...
...
Next Story

মুম্বইয়ে হুলুস্থূল! স্ত্রী ও দুই সন্তানের নিথর দেহ, ভারতীয় নৌবাহিনীর নাবিকের রহস্যমৃত্যু

Navy Sailor Death: ডেপুটি পুলিশ কমিশনার মনীশ কালওয়ানিয়া বলেছেন, প্রাথমিক তদন্তে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে যে ওই নাবিক গলায় ফাঁস লাগিয়ে মারা গেছেন, এবং তাঁর স্ত্রী ও সন্তানদের মৃত্যুর কারণ বিষক্রিয়া বলে মনে হচ্ছে। দেহগুলির ময়নাতদন্ত চলছে এবং তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

Published on: Aug 16, 2026, 23:58:34 IST
Advertisement

Navy Sailor Death: মুম্বইয়ের বাড়িতে স্ত্রী ও দুই নাবালক সন্তান-সহ ভারতীয় নৌবাহিনীর এক নাবিকের মৃতদেহ উদ্ধারকে ঘিরে শোরগোল পড়ে গিয়েছে। প্রাথমিকভাবে তদন্তকারীদের অনুমান, তিনি সম্ভবত আত্মঘাতী হয়েছেন। তাঁর স্ত্রী ও দুই সন্তানের দেহে বিষপ্রয়োগের প্রমাণ মিলেছে। তবে মৃত্যুর কারণ এখনও স্পষ্ট নয়।

ভারতীয় নৌবাহিনীর নাবিকের রহস্যমৃত্যু (Pic for representation) (HT_PRINT)
ভারতীয় নৌবাহিনীর নাবিকের রহস্যমৃত্যু (Pic for representation) (HT_PRINT)

পুলিশ সূত্রে খবর, ঘটনাটি দক্ষিণ মুম্বইয়ের অভিজাত নেভি নগর এলাকার৷ মৃত নাবিকের নাম পুরানমল শম্ভুলাল মেহরা (৩০)। তাঁর স্ত্রী নাম ওমা পুরানমল মেহরা (২৮)। বাণিজ্য নগরীর কাফে প্যারেড থানার পুলিশ জানিয়েছে, শনিবার রাতে নিজের অ্যাপার্টমেন্ট থেকেই নাবিকের দেহ উদ্ধার হয়৷ সেখান থেকেই তাঁর স্ত্রী এবং মাত্র দু'মাস বয়সি এবং তিন বছরের দুই শিশু সন্তানের দেহও পাওয়া যায়৷ তবে দেহ উদ্ধার এবং তার সঙ্গে সম্পর্কিত বিষয় নিয়ে তদন্তকারীদের তরফে এখনও বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হয়নি। ঠিক কীভাবে মৃত্যু হল তা নিয়েও স্পষ্ট করে কোনও বক্তব্য পুলিশের তরফে জানানো হয়নি।

প্রাথমিকভাবে তদন্তকারীদের অনুমান, ওই নাবিক গলায় ফাঁস লাগিয়ে নিজেকে শেষ করেছেন ৷ স্ত্রী ও দুই সন্তানকে বিষ খাইয়ে হত্যা করেছেন ৷ ঘটনার গতিপ্রকৃতি দেখে এমনটাই মনে করছেন তাঁরা। তবে আদতে এমন কিছু ঘটেছে কিনা সেটা বিস্তারিত তদন্ত করে দেখা দরকার। মৃতদের ময়নাতদন্ত ছাড়াও ঘটনাস্থল থেকে পাওয়া নমুনা পরীক্ষা করা হচ্ছে। বিভিন্ন সূত্র থেকে পাওয়া তথ্যের সঙ্গে ঘটনা পরম্পরাকেও মিলিয়ে দেখা হচ্ছে। ইতিমধ্যে ওই নাবিক এবং তাঁর পরিবারের সদস্যদের দেহ ময়নাতদন্তের জন্য মুম্বইয়ের জেজে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে৷ রিপোর্ট পেলে সকলের মৃত্যুর কারণ এবং সময় সম্পর্কে নিশ্চিত হতে পারবেন তদন্তকারীরা। মৃত্যুর কারণের পাশাপাশি সময়টাও এখানে বিশেষ জরুরি। তার উপর নির্ভর করেই পরবর্তী তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যাবে পুলিশ।

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe