...
...
Next Story

BJP Update: ৫ রাজ্যে ভোটে বিজেপির অগ্নিপরীক্ষা! উত্তরপ্রদেশ-উত্তরাখণ্ডে বাড়ছে চিন্তা, শুরু সংগঠন শক্তিশালী করার কাজ

দলের অভ্যন্তরীণ সূত্রের খবর, ভোটমুখী রাজ্যগুলির পরিস্থিতি নিয়ে নিয়মিত রিপোর্ট নেওয়া হচ্ছে। স্থানীয় সংগঠন থেকে শুরু করে বিভিন্ন স্তরের নেতাদের কাছ থেকে মতামত সংগ্রহ করা হচ্ছে। সেই রিপোর্টের ভিত্তিতেই ভোটের কৌশল তৈরি করার কাজ চলছে। বিশেষ নজর দেওয়া হচ্ছে উত্তরপ্রদেশ ও উত্তরাখণ্ডে।

Published on: Aug 25, 2026, 10:35:30 IST
Advertisement

আগামী বছরের শুরুতেই দেশের পাঁচটি রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন হওয়ার কথা। আর সেই ভোটে বিজেপির সামনে রয়েছে কঠিন পরীক্ষা। নিজেদের সাফল্যের ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে চারটি রাজ্যে সরকার ধরে রাখাই দলের অন্যতম বড় লক্ষ্য। তাই ভোটের অনেক আগেই সংগঠনকে শক্তিশালী করার কাজে জোর দিয়েছে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব।

আগামী বছরের শুরুতেই দেশের পাঁচটি রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন হওয়ার কথা।
আগামী বছরের শুরুতেই দেশের পাঁচটি রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন হওয়ার কথা।

দলের অভ্যন্তরীণ সূত্রের খবর, ভোটমুখী রাজ্যগুলির পরিস্থিতি নিয়ে নিয়মিত রিপোর্ট নেওয়া হচ্ছে। স্থানীয় সংগঠন থেকে শুরু করে বিভিন্ন স্তরের নেতাদের কাছ থেকে মতামত সংগ্রহ করা হচ্ছে। সেই রিপোর্টের ভিত্তিতেই ভোটের কৌশল তৈরি করার কাজ চলছে। বিশেষ নজর দেওয়া হচ্ছে উত্তরপ্রদেশ ও উত্তরাখণ্ডে।

দুই রাজ্যেই বিজেপি টানা দুই মেয়াদ ধরে ক্ষমতায় রয়েছে। ফলে এবারও সরকার ধরে রেখে টানা তৃতীয়বার ক্ষমতায় আসাই দলের লক্ষ্য। তবে পরপর দুই দফা সরকার চালানোর পর এবার পরিস্থিতি আগের তুলনায় কঠিন হতে পারে বলে দলের অভ্যন্তরীণ রিপোর্টে ইঙ্গিত মিলেছে।

বিজেপির সংগঠন সূত্রে জানা গিয়েছে, উত্তরপ্রদেশ ও উত্তরাখণ্ডে বিরোধীদের রাজনৈতিক চাপ আগের তুলনায় কিছুটা বেড়েছে। পাশাপাশি দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকার কারণে মানুষের মধ্যে শাসকবিরোধী মনোভাব তৈরি হতে পারে বলেও আশঙ্কা রয়েছে। ফলে শুধু সরকারের কাজের উপর নির্ভর না করে সংগঠনকে আরও সক্রিয় করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিজেপি।

দলীয় সূত্রের দাবি, উত্তরপ্রদেশ ও উত্তরাখণ্ডে এখনও বিজেপির পক্ষে ইতিবাচক সম্ভাবনা রয়েছে। তবে গতবারের তুলনায় এবার লড়াই বেশি কঠিন হতে পারে। বিরোধীদের সক্রিয়তা বাড়ার পাশাপাশি দীর্ঘদিনের শাসনের প্রভাবও ভোটে পড়তে পারে। তাই সংগঠনের কর্মীদের মাঠে আরও বেশি সময় দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে গোয়া নিয়েও বিজেপি বিশেষভাবে সতর্ক। দলের অভ্যন্তরীণ মূল্যায়ন অনুযায়ী, গোয়ার রাজনীতিতে শুধুমাত্র সরকারের কাজের হিসাব নয়, স্থানীয় নেতাদের ব্যক্তিগত গ্রহণযোগ্যতা এবং এলাকার রাজনৈতিক সমীকরণও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়। বিরোধী দলগুলি তুলনামূলক দুর্বল হলেও বিজেপির নিজস্ব ভোটব্যাঙ্কের মনোভাব ফলাফলে বড় প্রভাব ফেলতে পারে।

মণিপুরের পরিস্থিতি অবশ্য বিজেপির জন্য তুলনামূলক বেশি চিন্তার। দীর্ঘদিনের অস্থিরতার জেরে সেখানে দলের সমর্থক বিভিন্ন গোষ্ঠীর মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে বলে দলীয় সূত্রের খবর। ফলে কোন এলাকায় কী ধরনের রাজনৈতিক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তা নিয়ে নির্ভুল মূল্যায়ন করা কঠিন হচ্ছে।

তবে নেতৃত্বে পরিবর্তনের পর পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে এসেছে বলে বিজেপির একটি অংশ মনে করছে। দলের নেতাদের বক্তব্য, ছোট রাজ্যগুলিতে রাজনৈতিক সমীকরণ দ্রুত বদলে যেতে পারে। তাই এখন থেকেই স্থানীয় পর্যায়ে মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়ানোর উপর জোর দেওয়া হচ্ছে।

পাঁচ রাজ্যের মধ্যে পঞ্জাবেও বিজেপি নিজেদের শক্তি বাড়ানোর সম্ভাবনা দেখছে। সেখানে সংগঠন সম্প্রসারণ এবং নতুন ভোটারদের কাছে পৌঁছনোর চেষ্টা চলছে। সব মিলিয়ে, আগামী বিধানসভা নির্বাচন বিজেপির জন্য শুধু সরকার ধরে রাখার লড়াই নয়, সংগঠনের শক্তি যাচাইয়েরও পরীক্ষা। উত্তরপ্রদেশ ও উত্তরাখণ্ডে টানা তৃতীয়বার ক্ষমতায় ফেরার লক্ষ্য, মণিপুরের অসন্তোষ সামলানো এবং গোয়া ও পঞ্জাবে শক্তি বাড়ানো—এই সবকিছুকেই সামনে রেখে এখন থেকেই প্রস্তুতি শুরু করেছে গেরুয়া শিবির।

 
ABOUT THE AUTHOR
Abhijit Chowdhury

২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe