...
...
Next Story

Border Dispute Row: সীমান্ত বিবাদ মেটাতে পড়শি দেশে জমি দিয়ে দিতে চায় কেন্দ্র? গুঞ্জনের আবহে বিতর্ক

গত ১৭ জুলাই এক আন্তর্জাতিক পত্রিকায় দাবি করা হয়, ভারত সরকার মণিপুরের চান্দেল জেলার সীমান্তবর্তী প্রায় ১.৪ বর্গমাইল এলাকা মায়ানমারের হাতে তুলে দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করছে। সেখানে সীমান্ত স্তম্ভ ৬৫ থেকে ৬৮ নম্বরের মধ্যবর্তী এই অঞ্চল নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই সীমান্ত বিরোধ আছে ভারত ও মায়ানমারের মধ্যে।

Published on: Jul 28, 2026, 09:50:39 IST
Advertisement

Speculation over ceding Manipur Land to Myanmar: ভারত-মায়ানমার সীমান্ত বিরোধ মেটাতে কেন্দ্র মণিপুরের কিছু অংশ মায়ানমারের হাতে ছেড়ে দেওয়ার কথা ভাবছে বলে গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে। এই আবহে মণিপুরের প্রভাবশালী নাগরিক সংগঠন কো-অর্ডিনেটিং কমিটি অন মণিপুর ইন্টিগ্রিটি (COCOMI) কেন্দ্রীয় সরকারকে কড়া হুঁশিয়ারি দিল, মণিপুরের এক ইঞ্চি জমিও মায়ানমারের হাতে তুলে দেওয়া হলে রাজ্যজুড়ে তীব্র গণআন্দোলন গড়ে তোলা হবে।

সাম্প্রতিক এক রিপোর্টে দাবি করা হয়, ভারত সরকার মণিপুরের চান্দেল জেলার সীমান্তবর্তী প্রায় ১.৪ বর্গমাইল এলাকা মায়ানমারের হাতে তুলে দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করছে।
সাম্প্রতিক এক রিপোর্টে দাবি করা হয়, ভারত সরকার মণিপুরের চান্দেল জেলার সীমান্তবর্তী প্রায় ১.৪ বর্গমাইল এলাকা মায়ানমারের হাতে তুলে দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করছে।

COCOMI-র দাবি, মণিপুরের ভৌগোলিক অখণ্ডতা কোনওভাবেই খর্ব করা যাবে না। সংগঠনের বক্তব্য, রাজ্যের ঐতিহাসিক সীমানা পরিবর্তনের যে কোনও প্রচেষ্টা মণিপুরবাসী মেনে নেবেন না। এমন কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হলে তার বিরুদ্ধে সর্বস্তরের মানুষকে নিয়ে ব্যাপক গণবিক্ষোভ গড়ে তোলা হবে।

সংগঠনের আইপিআর (IPR) সাব-কমিটির আহ্বায়ক ফিজাম শ্যামচাঁদ এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, গত ১৭ জুলাই আন্তর্জাতিক পত্রিকা দ্য ডিপ্লোম্যাটে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, ভারত সরকার মণিপুরের চান্দেল জেলার সীমান্তবর্তী প্রায় ১.৪ বর্গমাইল এলাকা মায়ানমারের হাতে তুলে দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, সীমান্ত স্তম্ভ ৬৫ থেকে ৬৮ নম্বরের মধ্যবর্তী এই অঞ্চল নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই সীমান্ত বিরোধ আছে ভারত ও মায়ানমারের মধ্যে। সেই বিবাদের নিষ্পত্তির লক্ষ্যে জমি হস্তান্তরের প্রস্তাব নিয়ে নাকি আলোচনা চলছে।

COCOMI আরও অভিযোগ করেছে, বিদেশ মন্ত্রক গত ২৬ মে যে নথি প্রকাশ করেছে, তাতে ভারত-মায়ানমার সীমান্ত চিহ্নিতকরণের জন্য তিন মাসের একটি সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। কিন্তু সেই নথিতে ভারতের পক্ষে কোনও সমপরিমাণ ভূখণ্ড ফেরত পাওয়ার বা সীমান্ত সমন্বয়ের বিষয়টি উল্লেখ করা হয়নি। ফলে বিষয়টি নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই সন্দেহ তৈরি হয়েছে বলে দাবি সংগঠনের।

COCOMI আরও দাবি করেছে, ভারত-মায়ানমার সীমান্তের একাধিক অংশ এখনও বিতর্কিত। বিশেষ করে মলচাম এলাকায় ৬৪ থেকে ৬৮ নম্বর সীমান্ত স্তম্ভের মধ্যবর্তী অঞ্চল, মোরে এলাকার ৭৫ থেকে ৭৯ নম্বর সীমান্ত স্তম্ভ এবং চোরো খুনৌ এলাকার ৮৮ থেকে ৯৫ নম্বর সীমান্ত স্তম্ভকে তারা বিরোধপূর্ণ এলাকা হিসেবে উল্লেখ করেছে।

সংগঠনের প্রশ্ন, বর্তমানে ভারত ও মায়ানমারের মধ্যে যে সীমান্ত আলোচনা চলছে এবং মলচাম সেক্টরে সহায়ক সীমান্ত স্তম্ভ বসানোর কাজ এগোচ্ছে, তা কি মণিপুরের স্বার্থ বিসর্জন দিয়েই করা হচ্ছে? এই বিষয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে স্বচ্ছ ব্যাখ্যা দাবি করেছে COCOMI। এদিকে, বিষয়টি নিয়ে এখনও কেন্দ্রীয় সরকার বা বিদেশ মন্ত্রকের তরফে কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করা হয়নি। তবে সীমান্ত নির্ধারণ ও ভূখণ্ড হস্তান্তরের সম্ভাবনা নিয়ে জল্পনা তীব্র হওয়ায় মণিপুরে রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলে নতুন করে উদ্বেগ ছড়িয়েছে।

 
ABOUT THE AUTHOR
Abhijit Chowdhury

২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe