অনুপ্রবেশকারী এবং পাচারকারীদের সীমান্তে ঠেকাতে ব্যর্থ বিজিবি। তবে সেই বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের বিএসএফ গুলি করলে তাতে আপত্তি বাংলাদেশের। এই আবহে বাংলাদেশের শাসকদল বিএনপির বর্ষীয়ান নেতা তথা প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী ভারতকে 'সম্পর্কের' দোহাই দিলেন। বললেন, 'ভারতের সাথে বাংলাদেশ চায় বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক। তবে বারবার সীমান্ত রক্তাক্ত করলে ভালো সম্পর্ক হবে না।'

উল্লেখ্য, গত ৯ মে ত্রিপুরায় অনুপ্রবেশ করতে চাওয়া দুই বাংলাদেশিকে বিএসএফ গুলি করেছিল। তাতে মৃত্যু হয় তাদের। এই নিয়ে রুহুল বলেন, 'বারবার বাংলাদেশিদের সীমান্তে কেন গুলি করা হবে। সীমান্তে রক্তপাত কবে বন্ধ হবে? গতকাল (৯ মে) ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দুজনকে গুলি করা হয়েছে। এ ধরনের আচরণ তো ভারতের মানুষও চায় না। আমরা চাই বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, বারবার সীমান্ত রক্তাক্ত করবেন এভাবে তো ভালো সম্পর্ক হবে না। বাংলাদেশের সঙ্গে স্থায়ী ভালো সম্পর্ক তৈরি করতে হলে দিল্লিকে সহিংসতার মনোভাব থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।'
এদিকে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির জয়ে বাংলাদেশের মৌলবাদী নেতাদের রাতের ঘুম উড়েছে। পশ্চিমবঙ্গের পরিস্থিতি নিয়ে নানা মিথ্যাচার ছড়াচ্ছে তারা। এই আবহে পশ্চিমবঙ্গের ভোটের ফলাফল নিয়ে প্রশ্ন করা হয়েছিল রিজভীকে। সেই প্রসঙ্গে তিনি অবশ্য দাবি করেন, ভারতে নির্বাচন তাদের নিজস্ব ব্যাপার।
উল্লেখ্য, ১০ মে ঢাকার বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের সামনে প্রতিবাদ সমাবেশ করে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস। এদিকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে কটাক্ষ করেন এনসিপি নেতা তথা ইউনুসের সরকারের প্রাক্তন উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূইঁয়া। ভারতের বিরুদ্ধে সাত দফার দাবিতে ঢাকায় একটি সংবাদ সম্মেলন করে প্রয়াত ওসমান হাদির দল ইনকিলাব মঞ্চ। এদিকে এনসিপি নেতা নাসিরউদ্দিন পাটওয়ারি বলেন, 'সাম্প্রতিক সময়ে ভারতের পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি জয়ী হয়েছে। এটা একটা গেরুয়া পতাকা। এই গেরুয়া পতাকা বাংলাদেশের কাছে এসে গেছে। মুসলমানরা যদি সজাগ না থাকে, যদি ইমানি শক্তি না থাকে, তাহলে কিন্তু এই পতাকা আমরা ঠেকাতে পারব না।' আবার বাংলাদেশের প্রাক্তন মন্ত্রী তথা মুক্তিযোদ্ধা অলি আহমেদ আজব মন্তব্য করে বলেন, শুভেন্দু নাকি হাসিনার পরামর্শে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারিয়েছেন।