SC on Mother-Son Property Case: 'মায়ের পায়ে হাত দিয়ে পাপের জন্য ক্ষমা চান', সম্পত্তি বিবাদ নিয়ে ছেলেকে বলল সুপ্রিম কোর্ট
SC on Mother-Son Property Case: 'মায়ের পায়ে হাত দিয়ে পাপের জন্য ক্ষমা চান', সম্পত্তি বিবাদ মামলায় ছেলেকে বলল সুপ্রিম কোর্ট। সম্পত্তি বিবাদের মামলায় মৌখিকভাবে সেই পর্যবেক্ষণ করেছেন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি সতীশচন্দ্র শর্মা।
SC on Mother-Son Property Case: সম্পত্তি বিবাদের মামলায় মায়ের পায়ে হাত দিয়ে নিজের পাপের জন্য ছেলেকে ক্ষমা চাওয়ার পরামর্শ দিল সুপ্রিম কোর্ট। সংবাদমাধ্যম লাইভ ল'র প্রতিবেদন অনুযায়ী, সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি সতীশচন্দ্র শর্মা মৌখিকভাবে ছেলেকে মায়ের কাছে ক্ষমা চাইতে বলেছেন। হিন্দুধর্মে মায়ের গুরুত্বও স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন ছেলেকে। সেইসঙ্গে সম্পত্তি বিবাদের মামলায় দিল্লি হাইকোর্ট যে রায় দিয়েছিল, তাকে চ্যালেঞ্জ করে ছেলে যে স্পেশাল লিভ পিটিশন দাখিল করেছিলেন, তা খারিজ করে দিয়েছে শীর্ষ আদালতের বিচারপতি শর্মা এবং বিচারপতি এনকে সিংয়ের ডিভিশন বেঞ্চ।

মা ও বাবার নামেই ছিল সম্পত্তি
ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী, যে সম্পত্তি নিয়ে বিবাদ, তার মালিকানা ছিল মা এবং তাঁর স্বামীর। ভালোবাসা এবং স্নেহের কারণে ছেলে এবং তাঁর স্ত্রী'কে (বউমা) বাড়ির একটি তলায় থাকার অনুমোদন দিয়েছিলেন। নেননি কোনও ভাড়া। কিন্তু অভিযোগ ওঠে যে ওই সম্পত্তি তাঁদের নামে করে দেওয়ার জন্য বাবা এবং মা'কে হেনস্থা করছিলেন ছেলে এবং বউমা। জাল নথির মাধ্যমে ছেলে ও বউমা ওই সম্পত্তির মালিকানা হাতিয়ে নিতে চাইছিলেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
নিম্ন আদালতের পরে দিল্লি হাইকোর্টেও হার ছেলের
পরবর্তীতে সেই বিষয়টি গড়ায় আদালত। নিম্ন আদালত নির্দেশ দেয় যে বাবা এবং মা'ই ওই সম্পত্তির মালিক। ছেলে এবং বউমাকে নেহাতই থাকার লাইসেন্স দেওয়া হয়েছিল। যা বৈধভাবেই বাতিল করা হয়েছে। তাই ছেলে এবং বউমা যে তলায় থাকতেন, তা ফাঁকা করে দিতে হবে। যে রায় গত ১৭ এপ্রিল বহাল রাখে দিল্লি হাইকোর্ট।
ছেলেকে পরামর্শ সুপ্রিম কোর্টের
তার বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন ছেলে। ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিচারপতি শর্মা এবং বিচারপতি সিংয়ের ডিভিশন বেঞ্চে সেই মামলার শুনানি হয়। মামলা খারিজ করে দেওয়ার সময় মৌখিক পর্যবেক্ষণে বিচারপতি শর্মা বলেন, 'আপনি গিয়ে মায়ের পা ছুঁয়ে ক্ষমা চাওয়া উচিত। আপনি যা পাপ করেছেন, তার জন্য ক্ষমা চাওয়া উচিত।'
সেইসঙ্গে আদালতে হাজির থাকা তাঁর আইনজীবীদের উদ্দেশ্য করে বিচারপতি শর্মা বলেন, ‘ছেলে যা করছেন, তা ভুল নয় কি? আমরা বলছি যে ছেলে মায়ের কাছে যাক, তাঁর কাছে ক্ষমা চেয়ে নিক এবং তাঁর আশীর্বাদ নিক।’
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


