...
...
Next Story

Nitin Nabin: ‘ভারতের যুবসমাজ কারোর হাতের পুতুল নয়!’ ককরোচ জনতা পার্টিকে তোপ নীতিন নবীনের

Nitin Nabin: সম্প্রতি দিল্লিতে ‘ককরোচ জনতা পার্টি'র নামে একটি সামাজিক আন্দোলন ঘিরে বিতর্ক দানা বেঁধেছে। বস্টন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তনী এবং প্রাক্তন আম আদমি পার্টির কর্মী অভিজিৎ দীপকে বিদেশে বসেই এই ডিজিটাল প্রচার শুরু করেছিলেন, যা বর্তমানে যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের রূপ নিয়েছে।

Published on: Jun 07, 2026 12:35 PM IST
Advertisement

Nitin Nabin: ডিজিটাল মাধ্যমকে অপব্যবহার করে ভারতের যুবসমাজকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা কোনওভাবেই বরদাস্ত করা হবে না। ঝাড়খণ্ডের রাঁচিতে আয়োজিত দলীয় সভায় এমনই কড়া বার্তা দিলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নীতিন নবীন। তাঁর অভিযোগ, বিদেশের মাটিতে বসে এক শ্রেণির ‘ক্ষমতালোভী’ ব্যক্তি সচেতনভাবে দেশের তরুণ প্রজন্মের মধ্যে নেতিবাচক মনোভাব তৈরির ষড়যন্ত্র করছে। বিজেপি সভাপতির এই মন্তব্য এমন এক সময়ে এলো, যখন রাজধানী দিল্লির যন্তর মন্তরে একটি তুমুল বিক্ষোভ সমাবেশ চলছে। আর এই সমাবেশের নেতৃত্ব দিচ্ছেন ৩০ বছর বয়সি অভিজিৎ দীপকে।

ককরোচ জনতা পার্টিকে তোপ নীতিন নবীনের (PTI)
ককরোচ জনতা পার্টিকে তোপ নীতিন নবীনের (PTI)

সম্প্রতি দিল্লিতে ‘ককরোচ জনতা পার্টি'র নামে একটি সামাজিক আন্দোলন ঘিরে বিতর্ক দানা বেঁধেছে। বস্টন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তনী এবং প্রাক্তন আম আদমি পার্টির কর্মী অভিজিৎ দীপকে বিদেশে বসেই এই ডিজিটাল প্রচার শুরু করেছিলেন, যা বর্তমানে যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের রূপ নিয়েছে। সিবিএসই এবং নিট পরীক্ষার অনিয়মের অভিযোগে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে এই আন্দোলন চলছে। বিরোধী দলগুলোর সমর্থনপুষ্ট এই বিক্ষোভকে ‘পরিকল্পিত উসকানি’ হিসেবেই দেখছে বিজেপি। যদিও ককরোচ জনতা পার্টির নাম নীতিন নবীন সরাসরি উল্লেখ করেননি, তবু রাঁচিতে তাঁর বক্তব্য যে সেই সংগঠনকে লক্ষ্য করেই ছিল, তা রাজনৈতিক মহলের কাছে স্পষ্ট। নীতিন নবীন বলেন, ‘যুবসমাজের কঠোর পরিশ্রম ও শক্তির ওপর ভর করেই এই দেশ এগিয়ে চলছে...তাই যারা দেশের যুবকদের নেতিবাচক রাজনীতিতে টানতে চায়, আমি তাঁদের সতর্ক করে দিচ্ছি যে ভারতের যুবকরা ইতিবাচক রাজনীতিতে অংশ নেবে। আমরা অবশ্যই গণতন্ত্রের ভিত্তিতে সর্বতোভাবে প্রতিবাদ করব, কিন্তু আমরা গণতন্ত্রের মানকে ধ্বংস হতে দেব না।’

উল্লেখ্য, সব মিলিয়ে পাঁচটি দাবি করেছে ককরোচ জনতা পার্টি। কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফা ছাড়াও তাঁদের দাবি, গোটা শিক্ষা ব্যবস্থার ডিজিটালাইজেশন, মণিপুরে স্বাভাবিক শিক্ষাব্যবস্থা চালু করা, শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে নজর দেওয়া এবং সব প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় স্বচ্ছতা ও দায়বদ্ধতা। শনিবার খানিক অপ্রত্যাশিতভাবেই ককরোচ পার্টির বিক্ষোভের অনুমতি দেয় দিল্লি পুলিশ। শুধু অনুমতি দেওয়া নয়, কোনওরকমভাবে কোনও অশান্তির পরিবেশ যাতে তৈরি না হয়, সেটা নিশ্চিত করতে কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়।

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe