India-Bangladesh Border Plan: বাংলাদেশ সীমান্তে পাহারা দেবে সাপ ও কুমির! অনুপ্রবেশ রুখতে BSF-র মাস্টার প্ল্যান
ভারত-বাংলাদেশে সীমান্তে নামানো হতে পারে বিষধর সাপ ও কুমির! নদীপথে অনুপ্রবেশ ও পাচার রুখতে বিএসএফের রোমহর্ষক ও নতুন এই পরিকল্পনা সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন। বিষয়টি নিয়ে ভারতীয় সীমাসুরক্ষা বাহিনীর তরফে কী বলা হল?
ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে অনুপ্রবেশকারীদের সমস্যা মোকাবিলায় বিএসএফ একটি অভিনব পরিকল্পনা তৈরি করছে। সূত্র উদ্ধৃত করে একাধিক রিপোর্টে জানানো হয়েছে, ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের নদী ও জলাভূমি অঞ্চলে অনুপ্রবেশ রোধ করতে বিএসএফ সাপ ও কুমির ব্যবহারের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করছে। যদিও এই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত কোনও আনুষ্ঠানিক আদেশ জারি করা হয়নি। তবে সংবাদমাধ্যম দ্য হিন্দুর প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিএসএফের অভ্যন্তরীণ যে বার্তা দেওয়া হয়েছে, তাতে বলা হয়েছে যে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত বরাবর নদী ও জলপথে কুমির, সাপের মতো সরীসৃপ প্রাণী ব্যবহার করা যায় কিনা, তা খতিয়ে দেখতে হবে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের নির্দেশেই সেই পদক্ষেপ করা হয়েছে বলে সূত্র উদ্ধৃত করে ওই প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

নদীপথে নজরদারি চালানো সহজ নয়
এমনিতে প্রায় ৪,০৯৬ কিলোমিটার দীর্ঘ ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের প্রায় ১৭৫ কিলোমিটার অংশ নদী ও জলাভূমি অঞ্চলে পড়ে। কড়া নজরদারি সত্ত্বেও অনুপ্রবেশ, চোরাচালান এবং অন্যান্য অবৈধ কার্যকলাপ রোধ করা বেশ কঠিন হয়ে পড়ে। সেই পরিস্থিতিতে নয়া ভাবনাচিন্তা করা হচ্ছে বলে একাধিক রিপোর্টে জানানো হয়েছে।
কবে থেকে সাপ ও কুমির ব্যবহার করা হতে পারে?
সূত্র উদ্ধৃত করে একাধিক রিপোর্টে জানানো হয়েছে, সীমান্ত সুরক্ষাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার নীতির অধীনে বিএসএফ আধিকারিকদের এমন নদী অঞ্চলগুলি চিহ্নিত করতে বলা হয়েছে, যেখানে এই ধরনের একটি পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা যেতে পারে। যদিও এই প্রস্তাবটি এখনও কেবল আলোচনার পর্যায়ে রয়েছে এবং ভবিষ্যতে এটি বাস্তবায়িত হবে কিনা, তা স্পষ্ট নয়।
পুরো বিষয়টি নিয়ে BSF কী বলছে?
তারইমধ্যে বিএসএফের এক আধিকারিককে উদ্ধৃত করে হিন্দুর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘এখন পর্যন্ত সরীসৃপ সংক্রান্ত নির্দেশিকা বাস্তবায়ন করা হয়নি। এর সম্ভাবনা খতিয়ে দেখার জন্যই নির্দেশিকা এসেছে। এক্ষেত্রে কয়েকটি চ্যালেঞ্জ রয়েছে... কীভাবে সরীসৃপ সংগ্রহ করা হবে এবং নদী তীরবর্তী এলাকায় বসবাসকারী স্থানীয় মানুষের ওপর এর কী প্রভাব পড়তে পারে?’
আরও পড়ুন: Pakistan Gay Population: পাকিস্তানের ৮০% মানুষই Gay, বাকি ২০% বাইসেক্সুয়াল, বড় দাবি হিনা বালোচের
এর আগে, পূর্ব সীমান্তে চোরাচালান এবং অনুপ্রবেশ নিয়ে উদ্বেগ ক্রমাগত রয়ে গিয়েছে। এই বছরের জানুয়ারিতে দক্ষিণবঙ্গ অঞ্চলের অধীনে ৩২ তম ব্যাটেলিয়নের জওয়ানরা পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের নদিয়া জেলায় একটি বড় অভিযান চালিয়ে একজন সোনা পাচারকারীকে ধরে এবং তার কাছ থেকে প্রায় এক কোটি টাকার সোনার বিস্কুট উদ্ধার করে। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে, জওয়ানরা আগে থেকেই এলাকাটি ঘিরে ফেলেছিল এবং সীমান্তের কাছে একজন সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে দেখতে পায়। সে পালানোর চেষ্টা করছিল, কিন্তু তাকে ধরে ফেলা হয়। এই ধরনের ঘটনা আগেও সামনে এসেছে।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


