BRICS Setback for Pakistan: এক বিবৃতিতেই পাকিস্তানের ঘুম ওড়াল চিন! মক্কা চুক্তি সই করা দেশকেও পাশে আনল ভারত
BRICS Setback for Pakistan: ব্রিকস সম্মেলনের মঞ্চ থেকে অস্বস্তি বাড়ল পাকিস্তানের। ইসলামাবাদের ঘুম উড়িয়ে দিল শি জিনপিঙের চিন। একইভাবে মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর করা দেশকেও নিজেদের পাশে পেল ভারত।
BRICS Setback for Pakistan: সরাসরি পাকিস্তানের নাম করা হল না। কিন্তু নয়াদিল্লি ব্রিকসের ঘোষণাপত্রে যে বিষয়ের উল্লেখ করা হল, তাতে অস্বস্তি বাড়ল ইসলামাবাদের। আসলে শনিবার ভারতের সভাপতিত্বে রাশিয়া, চিন, সৌদি আরব, ইরান-সহ ১১টি দেশ যে ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষর করল, তাতে পহেলগাঁও জঙ্গি হামলার কড়া ভাষায় নিন্দা করা হল। ওই ঘোষণাপত্রে স্পষ্টভাষায় জানাানো হয়েছে, ২০২৫ সালের ২২ এপ্রিল জম্মু ও কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে যে জঙ্গি হামলা চলেছে, তার তীব্র নিন্দা করছে ব্রিকস। পাশাপাশি আন্তঃসীমান্ত সন্ত্রাসবাদ, জঙ্গি কার্যকলাপের জন্য অর্থের জোগান, সন্ত্রাসমূলক যে কোনও কার্যকলাপ, সন্ত্রাসমূলক কাজকর্মে মদত দেওয়া কাজকর্ম-সহ সবধরনের সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করার ক্ষেত্রেও জোটবদ্ধ হওয়ার ডাক দেওয়া হয়েছে ব্রিকসের মঞ্চ থেকে।

'দাদা' চিন থেকে সৌদি আরব থেকে ইন্দোনেশিয়া
যে বিষয়টি পাকিস্তানের জন্য বেশ অস্বস্তিদায়ক বলেই মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল। কারণ ব্রিকসে যেমন আছে পাকিস্তানের ‘দাদা’ চিন, তেমনই আছে জোটসঙ্গী সৌদি আরব। যে সৌদির সঙ্গে আলাদাভাবেই প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর করেছিল ইসলামাবাদ। আবার কয়েক সপ্তাহ আগে সৌদি এবং তুরস্কের সঙ্গে মিলে ‘মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি’ স্বাক্ষর করেছে। আবার সেই ব্রিকসেই আছে বিশ্বের সবথেকে মুসলিম জনসংখ্যা-বিশিষ্ট দেশ ইন্দোনেশিয়া। সবমিলিয়ে ইসলামাবাদের অস্বস্তি বাড়ল বলেই মনে করছে কূটনৈতিক মহল।
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ নিয়েও বার্তা ব্রিকসের
তারইমধ্যে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ নিয়েও ‘গভীর উদ্বেগ’ প্রকাশ করেছে ব্রিকস। গত ফেব্রুয়ারি থেকে আমেরিকা এবং ইরানের মধ্যে যে সংঘাত চলছে, তা নিয়ে ব্রিকসের যৌথ ঘোষণাপত্রে বলা হয়েছে, ‘মধ্যপ্রাচ্য ও পশ্চিম এশিয়ায় উত্তেজনা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাওয়ায় আমরা গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছি এবং আমাদের নিজ-নিজ জাতীয় অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করে সর্বোচ্চ সংযম প্রদর্শনের পাশাপাশি পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে, এমন পদক্ষেপ থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানাচ্ছি।’
ব্রিকসের তরফে কী বার্তা দেওয়া হল?
সেইসঙ্গে ব্রিকসের যৌথ ঘোষণাপত্রে বলা হয়েছে, ‘আমরা আলোচনা এবং কূটনীতির মাধ্যমে এমন একটি দীর্ঘমেয়াদী বোঝাপড়ার পথে যাওয়ার আহ্বান জানাই, যা এই অঞ্চলে দীর্ঘস্থায়ী শান্তি, নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার ক্ষেত্রে অবদান রাখবে। আমরা প্রযোজ্য আন্তর্জাতিক আইন মেনে বিশ্ববাণিজ্য, সরবরাহ ব্যবস্থা এবং জ্বালানি প্রবাহ সচল রাখার লক্ষ্যে সম্মিলিতভাবে কাজ করার উপরে গুরুত্ব আরোপ করছি।’
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


