...
...
Next Story

How to improve CIBIL score: ৬ মাসে কি সিবিল স্কোর বাড়ানো সম্ভব? জেনে নিন ক্রেডিট স্কোর দ্রুত উন্নত করার সহজ কৌশল

Can you improve credit score in six months: অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞ ও ক্রেডিট বিশ্লেষকদের মতে, আপনার ক্রেডিট স্কোর রাতারাতি না বাড়লেও নির্দিষ্ট কিছু নিয়ম নিষ্ঠার সাথে মেনে চললে ৬ মাসের মধ্যেই সিবিল স্কোরে দৃশ্যমান ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্পূর্ণ সম্ভব।

Published on: Sep 3, 2026, 09:29:26 IST
Advertisement

CIBIL score improvement tips: বর্তমান যুগে গৃহঋণ (Home Loan), ব্যক্তিগত ঋণ (Personal Loan) কিংবা ক্রেডিট কার্ড পাওয়ার ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে ক্রেডিট বা সিবিল স্কোর (CIBIL Score)। ৩০০ থেকে ৯০০-র স্কেলে আপনার ক্রেডিট স্কোর যদি ৭৫০-এর ওপরে থাকে, তবে ব্যাঙ্ক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো আপনাকে নির্ভরযোগ্য গ্রাহক বলে মনে করে এবং সহজেই কম সুদে ঋণ প্রদান করে। কিন্তু কোনো কারণে আপনার ক্রেডিট স্কোর কমে গেলে কি তা ৬ মাসের মধ্যে আবার বাড়িয়ে ভালো জায়গায় নিয়ে যাওয়া সম্ভব?

৬ মাসে কি সিবিল স্কোর বাড়ানো সম্ভব? জেনে নিন ক্রেডিট স্কোর উন্নত করার সহজ কৌশল
৬ মাসে কি সিবিল স্কোর বাড়ানো সম্ভব? জেনে নিন ক্রেডিট স্কোর উন্নত করার সহজ কৌশল

অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞ ও ক্রেডিট বিশ্লেষকদের মতে, আপনার ক্রেডিট স্কোর রাতারাতি না বাড়লেও নির্দিষ্ট কিছু নিয়ম নিষ্ঠার সাথে মেনে চললে ৬ মাসের মধ্যেই সিবিল স্কোরে দৃশ্যমান ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্পূর্ণ সম্ভব। তবে এর জন্য কোনো অবাস্তব বা রাতারাতি মিরাকেলের ওপর ভরসা না করে সঠিক আর্থিক শৃঙ্খলা বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি।

১. ৬ মাসে ক্রেডিট স্কোর বাড়াতে যে কৌশলগুলো সবচেয়ে বেশি কাজ করে

ক্রেডিট ব্যুরো (যেমন CIBIL, Experian, Equifax) প্রতি ৩০ থেকে ৪৫ দিন অন্তর ব্যাঙ্ক ও ফাইন্যান্স সংস্থাগুলোর কাছ থেকে গ্রাহকদের লেনদেনের তথ্য সংগ্রহ করে। তাই ধারাবাহিকভাবে সঠিক পদক্ষেপ নিলে ৬টি বিলিং সাইকেলের মধ্যে আপনার স্কোরে বড় পরিবর্তন দেখা যায়:

  • সময়মতো ইএমআই ও বিল পরিশোধ (Payment History): সিবিল স্কোরের প্রায় ৩৫% নির্ভর করে আপনার ঋণ পরিশোধের ইতিহাসের ওপর। কোনো ক্রেডিট কার্ডের বিল বা ঋণের ইএমআই (EMI) নির্ধারিত শেষ তারিখের (Due Date) একদিনও পরে দেওয়া চলবে না। অটো-ডেবিট বা রিমাইন্ডার সেট করে ক্রেডিট কার্ডের ন্যূনতম টাকার বদলে সম্পূর্ণ বকেয়া মেটানোর অভ্যাস গড়ে তুলুন।
  • ক্রেডিট ইউটিলাইজেশন রেশিও (CUR) ৩০%-এর নিচে রাখা: আপনার মোট ক্রেডিট কার্ডের লিমিটের ৩০%-এর বেশি খরচ না করাই বুদ্ধিমানের কাজ। যেমন—আপনার কার্ডের মোট লিমিট যদি ১ লাখ টাকা হয়, তবে মাসে ৩০,০০০ টাকার মধ্যে খরচ সীমিত রাখার চেষ্টা করুন। ক্রেডিট লিমিটের অতিরিক্ত ব্যবহার ব্যাঙ্ককে ইঙ্গিত দেয় যে আপনি ঋণের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীল, যা স্কোর কমিয়ে দেয়।
  • ক্রেডিট রিপোর্টে ভুলত্রুটি শুধরে নেওয়া (Dispute Resolution): অনেক সময় ব্যাঙ্ক বা ক্রেডিট ব্যুরোর ভুলেই গ্রাহকের স্কোরে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। ভুলবশত কোনো পরিশোধিত ঋণকে 'বকেয়া' দেখানো কিংবা আপনার প্যান কার্ডে অন্য কারও ঋণ যুক্ত হয়ে যাওয়ার মতো ঘটনা ঘটতে পারে। বছরে অন্তত একবার বিনামূল্যে সিবিল রিপোর্ট ডাউনলোড করে ভালোভাবে চেক করুন এবং কোনো ভুল থাকলে দ্রুত ব্যুরোর ওয়েবসাইটে 'Dispute' ফাইল করুন। ভুল সংশোধিত হলেই স্কোর এক লাফে অনেকটা বেড়ে যায়।

২. যেসব ভুল ভুলবশত করলে স্কোর আরও কমে যেতে পারে

  • একসাথে একাধিক জায়গায় ঋণের আবেদন করা (Hard Inquiries): সংকটে পড়ে কিংবা দ্রুত টাকার প্রয়োজনে একসাথে ৩-৪টি ব্যাঙ্ক বা ক্রেডিট কার্ড অ্যাপে আবেদন করবেন না। প্রতিটি আবেদনের জন্য সংস্থাগুলো আপনার ক্রেডিট প্রোফাইলে ‘Hard Inquiry’ করে, যা সাময়িকভাবে সিবিল স্কোর কমিয়ে দেয়।
  • পুরোনো ক্রেডিট কার্ড হঠাৎ বন্ধ করে দেওয়া: পুরোনো ক্রেডিট কার্ড ব্যবহারে দীর্ঘদিনের ভালো লেনদেনের ইতিহাস তৈরি হয় (Credit History Length)। হুট করে পুরোনো অ্যাকাউন্ট বা কার্ড বন্ধ করে দিলে আপনার ক্রেডিটের গড় বয়স কমে যায়, যা স্কোরের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।
  • সেটেলমেন্ট এড়িয়ে চলুন: ব্যাঙ্কের সাথে কথা বলে ঋণ ‘Settled’ বা ছাড় করিয়ে মেটালে আপনার সিবিল রিপোর্টে ‘Settled’ লেখা উঠে যায়, যা আগামী ৭ বছরের জন্য নতুন ঋণ পাওয়ার পথ প্রায় বন্ধ করে দেয়। ছাড় না নিয়ে সম্পূর্ণ বকেয়া মেটানোই শ্রেয়।

৩. নতুন ও অনভিজ্ঞ গ্রাহকদের জন্য প্রাথমিক পদক্ষেপ

ক্রেডিট স্কোর বাড়ানো কোনো অলৌকিক বিষয় নয়, এটি সম্পূর্ণভাবে আপনার আর্থিক শৃঙ্খলার প্রতিফলন। ইএমআই মিস না করা, ক্রেডিট লিমিট নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং ঘনঘন ঋণের আবেদন না করার মতো সহজ নিয়মগুলো ৬ মাস কঠোরভাবে মেনে চললে আপনার সিবিল স্কোর আবার ৭৫০-এর গণ্ডি পার হতে বাধ্য।

 
ABOUT THE AUTHOR
Suman Roy

সুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe