Bengal Road Projects Latest Update: বাংলার ৬ রাস্তার জন্য প্রায় ১,০৫০ কোটি টাকা দিল কেন্দ্র! ভোল পালটাবে ১৯৪ কিমির
Bengal Road Projects Latest Update: পশ্চিমবঙ্গের ছ'টি রাস্তার জন্য প্রায় ১,০৫০ কোটি টাকা দিল কেন্দ্রীয় সরকার। ভোল পালটে যাবে ১৯৪ কিলোমিটারের মতো রাস্তা। সেই বিষয়টি নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে কী বলা হল?
Bengal Road Projects Latest Update: পশ্চিমবঙ্গের ছ'টি সড়ক প্রকল্পের জন্য প্রায় ১,০৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ করল কেন্দ্রীয় সরকার। সেন্ট্রাল রোড ইনফ্রাস্ট্রাকচার ফান্ডের আওতায় ১৯৪.১ কিলোমিটার রাস্তার জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে মোট ১,০৪২.৬২ কোটি টাকা। কেন্দ্রীয় সড়ক মন্ত্রক সূত্রের খবর, ওই প্রকল্পের আওতায় রাস্তা চওড়া করা হবে। বাড়ানো হবে রাস্তার মান। তবে সেই তালিকায় কোন কোন রাস্তা আছে, সে বিষয়ে আপাতত কিছু জানানো হয়নি।

৬ প্রকল্পের হাত ধরে একগুচ্ছ সুবিধা হবে বাংলার
কেন্দ্রীয় সড়ক মন্ত্রী নীতীন গডকড়ি শুধু বলেছেন, ‘এই প্রকল্পগুলির হাত ধরে সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি ঘটবে। যাতায়াতের সময় কমবে, নিরাপত্তা বৃদ্ধি পাবে এবং বাজার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রের সঙ্গে যোগাযোগের সুযোগ সুদৃঢ় করবে। পাশাপাশি, এগুলো আঞ্চলিক বাণিজ্য ও স্থানীয় অর্থনীতিকে চাঙ্গা করবে, লাস্ট-মাইল বা প্রান্তিক পর্যায়ের যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন হবে এবং রাজ্যজুড়ে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড, পর্যটন ও সামগ্রিক উন্নয়নের জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরি হবে।’
গডকড়িকে ধন্যবাদ জানালেন পশ্চিমবঙ্গের পরিবহণ মন্ত্রী
আর সেই বরাদ্দের জন্য কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের পরিবহণ মন্ত্রী অর্জুন সিং। তিনি বলেছেন, ‘মাননীয় কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহণ মন্ত্রী নীতীন গডকড়ি জি, পশ্চিমবঙ্গের সড়ক পরিকাঠামো উন্নয়নে আপনার এই গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা এবং ধারাবাহিক সহযোগিতার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ। CRIF প্রকল্পের আওতায় ছ'টি সড়ক প্রকল্পের জন্য ১,০৪২.৬২ কোটি টাকা অনুমোদন এবং ১৯৪.১ কিলোমিটার রাস্তা প্রশস্ত করার উদ্যোগ পশ্চিমবঙ্গের যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।’
গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বঙ্গের পরিবহণ মন্ত্রীর
ওই প্রকল্পগুলির গুরুত্ব ব্যাখ্যা করে পশ্চিমবঙ্গের পরিবহণ মন্ত্রী বলেছেন, ‘এই প্রকল্পগুলির ফলে মানুষের যাতায়াত আরও সহজ হবে, সময় কমবে এবং সড়ক নিরাপত্তা বাড়বে। পাশাপাশি বাজার, স্কুল-কলেজ ও হাসপাতালের সঙ্গে যোগাযোগ আরও ভালো হবে। আঞ্চলিক ব্যবসা-বাণিজ্য, স্থানীয় অর্থনীতি, পর্যটন এবং শেষ প্রান্তের মানুষের যোগাযোগ ব্যবস্থাও আরও শক্তিশালী হবে।’
সেইসঙ্গে তিনি বলেছেন, ‘পশ্চিমবঙ্গের মানুষের পক্ষ থেকে এই গুরুত্বপূর্ণ সহযোগিতার জন্য আপনাকে আবারও আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই। রাজ্যের পরিবহণ ও সড়ক পরিকাঠামোর উন্নয়নে কেন্দ্র ও রাজ্যের এই সহযোগিতা আগামিদিনে আরও শক্তিশালী হবে - এই আশা রাখি।’
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


