...
...
Next Story

Can you delete your Aadhaar number: আধার কার্ড কি ডিঅ্যাক্টিভেট করা সম্ভব? জেনে নিন UIDAI-এর সর্বশেষ নিয়ম

Can you delete your Aadhaar number: সম্প্রতি ইউনিক আইডেন্টিফিকেশন অথরিটি অফ ইন্ডিয়া বা ইউআইডিএআই (UIDAI)-এর প্রকাশিত নির্দেশিকা এবং এই সংক্রান্ত নিয়মে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় পরিষ্কার করা হয়েছে।

Published on: Sep 5, 2026, 08:42:39 IST
Advertisement

আজকের দিনে ভারতে কোনো নাগরিকের পরিচয়পত্র হিসেবে আধার কার্ডের গুরুত্ব অপরিসীম। সরকারি সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্প থেকে শুরু করে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খোলা, নতুন সিম কার্ড নেওয়া কিংবা আয়কর রিটার্ন ফাইল—সব ক্ষেত্রে ১২ সংখ্যার আধার নম্বর অপরিহার্য। তবে অনেক সময় ভুল তথ্য সংশোধন, জালিয়াতি প্রতিরোধ বা ব্যক্তিগত তথ্যের গোপনীয়তা সুরক্ষার স্বার্থে অনেকের মনেই একটি বড় প্রশ্ন জাগে—একবার আধার নম্বর তৈরি হয়ে গেলে সেটি কি সম্পূর্ণ বাতিল বা মুছে ফেলা (Delete) সম্ভব?

আধার কার্ড কি ডিঅ্যাক্টিভেট করা সম্ভব? জেনে নিন UIDAI-এর সর্বশেষ নিয়ম
আধার কার্ড কি ডিঅ্যাক্টিভেট করা সম্ভব? জেনে নিন UIDAI-এর সর্বশেষ নিয়ম

সম্প্রতি ইউনিক আইডেন্টিফিকেশন অথরিটি অফ ইন্ডিয়া বা ইউআইডিএআই (UIDAI)-এর প্রকাশিত নির্দেশিকা এবং এই সংক্রান্ত নিয়মে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় পরিষ্কার করা হয়েছে। আধার নম্বর মোছা বা নিষ্ক্রিয় করার নিয়মাবলি এবং বর্তমান আইনি পরিকাঠামো নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো।

১. সাধারণভাবে কি আধার নম্বর মোছা সম্ভব?

আইনি ও প্রযুক্তিগতভাবে আধার আইন ২০১৬ (Aadhaar Act, 2016) অনুযায়ী, কোনো ভারতীয় নাগরিক স্বউদ্যোগে বা ইচ্ছাকৃতভাবে তাঁর আধার নম্বর চিরতরে সিস্টেম থেকে মুছে ফেলতে বা বাতিল করতে পারেন না।

  • আজীবন স্থায়ী পরিচয়পত্র: আধার কোনো সাধারণ পরিচয়পত্র নয়, এটি একটি অনন্য বায়োমেট্রিক ও ডেমোগ্রাফিক ডেটাবেস। একবার কোনো ব্যক্তির বায়োমেট্রিক (আঙুলের ছাপ ও আইরিস স্ক্যান) সিস্টেমে নিবন্ধিত হলে, সেই ১২ সংখ্যার নম্বরটি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির সাথে আজীবন যুক্ত থাকে।
  • শিশুদের ক্ষেত্রে বিশেষ ব্যতিক্রম: আধার আইনের ৩এ (Section 3A) ধারায় একটি মাত্র ব্যতিক্রম রাখা হয়েছে। পাঁচ বছর বয়সের নিচে যেসব শিশুর ‘বাল আধার’ (Baal Aadhaar) তৈরি করা হয়, তারা ১৮ বছর বয়স পূর্ণ করার পর ছয় মাসের মধ্যে আধার নম্বর বাতিল করার আবেদন জানাতে পারে। এই নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে আবেদন করলে প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার পর তাদের আধার তথ্য সিস্টেম থেকে নিষ্ক্রিয় করা সম্ভব।

২. কোন কোন পরিস্থিতিতে ইউআইডিএআই আধার ডিঅ্যাক্টিভেট করে?

যদি তথ্যের গোপনীয়তা বা জালিয়াতি নিয়ে আপনার মনে সংশয় থাকে, তবে আধার নম্বর না মুছেও ইউআইডিএআই-এর দেওয়া উন্নত নিরাপত্তা বলয় ব্যবহার করতে পারেন:

  • মাস্কড আধার (Masked Aadhaar): যেকোনো জায়গায় প্রমাণের জন্য পুরো আধার নম্বর প্রকাশের বদলে 'মাস্কড আধার' ব্যবহার করা নিরাপদ। এতে প্রথম ৮টি সংখ্যা গোপন থাকে (যেমন: xxxx-xxxx-1234) এবং কেবল শেষ ৪টি সংখ্যা দেখা যায়, যা আইনিভাবে সম্পূর্ণ গ্রহণযোগ্য।
  • ভার্চুয়াল আইডি (VID): ১২ সংখ্যার মূল আধার নম্বরের বদলে ১৬ সংখ্যার সাময়িক ভার্চুয়াল আইডি তৈরি করে ই-কেওয়াইসি সম্পন্ন করা যায়।
  • বায়োমেট্রিক লক (Biometric Lock): ইউআইডিএআই-এর ওয়েবসাইট বা 'mAadhaar' অ্যাপের মাধ্যমে আপনার ফিঙ্গারপ্রিন্ট ও আইরিস স্ক্যান লক করে রাখা সম্ভব, যাতে আপনার অনুমতি ছাড়া কেউ জালিয়াতি করতে না পারে।

আধার কার্ড ভারতের কেন্দ্রীয় ডেটাবেসের অংশ হওয়ায় এটি নিজে থেকে মুছে ফেলা সম্ভব নয়। তবে সচেতন নাগরিক হিসেবে আধার বায়োমেট্রিক লক রাখা এবং প্রয়োজনে মাস্কড আধার ব্যবহার করার মাধ্যমে ডিজিটাল নিরাপত্তার সম্পূর্ণ সুফল পাওয়া সম্ভব।

 
ABOUT THE AUTHOR
Suman Roy

সুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe