BNP MP on India: ভারত বিরোধী জামাতে ইসলামিকে ধুয়ে দিলেন বাংলাদেশের সাংসদ অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান। নিজে মুক্তিযুদ্ধে লড়াই করা ফজলুর রহমান বাংলাদেশের সংসদে দাঁড়িয়ে জামাতে ইসলামিকে আক্রমণ শানান 'রাজাকার' ইস্যুতে। সংসদের অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি বলেন, 'আমাদের মুক্তিযুদ্ধে সারা পৃথিবী জড়িত ছিল। ভারত ৩ ডিসেম্বর ১৯৭১ সালে আমাদের সহযোগিতা করার জন্য অংশগ্রহণ করেছিল। এবং তার হাজার হাজার সৈন্য এই মাটিতে রক্ত দিয়ে গেছে। এবং ভারত আমাদের দেশের স্বাধীনতার জন্য বিশ্বযুদ্ধের ঝুঁকি নিয়েছিল। আমাদের জন্য সোভিয়েত ইউনিয়ন নিরাপত্তা পরিষদে ভেটো দিয়েছিল, তা না হলে আমাদের দেশ স্বাধীন হতো কিনা সন্দেহ ছিল।'

এরপর ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনের সঙ্গে মুক্তিযুদ্ধের তুলনা করার প্রসঙ্গে ফজলুর রহমান বলেন, 'মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে যখন এক মাসের গণ-আন্দোলনকে তুলনা করা হয় তখন মুক্তিযুদ্ধকে ছোট করা হয়। কারণ, মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে ৫ আগস্টের সঙ্গে তুলনা করা হচ্ছে প্রশান্ত মহাসাগরের সঙ্গে কুয়ার তুলনা করা।।' এদিকে জামাতকে 'রাজাকার' আখ্যা দিয়ে ফজলুর রহমান বলেন, 'কোনও মুক্তিযোদ্ধা এবং মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের কেউ জামাতে ইসলামি করতে পারে না, কোনও শহিদ পরিবারের কেউ জামাত করতেই পারে না, করলে এটা ডাবল অপরাধ।' উল্লেখ্য, জামাতে ইসলামির প্রধান তথা বাংলাদেশের বর্তমান বিরোধী দলনেতা শফিকুর রহমান দাবি করে আসেন, তাঁর বাবা নাকি মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন।
এদিকে জামাতকে তোপ দেগে ফজলুর রহমান আরও বলেন, 'তারা (হাসিনা বিরোধী জুলাই যোদ্ধারা) বলেছিল, কোনও মুক্তিযুদ্ধ হয়নি। সেই দিন মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে আমি বলেছিলাম, এই আলবদরের বাচ্চারা, এখনও কিন্তু ফজলুর রহমান জীবিত আছে। মুক্তিযুদ্ধ হইছে, মুক্তিযুদ্ধই সত্য। ৩০ লক্ষ মানুষ জীবন দিয়েছে, এটাও সত্য। আমরা সেদিন তাদের সঙ্গে যুদ্ধ করেছিলাম। জামাতের পূর্বপুরুষ বাংলাদেশ চায়নি। যত দিন রয়েল বেঙ্গল টাইগার বেঁচে থাকবে, তত দিন মুক্তিযোদ্ধা জিতবে, রাজাকার কোনোদিন জয়লাভ করতে পারবে না।'
কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সাংসদ আরও বলেন, '১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বরকে পালন করা হয় শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস। সেই মুনীর চৌধুরী, আব্দুল আলীম চৌধুরী, শহীদুল্লা কায়সার থেকে ধরে শত শত বুদ্ধিজীবীকে যারা হত্যা করেছিল, তাদের বলা হয় আলবদর। সেই আলবদর বাহিনী কারা ছিল, আপনারা জানেন। আমি মুক্তিযোদ্ধা কামান্ডার ছিলাম, ১৬ ডিসেম্বরের পর শত শত রাজাকার আমার কাছে আত্মসমর্পণ করেছে। আমি কাউকে হত্যা করিনি, সবাইকে জেলে পাঠিয়ে দিয়েছি। ৫ অগস্টের পরে এত থানা লুট হয়েছে, পুলিশকে হত্যা করা হয়েছে, তখন তো পুলিশ যুদ্ধ করে নাই, তারা তো নিরপরাধ। এত অস্ত্র গেল কোথায়? ৫ অগস্টের (২০২৪ সালের) পরে পুলিশ হত্যা হয়ে থাকে, থানা লুট হয়ে থাকে, সেটার জন্য তদন্ত হওয়া উচিত, দোষীদের বিচার হওয়া উচিত।'
{{/usCountry}}কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সাংসদ আরও বলেন, '১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বরকে পালন করা হয় শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস। সেই মুনীর চৌধুরী, আব্দুল আলীম চৌধুরী, শহীদুল্লা কায়সার থেকে ধরে শত শত বুদ্ধিজীবীকে যারা হত্যা করেছিল, তাদের বলা হয় আলবদর। সেই আলবদর বাহিনী কারা ছিল, আপনারা জানেন। আমি মুক্তিযোদ্ধা কামান্ডার ছিলাম, ১৬ ডিসেম্বরের পর শত শত রাজাকার আমার কাছে আত্মসমর্পণ করেছে। আমি কাউকে হত্যা করিনি, সবাইকে জেলে পাঠিয়ে দিয়েছি। ৫ অগস্টের পরে এত থানা লুট হয়েছে, পুলিশকে হত্যা করা হয়েছে, তখন তো পুলিশ যুদ্ধ করে নাই, তারা তো নিরপরাধ। এত অস্ত্র গেল কোথায়? ৫ অগস্টের (২০২৪ সালের) পরে পুলিশ হত্যা হয়ে থাকে, থানা লুট হয়ে থাকে, সেটার জন্য তদন্ত হওয়া উচিত, দোষীদের বিচার হওয়া উচিত।'
{{/usCountry}}