যুদ্ধের হুঙ্কারের পরম্পরা এখনও চালিয়ে চলেছে পাকিস্তান! সিন্ধুর জল বণ্টন ইস্যুতে সদ্য দিল্লি নিজের পুরনো অবস্থান আরও একবার স্পষ্ট করে দিয়েছে। তারপর ফের পাকিস্তানের বুক থেকে পিপিপি নেতা বিলাওয়াল ভুট্টোর কণ্ঠে শোনা গেল ভারত বিরোধিতার সুর। শুধু তাই নয়, স্বভাবসিদ্ধভাবে তিনি সদ্য এক জমায়েতে ভারতের বিরুদ্ধে সুর তুলেছেন।

সদ্য পাকিস্তানে এক সভা মঞ্চ থেকে পিপিপির নেতা বিলাওয়াল ভুট্টো বলেন,'পাকিস্তান যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত এবং সিন্ধু নদীর অধিকারের বিষয়ে কখনোই কোনও আপস করবে না। এটি নদীর জলকে আমাদের বিরুদ্ধে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহারের একটি প্রচেষ্টা।' উল্লেখ্য, সিন্ধুর জল নিয়ে গত বেশ কিছুটা সময় ধরে সরব হয়ে আসছে পাকিস্তান। আন্তর্জাতিক নানান মঞ্চে পাকিস্তান এই ইস্যুতে সরব। তবে ফের একবার পাকিস্তানি মদতপুষ্ট সন্ত্রাসের কথা মনে করিয়ে দিয়ে ভারত সাফ জানিয়েছে, ২০২৫ সালে পহেলগাঁও হামলার প্রতিবাদে সিন্ধুর জল বণ্টন নিয়ে যে সিদ্ধান্ত দিল্লি নিয়েছে কূটনৈতিক আঙিনায়, সেই সিদ্ধান্তে দিল্লি অনড় থাকবে। সদ্য বিদেশমন্ত্রকের তরফে মুখপাত্র রণধীর জয়সোয়াল বলেন,'সীমান্ত-পার সন্ত্রাসবাদে সমর্থন ত্যাগ করার বিষয়টি পাকিস্তানকে বিশ্বাসযোগ্য ও অপরিবর্তনীয়ভাবে নিশ্চিত করতে হবে।' বিশ্বব্যাংকের মধ্যস্থতায় সম্পাদিত এই চুক্তিটি ১৯৬০ সাল থেকে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সিন্ধু নদ অববাহিকার জল বণ্টন ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণ করে আসছে।
গত সপ্তাহে ইসলামাবাদে আয়োজিত এক সেমিনারে পাকিস্তানের উপ-প্রধানমন্ত্রী ইসহাক দার ভারতের চুক্তিটি স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত প্রত্যাখ্যান করে জোর দিয়ে বলেন যে, চুক্তিটি এখনও ‘বৈধ, বাধ্যতামূলক ও কার্যকর’ রয়েছে। এ বিষয়ে ইসলামাবাদের অবস্থানেরই প্রতিফলন ঘটেছে ভুট্টো-র মন্তব্যে, পাশাপাশি সামরিক সংঘাতের হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি পরিস্থিতির উত্তাপ আরও বাড়িয়ে তুলছেন বলেও মনে করছেন অনেকে। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালে ২২ এপ্রিল কাশ্মীরের পেহলগাঁওয়ে নারকীয় সন্ত্রাস হানার প্রতিবাদে সিন্ধু জলবন্টন চুক্তি বাতিল করে দিল্লি। এরপর পাকিস্তানের তরফে নানানভাবে দিল্লির ওপর চাপ সৃষ্টির চেষ্টা হলেও তার সামনে পুরনো অবস্থানেই অনড় থাকে দিল্লি।
{{/usCountry}}গত সপ্তাহে ইসলামাবাদে আয়োজিত এক সেমিনারে পাকিস্তানের উপ-প্রধানমন্ত্রী ইসহাক দার ভারতের চুক্তিটি স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত প্রত্যাখ্যান করে জোর দিয়ে বলেন যে, চুক্তিটি এখনও ‘বৈধ, বাধ্যতামূলক ও কার্যকর’ রয়েছে। এ বিষয়ে ইসলামাবাদের অবস্থানেরই প্রতিফলন ঘটেছে ভুট্টো-র মন্তব্যে, পাশাপাশি সামরিক সংঘাতের হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি পরিস্থিতির উত্তাপ আরও বাড়িয়ে তুলছেন বলেও মনে করছেন অনেকে। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালে ২২ এপ্রিল কাশ্মীরের পেহলগাঁওয়ে নারকীয় সন্ত্রাস হানার প্রতিবাদে সিন্ধু জলবন্টন চুক্তি বাতিল করে দিল্লি। এরপর পাকিস্তানের তরফে নানানভাবে দিল্লির ওপর চাপ সৃষ্টির চেষ্টা হলেও তার সামনে পুরনো অবস্থানেই অনড় থাকে দিল্লি।
{{/usCountry}}