...
...
Next Story

BJP Leader on TMC Rebel MPs: ‘একসঙ্গে দুই নৌকায় পা রাখা যায় না’, তৃণমূলের বিদ্রোহী সাংসদদের নিয়ে বললেন বিজেপি নেতা

এক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জেঠমালানি স্পষ্ট ভাষায় বলেন, কোনও সাংসদ যদি অন্য একটি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে একীভূত হওয়ার সিদ্ধান্ত নেন, তাহলে একইসঙ্গে আগের দলের পরিচয় ও নির্বাচনী প্রতীকের ওপর দাবি বজায় রাখতে পারেন না।

Published on: Jun 16, 2026, 10:56:17 IST
Advertisement

তৃণমূল কংগ্রেসের বিদ্রোহী সাংসদদের রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। দলের একাংশ এনসিপিআই-এ (NCPI) যোগদানের ঘোষণা করার পরও তৃণমূলের প্রতীক ও পরিচয় ধরে রাখার দাবি তুলেছেন বিদ্রোহীরা। আর সেই দাবিকেই সরাসরি প্রশ্নের মুখে দাঁড় করালেন বিশিষ্ট আইনজীবী ও বিজেপি নেতা মহেশ জেঠমালানি। এক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জেঠমালানি স্পষ্ট ভাষায় বলেন, কোনও সাংসদ যদি অন্য একটি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে একীভূত হওয়ার সিদ্ধান্ত নেন, তাহলে একইসঙ্গে আগের দলের পরিচয় ও নির্বাচনী প্রতীকের ওপর দাবি বজায় রাখতে পারেন না।

তৃণমূল কংগ্রেসের বিদ্রোহী সাংসদদের রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।
তৃণমূল কংগ্রেসের বিদ্রোহী সাংসদদের রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।

বিজেপি নেতার কথায়, ‘একসঙ্গে দুই নৌকায় চড়া সম্ভব নয়।’ এই মন্তব্য ঘিরেই রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। সম্প্রতি তৃণমূলের একদল বিদ্রোহী সাংসদ এনসিপিআই-এর সঙ্গে একীভূত হওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। তবে একইসঙ্গে তাঁদের দাবি, তাঁরা তৃণমূল ছেড়ে যাননি এবং ভবিষ্যতেও তৃণমূলের প্রতীকেই নির্বাচনে লড়তে চান। এই অবস্থানকে আইনি দিক থেকে দুর্বল বলে মনে করছেন জেঠমালানি।

তাঁর মতে, ভারতের সংবিধানের দশম তফসিল বা দলত্যাগ বিরোধী আইনের আলোকে কোনও দলবদল বা একীভূতকরণের ক্ষেত্রে স্পষ্ট নিয়ম রয়েছে। যদি সাংসদরা সত্যিই অন্য দলে যোগ দেন, তাহলে তাঁদের পক্ষে আগের দলের প্রতীক বা পরিচয়ের দাবি করা কঠিন হবে। বিষয়টি শেষ পর্যন্ত সাংবিধানিক ও আইনি পরীক্ষার মুখোমুখি হতে পারে বলেও ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি। এদিকে বিদ্রোহী শিবিরের দাবি, তাঁরা তৃণমূলের আদর্শ থেকে সরে যাননি, বরং দলের বর্তমান নেতৃত্বের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন। তাঁদের বক্তব্য, প্রকৃত তৃণমূলের প্রতিনিধিত্ব তাঁরাই করছেন। এমনকি লোকসভায় ‘আসল তৃণমূল’ হিসেবে স্বীকৃতি চাওয়ার প্রস্তুতিও নিয়েছেন বিদ্রোহীরা।

 
ABOUT THE AUTHOR
Abhijit Chowdhury

২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe