Nitin Nabin: ডিজিটাল মাধ্যমকে অপব্যবহার করে ভারতের যুবসমাজকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা কোনওভাবেই বরদাস্ত করা হবে না। ঝাড়খণ্ডের রাঁচিতে আয়োজিত দলীয় সভায় এমনই কড়া বার্তা দিলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নীতিন নবীন। তাঁর অভিযোগ, বিদেশের মাটিতে বসে এক শ্রেণির ‘ক্ষমতালোভী’ ব্যক্তি সচেতনভাবে দেশের তরুণ প্রজন্মের মধ্যে নেতিবাচক মনোভাব তৈরির ষড়যন্ত্র করছে। বিজেপি সভাপতির এই মন্তব্য এমন এক সময়ে এলো, যখন রাজধানী দিল্লির যন্তর মন্তরে একটি তুমুল বিক্ষোভ সমাবেশ চলছে। আর এই সমাবেশের নেতৃত্ব দিচ্ছেন ৩০ বছর বয়সি অভিজিৎ দীপকে।

সম্প্রতি দিল্লিতে ‘ককরোচ জনতা পার্টি'র নামে একটি সামাজিক আন্দোলন ঘিরে বিতর্ক দানা বেঁধেছে। বস্টন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তনী এবং প্রাক্তন আম আদমি পার্টির কর্মী অভিজিৎ দীপকে বিদেশে বসেই এই ডিজিটাল প্রচার শুরু করেছিলেন, যা বর্তমানে যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের রূপ নিয়েছে। সিবিএসই এবং নিট পরীক্ষার অনিয়মের অভিযোগে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে এই আন্দোলন চলছে। বিরোধী দলগুলোর সমর্থনপুষ্ট এই বিক্ষোভকে ‘পরিকল্পিত উসকানি’ হিসেবেই দেখছে বিজেপি। যদিও ককরোচ জনতা পার্টির নাম নীতিন নবীন সরাসরি উল্লেখ করেননি, তবু রাঁচিতে তাঁর বক্তব্য যে সেই সংগঠনকে লক্ষ্য করেই ছিল, তা রাজনৈতিক মহলের কাছে স্পষ্ট। নীতিন নবীন বলেন, ‘যুবসমাজের কঠোর পরিশ্রম ও শক্তির ওপর ভর করেই এই দেশ এগিয়ে চলছে...তাই যারা দেশের যুবকদের নেতিবাচক রাজনীতিতে টানতে চায়, আমি তাঁদের সতর্ক করে দিচ্ছি যে ভারতের যুবকরা ইতিবাচক রাজনীতিতে অংশ নেবে। আমরা অবশ্যই গণতন্ত্রের ভিত্তিতে সর্বতোভাবে প্রতিবাদ করব, কিন্তু আমরা গণতন্ত্রের মানকে ধ্বংস হতে দেব না।’
শনিবার দিল্লির যন্তর মন্তরে সিজেপি-র ডাকা প্রতিবাদ কর্মসূচিতে যোগ দিয়েছিলেন অনেকে। শুধু তরুণ প্রজন্ম নয়, প্রতিবাদ কর্মসূচির অগ্রভাগে দেখা গিয়েছে অনেক মধ্যবয়সি এবং প্রবীণদেরও। সেই কর্মসূচিকে কটাক্ষ করেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি। তাঁর কথায়, ‘বিদেশে বসে কিছু লোক মনে করেন যে, তাঁরা ভারতের যুব সমাজের গতিপথ নির্ধারণ করে দিতে পারে। ভারতের যুবকরা গ্রামের মাঠ, কোচিং সেন্টার কিংবা কলেজের ক্যাম্পাসে কঠোর পরিশ্রম করে দেশের ভবিষ্যৎ গড়ছে। ডিজিটাল শক্তিকে দেশের উন্নয়নের জন্য ব্যবহার করা উচিত, নেতিবাচক রাজনীতির জন্য নয়। ভারতের যুবকরা কারও হাতের পুতুল হয়ে চলবে না।’ তাঁর মতে, কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি ‘জেন জেড’ তকমা ব্যবহার করে দেশে অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা করছে। তিনি আরও, 'দেশে গণতন্ত্রের ভিত্তিতে বিরোধিতা থাকবে, কিন্তু গণতান্ত্রিক মানদণ্ড ধ্বংস হতে দেব না। ভারতের তরুণ প্রজন্ম উদ্ভাবন ও সৃজনশীলতার জন্য পরিচিত। তাদের নিষ্ঠা, কঠোর পরিশ্রম ও প্রচেষ্টার ফলে ভারতে প্রায় দুই লক্ষ স্টার্টআপ গড়ে উঠেছে। সাম্প্রতিককালে আমাদের প্রতিবেশী দেশগুলিতে আমরা যে সরকার-বিরোধী আন্দোলন দেখেছি, তা দেশে কোনও দিনই হবে না।'
{{/usCountry}}শনিবার দিল্লির যন্তর মন্তরে সিজেপি-র ডাকা প্রতিবাদ কর্মসূচিতে যোগ দিয়েছিলেন অনেকে। শুধু তরুণ প্রজন্ম নয়, প্রতিবাদ কর্মসূচির অগ্রভাগে দেখা গিয়েছে অনেক মধ্যবয়সি এবং প্রবীণদেরও। সেই কর্মসূচিকে কটাক্ষ করেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি। তাঁর কথায়, ‘বিদেশে বসে কিছু লোক মনে করেন যে, তাঁরা ভারতের যুব সমাজের গতিপথ নির্ধারণ করে দিতে পারে। ভারতের যুবকরা গ্রামের মাঠ, কোচিং সেন্টার কিংবা কলেজের ক্যাম্পাসে কঠোর পরিশ্রম করে দেশের ভবিষ্যৎ গড়ছে। ডিজিটাল শক্তিকে দেশের উন্নয়নের জন্য ব্যবহার করা উচিত, নেতিবাচক রাজনীতির জন্য নয়। ভারতের যুবকরা কারও হাতের পুতুল হয়ে চলবে না।’ তাঁর মতে, কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি ‘জেন জেড’ তকমা ব্যবহার করে দেশে অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা করছে। তিনি আরও, 'দেশে গণতন্ত্রের ভিত্তিতে বিরোধিতা থাকবে, কিন্তু গণতান্ত্রিক মানদণ্ড ধ্বংস হতে দেব না। ভারতের তরুণ প্রজন্ম উদ্ভাবন ও সৃজনশীলতার জন্য পরিচিত। তাদের নিষ্ঠা, কঠোর পরিশ্রম ও প্রচেষ্টার ফলে ভারতে প্রায় দুই লক্ষ স্টার্টআপ গড়ে উঠেছে। সাম্প্রতিককালে আমাদের প্রতিবেশী দেশগুলিতে আমরা যে সরকার-বিরোধী আন্দোলন দেখেছি, তা দেশে কোনও দিনই হবে না।'
{{/usCountry}}উল্লেখ্য, সব মিলিয়ে পাঁচটি দাবি করেছে ককরোচ জনতা পার্টি। কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফা ছাড়াও তাঁদের দাবি, গোটা শিক্ষা ব্যবস্থার ডিজিটালাইজেশন, মণিপুরে স্বাভাবিক শিক্ষাব্যবস্থা চালু করা, শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে নজর দেওয়া এবং সব প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় স্বচ্ছতা ও দায়বদ্ধতা। শনিবার খানিক অপ্রত্যাশিতভাবেই ককরোচ পার্টির বিক্ষোভের অনুমতি দেয় দিল্লি পুলিশ। শুধু অনুমতি দেওয়া নয়, কোনওরকমভাবে কোনও অশান্তির পরিবেশ যাতে তৈরি না হয়, সেটা নিশ্চিত করতে কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়।