাবে নিজেকে ধরে রাখতে পারেনি! বেলজিয়ামের প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি প্রধানমন্ত্রী মোদীকে বেলজিয়ান চকোলেট দিয়ে তৈরি ইন্ডিয়া গেটের একটি ভাস্কর্য উপহার দেওয়ার পরিকল্পনা করেছিলাম। কিন্তু ভারতে নিয়ে আসার পথে চকোলেটটি নষ্ট হয়ে যায়। আমাদের কাছে আরেকটি (ব্যাকআপ) রয়েছে এবং সেটি আমি প্রধানমন্ত্রী মোদীর কাছে পৌঁছে দেব।’ এই হালকা মেজাজের আবহেই মশকরার রেশ ধরে রেখে বেলজিয়ামের প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'চকোলেট হল কূটনীতির জন্য সেরা, তবে কূটনৈতিক সফরের জন্য সেরা নয়।' বেলজিয়ান প্রধানমন্ত্রীর এই অকপট বক্তব্য শুনে নিজের হাসি চেপে রাখতে পারেননি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।
এদিকে, তাঁর সফরে ভারতে এক অনুষ্ঠানে বেলজিয়ান প্রধানমন্ত্রী বলেন,বাণিজ্য ও শিল্পক্ষেত্রে নির্ভরশীলতার ঝুঁকি নিয়ে ইউরোপ এক ‘কঠোর বাস্তবতার’ সম্মুখীন হয়েছে। এই ঝুঁকির বিষয়ে গেই ইউরোপীয় দেশগুলোকে এ বিষয়ে সতর্ক করেছিল, কিন্তু সেই সতর্কবার্তা উপেক্ষা করা হয়েছিল, বলে দাবি করেন ওয়েভার। তিনি সিআইআই-র ওই অনুষ্ঠানে বলেন, ‘আমরা সেই একই ক্ষমতাধর গোষ্ঠীগুলোর সম্মুখীন, যারা একটি নির্দিষ্ট দিকে এগোচ্ছে—এমন একটি দিক যা হয়তো আমরা পছন্দ করি না এবং আমরাও কারো দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হতে চাই না। আমরা চাই না যে আমাদের নির্ভরশীলতাকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হোক।’ একইসঙ্গে তিনি বলেন, 'আপনারা এই ইতিহাসের সাক্ষী। আপনাদের প্রধানমন্ত্রী অনেক আগেই ইউরোপকে এ বিষয়ে সতর্ক করেছিলেন, কিন্তু তাঁকে উপেক্ষা করা হয়েছিল। তাঁর কথা শোনা হয়নি। আমরা এখন শুনছি।'
{{/usCountry}}এদিকে, তাঁর সফরে ভারতে এক অনুষ্ঠানে বেলজিয়ান প্রধানমন্ত্রী বলেন,বাণিজ্য ও শিল্পক্ষেত্রে নির্ভরশীলতার ঝুঁকি নিয়ে ইউরোপ এক ‘কঠোর বাস্তবতার’ সম্মুখীন হয়েছে। এই ঝুঁকির বিষয়ে গেই ইউরোপীয় দেশগুলোকে এ বিষয়ে সতর্ক করেছিল, কিন্তু সেই সতর্কবার্তা উপেক্ষা করা হয়েছিল, বলে দাবি করেন ওয়েভার। তিনি সিআইআই-র ওই অনুষ্ঠানে বলেন, ‘আমরা সেই একই ক্ষমতাধর গোষ্ঠীগুলোর সম্মুখীন, যারা একটি নির্দিষ্ট দিকে এগোচ্ছে—এমন একটি দিক যা হয়তো আমরা পছন্দ করি না এবং আমরাও কারো দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হতে চাই না। আমরা চাই না যে আমাদের নির্ভরশীলতাকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হোক।’ একইসঙ্গে তিনি বলেন, 'আপনারা এই ইতিহাসের সাক্ষী। আপনাদের প্রধানমন্ত্রী অনেক আগেই ইউরোপকে এ বিষয়ে সতর্ক করেছিলেন, কিন্তু তাঁকে উপেক্ষা করা হয়েছিল। তাঁর কথা শোনা হয়নি। আমরা এখন শুনছি।'
{{/usCountry}}