ভারতের বিরুদ্ধে ক্রমাগত পুশ-ইনএর অভিযোগে সরব বাংলাদেশ। সীমান্তে বিজিবির তরফে ফের একবার এমন অভিযোগ উঠতে শুরু করেছে। এর আগেও এমন অভিযোগকে নস্যাৎ করেছে দিল্লি। এদিকে, এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের ১১ দলকে নিয়ে বাংলাদেশের অন্দরে সীমান্ত সংলগ্ন এলাকায়, অভিযানের কর্মসূচি নিয়েছে বাংলাদেশের রাজনৈতিক শিবির জামায়েত। এরই মাঝে দিল্লিতে বসেছিল ভারতের বিএসএফ (বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স) ও বাংলাদেশের বর্ডার গার্ড বাংলাদশ (বিজিবি)।

ডিজি পর্যায়ের এই বৈঠকের পর চিরাচরিত রীতি ভেঙে এই প্রথমবার বিজিবি ও বিএসএফ কোনও যৌথ সাংবাদিক সম্মেলন করেনি। প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালে জন-ছাত্র অভ্যুত্থানের জেরে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতা হারান। ভারতে চলে এসে আশ্রয় নেন রাতারাতি। এরপর সেদেশে ইউনুসের আওতায় অন্তর্বর্তী সরকার ও পরে নির্বাচিত তারেক রহমানের সরকার আসে। দুই সরকারের তরফেও শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ নিয়ে সরব হতে দেখা যায় ঢাকাকে। এদিকে, ইউনুস আমলে ভারত বিরোধিতার সুরও ওপার বাংলা থেকে আসে। ওঠে সীমান্তে পুশ-ইনের অভিযোগ। সদ্য সেই অভিযোগে ফের সরব হয়েছে তারেক রহমানের বাংলাদেশ। এই পরিস্থিতিতে, দিল্লিতে বিএসএফ- বিজিবি ডিজি পর্যায়ের বৈঠক আয়োজিত হয়।
বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ৪,০০০ কিলোমিটারেরও (২,৫০০ মাইল) বেশি দীর্ঘ সীমান্ত রয়েছে, যা বিশ্বের অন্যতম দীর্ঘ সীমান্ত। ভারতের ক্ষমতাসীন দল ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি),যারা ত্রিপুরা, পশ্চিমবঙ্গ ও আসামের মতো গুরুত্বপূর্ণ সীমান্তবর্তী রাজ্যগুলো শাসন করছে, জানিয়েছে যে অভিবাসন সমস্যা মোকাবিলা তাদের কাছে অগ্রাধিকারের বিষয়। এই রাজ্যে থাকা অবৈধ বাংলাদেশিদের নিয়ে পদক্ষেপ করেছে পশ্চিমবঙ্গের বর্তমান সরকার।
এদিকে, বিএসএফ-বিজিবি বৈঠকের পর এক যৌথ বিবৃতি প্রকাশ করা হয়েছে। তাতে বলা হয়েছে, ‘উভয় পক্ষই ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে শান্তি, স্থিতিশীলতা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখার বিষয়ে তাদের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে।’ নয়াদিল্লিতে সীমান্ত বিষয়ক শীর্ষ কর্মকর্তাদের চার দিনব্যাপী বৈঠকের শেষে প্রকাশিত বিবৃতি অনুযায়ী, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এবং ভারতের বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স (বিএসএফ) এই আলোচনাকে ‘সৌহার্দ্যপূর্ণ, ইতিবাচক ও ভবিষ্যৎমুখী’ হিসেবে অভিহিত করেছে। নিয়মিত আলোচনায় ‘সীমান্ত এলাকায় অবৈধ, অসতর্ক ও জোরপূর্বক সীমান্ত অতিক্রমের’ বিষয়টিও স্থান পেয়েছে যা সাম্প্রতিক মাসগুলোতে ক্রমশ একটি বিতর্কিত বিষয় হয়ে উঠেছে।
{{/usCountry}}এদিকে, বিএসএফ-বিজিবি বৈঠকের পর এক যৌথ বিবৃতি প্রকাশ করা হয়েছে। তাতে বলা হয়েছে, ‘উভয় পক্ষই ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে শান্তি, স্থিতিশীলতা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখার বিষয়ে তাদের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে।’ নয়াদিল্লিতে সীমান্ত বিষয়ক শীর্ষ কর্মকর্তাদের চার দিনব্যাপী বৈঠকের শেষে প্রকাশিত বিবৃতি অনুযায়ী, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এবং ভারতের বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স (বিএসএফ) এই আলোচনাকে ‘সৌহার্দ্যপূর্ণ, ইতিবাচক ও ভবিষ্যৎমুখী’ হিসেবে অভিহিত করেছে। নিয়মিত আলোচনায় ‘সীমান্ত এলাকায় অবৈধ, অসতর্ক ও জোরপূর্বক সীমান্ত অতিক্রমের’ বিষয়টিও স্থান পেয়েছে যা সাম্প্রতিক মাসগুলোতে ক্রমশ একটি বিতর্কিত বিষয় হয়ে উঠেছে।
{{/usCountry}}