...
...
Next Story

Bangladesh Murder Case: বাংলাদেশে হাড়হিম হত্যাকাণ্ড! বাড়ি থেকে উদ্ধার হিন্দু পরিবারের ৪ জনের দেহ, বাড়ছে রহস্য

Bangladesh Murder Case: রংপুর মেট্রোপলিটন সিআইডির সহকারী পুলিশ সুপার সুমিত চৌধুরী জানিয়েছেন, প্রীতিলতা ও তাঁর মেয়ের দেহ সিঁড়ির ওপর এবং গণপতিকে ছাদ থেকে উদ্ধার করা হয়। ছেলে প্রিয়মের দেহ মেলে বিছানার পাশে।

Published on: Aug 23, 2026, 22:21:25 IST
Advertisement

Bangladesh Murder Case: হাড়হিম হত্যাকাণ্ড বাংলাদেশে (Bangladesh)! বাড়ি থেকে উদ্ধার হল একটি হিন্দু পরিবারের চারজনের মৃতদেহ (Murder case)। ঘটনাটি ঘটেছে রংপুরে। বন্ধ বাড়ির ভেতর থেকে এক অবসরপ্রাপ্ত স্কুলশিক্ষক এবং তাঁর স্ত্রী, মেয়ে ও ১২ বছরের ছেলের দেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। প্রাথমিকভাবে অনুমান করা হচ্ছে, প্রত্যেককে শ্বাসরোধ করে খুন করা হয়েছে।

বাংলাদেশে হাড়হিম হত্যাকাণ্ড! (সৌজন্যে টুইটার)
বাংলাদেশে হাড়হিম হত্যাকাণ্ড! (সৌজন্যে টুইটার)

শনিবার (২২ আগস্ট) রাত সাড়ে ১১টা নাগাদ রংপুর মহানগরের কামালকাছনা মাছুয়াপাড়ার বাড়ি থেকে তাঁদের দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহতরা হলেন রংপুরের জেলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী (৬৫), তাঁর স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী (৫০), মেয়ে আগামী চক্রবর্তী প্রার্থী (২৩) এবং ছেলে প্রিয়ম চক্রবর্তী (১২)। রংপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম নাজমুল কাদের বলেন, শনিবার রাতে পুলিশ এসে তালা ভেঙে ঘরের ভেতর থেকে চারজনের দেহ উদ্ধার করে। নিহতদের সবার শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা।

রংপুর মেট্রোপলিটন সিআইডির সহকারী পুলিশ সুপার সুমিত চৌধুরী জানিয়েছেন, প্রীতিলতা ও তাঁর মেয়ের দেহ সিঁড়ির ওপর এবং গণপতিকে ছাদ থেকে উদ্ধার করা হয়। ছেলে প্রিয়মের দেহ মেলে বিছানার পাশে। বাড়িতে জামাকাপড়, জিনিসপত্র ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়েছিল বলেও জানা গিয়েছে। সূত্রের খবর, প্রীতিলতা ও তাঁর মেয়ের শরীরে গুরুতর নির্যাতনের চিহ্ন মিলেছে। তদন্তকারীদের প্রাথমিকভাবে অনুমান, শ্বাসরোধ করে খুন করা হয়েছে তাঁদের। 'দ্য ডেইলি স্টার'-কে রংপুর মেট্রোপলিটন সিআইডি-র ইনচার্জ সুবীর চৌধুরী চারজনের দেহ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার রাতে তাঁদের সঙ্গে শেষ কথা হয়েছিল। তারপর থেকেই তাঁদের সবকটি মোবাইল বন্ধ পাওয়া যাচ্ছিল। কোনও খোঁজ না পেয়ে শনিবার রাতে আত্মীয়রা তাঁদের নতুন তৈরি করা তিনতলা বাড়িতে যান। বাইরের মূল ফটক বন্ধ এবং ভেতরের সব আলো নেভানো দেখে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। পরে পুলিশ এসে তালা ভেঙে বাড়িতে প্রবেশ করে চারজনের দেহ পড়ে থাকতে দেখে।

স্থানীয়রা জানান, গণপতি চক্রবর্তী গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর রংপুর জেলা স্কুল থেকে অবসর নেন। তাঁর মেয়ে আগামী চক্রবর্তী চলতি বছর রংপুর কারমাইকেল কলেজ থেকে ইংরেজিতে স্নাতকোত্তর করেন। আর ছেলে প্রিয়ম চক্রবর্তী রংপুর জেলা স্কুলের পঞ্চম শ্রেণির পড়ুয়া ছিল। স্থানীয় বাসিন্দাদের একজন জানিয়েছেন, গণপতি কয়েক বছর আগে এই গ্রামে বসবাস শুরু করেছিলেন। তাঁর তিনতলার নির্মাণ কাজ এখনও শেষ হয়নি। স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে খুব একটা মেলামেশা করত না পরিবারটি। সিআইডি ও রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ যৌথভাবে ঘটনার তদন্তে নেমেছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলেই মৃত্যুর সঠিক কারণ স্পষ্ট হবে।

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe