...
...
Next Story

BSF-ED-NIA Operation in Border Area: পশ্চিমবঙ্গ লাগোয়া এলাকায় অনুপ্রবেশকারীদের রমরমা, অভিযানে নামবে বিএসএফ-ইডি-এনআইএ

কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলি এই অভিযানের জন্য সমন্বয় করতে শুরু করেছে। রিপোর্ট অনুযায়ী, এসএসবি, বিএসএফ, আইটিবিপি, এনআইএ, ইডি, আইবি এবং স্থানীয় প্রশাসন এবং বিহার পুলিশ এই অভিযানের সমন্বয় করবে।

Published on: Mar 2, 2026, 07:44:37 IST
By
Prefer HTon Google
Advertisement

বিহারের সীমাঞ্চলে অবৈধ অনুপ্রবেশের পাশাপাশি ভারতীয় জাল নোট, মানব পাচার ও মাদকের বিরুদ্ধে বড় অভিযান শুরু করা হবে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের তিন দিনের সফরের পরই কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলি এই অভিযানের জন্য সমন্বয় করতে শুরু করেছে। রিপোর্ট অনুযায়ী, এসএসবি, বিএসএফ, আইটিবিপি, এনআইএ, ইডি, আইবি এবং স্থানীয় প্রশাসন এবং বিহার পুলিশ এই অভিযানের সমন্বয় করবে।

এসএসবি, বিএসএফ, আইটিবিপি, এনআইএ, ইডি, আইবি এবং স্থানীয় প্রশাসন এবং বিহার পুলিশ এই অভিযানের সমন্বয় করবে। (ANI Video Grab)
এসএসবি, বিএসএফ, আইটিবিপি, এনআইএ, ইডি, আইবি এবং স্থানীয় প্রশাসন এবং বিহার পুলিশ এই অভিযানের সমন্বয় করবে। (ANI Video Grab)

প্রসঙ্গত, কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থাগুলি তথ্য পেয়েছে যে নেপালের সাথে যুক্ত বিহারের সীমান্ত এলাকায় অবৈধ অনুপ্রবেশের পাশাপাশি জাল ভারতীয় মুদ্রার একটি বড় নেটওয়ার্ক রয়েছে। এছাড়া মানব পাচারের ব্যবসা থেকে শুরু করে মাদক চোরাচালানেও সক্রিয় এখানাকার অসাধু চক্র। এই নেটওয়ার্ক ভারতীয় অর্থনীতির ক্ষতি করার পাশাপাশি আঞ্চলিক ভারসাম্য বিঘ্নিত করছে। এজন্য কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলিকে সমন্বয় বজায় রেখে কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সূত্রের খবর, গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদানের মাধ্যমে চোরাচালানের রুটের লাইভ মনিটরিংয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে এসএসবি, আইবি, বিএসএফ এবং আইটিবিপিকে।

সূত্রের খবর, সীমান্তে বেশ কয়েকটি অবৈধ বসতি স্থাপনের তথ্য পাওয়া গেছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নির্দেশ অনুযায়ী, সীমান্ত এলাকার ১০ কিলোমিটারের মধ্যে সমস্ত অবৈধ বসতি অপসারণ করা হবে। সীমান্ত এলাকায় অনুপ্রবেশকারীদের ক্রমবর্ধমান কার্যকলাপের ওপর নজরদারি চালাতে হবে। এই আবহে পশ্চিমবঙ্গ লাগোয়া কিষাণগঞ্জ জেলায় সামরিক বাহিনী মোতায়েনের বিষয়টিও বিবেচনা করা হচ্ছে। এদিকে সীমান্তবর্তী এলাকায় মাদ্রাসাগুলির বিদেশ থেকে অর্থ সাহায্য পাচ্ছে বলে খবর পাওয়া গিয়েছে। এই আবহে সীমান্তবর্তী এলাকায় মাদ্রাসাগুলোর ওপরেও কেন্দ্রীয় বাহিনী এবং তদন্তকারী সংস্থাগুলি নজর রাখছে। সন্দেহজনক মাদ্রাসাগুলির তহবিলের উৎস নিয়ে তদন্তের জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। গোয়েন্দা সংস্থাগুলি তথ্য পেয়েছে যে সীমান্তবর্তী এলাকায় বেশ কয়েকটি চিনা ভাষার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানও খোলা হয়েছে। যার ফরে এই এলাকার নিরাপত্তা নিয়ে ক্রমেই উদ্বেগ বাড়ছে।

 
ABOUT THE AUTHOR
Abhijit Chowdhury

২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe