বাংলাদেশের খুলনায় নির্বাচনী হিংসায় প্রাণ গেল বিএনপি নেতার। জানা গিয়েছে, জামাত সমর্থকদের সঙ্গে বচসা এবং হাতাহাতির আবহে প্রাণ হারান মোহিবুজ্জমান কোচি। রিপোর্ট অনুযায়ী, ভোটকেন্দ্রের বাইরে জামাত সমর্থকদের সঙ্গে বিএনপি নেতার হাতাহাতি হয়। বিএনপি নেতাকে একটি গাছের দিকে নাকি ঠেলে দেয় এক জামাত কর্মী। পরে মৃত্যু হয় মোহিবুজ্জমানের। যদিও এই ঘটনা 'অসুস্থতার' কারণে ঘটেছে বলে দাবি করেছে জামাত।

এদিকে এই ঘটনায় জামাতের কোনও দোষ নেই বলে দাবি করেছেন জামাত নেতা মাহবুবুর রহমান। তিনি বলেন, 'বিএনপির কর্মীরা জামাতের মহিলা কর্মীসমর্থকদের ভোটকেন্দ্র থেকে বাইরে বের করে দিচ্ছিল। আমি তাদের থামাতে যাই। সেই সময় একজন অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে শুনলাম তিনি মারা গিয়েছে।' এই ঘটনার সঙ্গে জামাতকর্মীদের মারধরের কোনও যোগ নেই বলে স্পষ্ট দাবি করেছেন তিনি।
এদিকে এই ঘটনা প্রসঙ্গে স্থানীয় বিএনপি নেতা ইউসুফ হারুন মজনু বলেন, 'সকাল থেকেই কেন্দ্রে উত্তেজনা ছিল। আলিয়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষ জামায়াতের প্রচারণায় ছিলেন। তাকে বাধা দিলে তিনি মহিবুজ্জামান কচিকে ধাক্কা দেন। এতে তিনি গাছের সঙ্গে ধাক্কা খান এবং মাথায় আঘাত পান। এতেই তাঁর মৃত্যু হয়েছে।'
এদিকে নির্বাচন চলাকালীনই আজ বোমা বিস্ফোরণ হয় গোপালগঞ্জে। এই বিস্ফোরণে এক শিশু এবং দু'জন নিরাপত্তারক্ষী জখম হয়েছেন। রিপোর্ট অনুযায়ী, ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশি সময় ৯টা নাগাদ গোপালগঞ্জ সদরে অবস্থিত রেশমা ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের ভোটেকেন্দ্রের সামনে এই বিস্ফোরণ ঘটে। ঘটনায় আহত দুই নিরাপত্তারক্ষীরা হলেন সুকন্ঠ মজুমদার ও সেকশন কমান্ডার জামাল হোসেন। এছাড়া একজন ভোটারের সঙ্গে আসা ১৩ বছর বয়সি শিশু জখম হয়েছে। জানানো হয়েছে, ভোটকেন্দ্রে দূর থেকে ককটেল ছোঁড়ে দুষ্কৃতীরা।
এর আগে ১১ ফেব্রুয়ারি, ভোটের একদিন আগে গোপালগঞ্জের একাধিক জায়গায় ককটেল বিস্ফোরণ ঘটেছিল। ১১ তারিখ রাতে গোপালগঞ্জ-৩ আসনের আটটি ভোটকেন্দ্রের আশেপাশে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। সেই সব বিস্ফোরণে অবশ্য কেউ জখম হননি। তবে এর জেরে গোপালগঞ্জে থমথমে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। এদিকে গোপালগঞ্জে গতকাল থেকে এতগুলি বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটলেও নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে আটক হয়েছে মাত্র একজন।
{{/usCountry}}এর আগে ১১ ফেব্রুয়ারি, ভোটের একদিন আগে গোপালগঞ্জের একাধিক জায়গায় ককটেল বিস্ফোরণ ঘটেছিল। ১১ তারিখ রাতে গোপালগঞ্জ-৩ আসনের আটটি ভোটকেন্দ্রের আশেপাশে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। সেই সব বিস্ফোরণে অবশ্য কেউ জখম হননি। তবে এর জেরে গোপালগঞ্জে থমথমে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। এদিকে গোপালগঞ্জে গতকাল থেকে এতগুলি বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটলেও নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে আটক হয়েছে মাত্র একজন।
{{/usCountry}}