Air India Kanishka bombing case: ১৯৮৫ সালের ২৩ জুন, লন্ডনের হিথরো বিমানবন্দরে অবতরণের ঠিক ৪৫ মিনিট আগে এয়ার ইন্ডিয়ার মন্ট্রিয়াল-নয়াদিল্লি 'কণিষ্ক' ফ্লাইট ১৮২-এ মাঝ আকাশে বিস্ফোরণ হয়। বিমানের ৩২৯ জন যাত্রীর সকলেই মারা যান, যাদের বেশিরভাগই ভারতীয় বংশোদ্ভূত কানাডিয়ান। তদন্তে উঠে আসে, খালিস্তানপন্থীরাই বিমানে বোমা রেখেছিল। এবার সেই কণিষ্ক বিমান হামলার তদন্তের পরিধি কমানোর উদ্যোগের খবরে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন নিহতদের স্বজনেরা। তাদের আশঙ্কা, কানাডার রয়্যাল কানাডিয়ান মাউন্টেড পুলিশ (RCMP) দীর্ঘদিনের এই তদন্তকে আরো ছোট পরিসরে নিয়ে যেতে পারে।
কণিষ্ক বিমান হামলায় নিহতদের পরিবারের সদস্য এবং কনিষ্ক ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান সঞ্জয় লাজার কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নিকে লেখা একটি চিঠিতে ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, তদন্ত এগিয়ে নেওয়ার মতো নতুন কোনও সূত্রের অভাব দেখিয়ে কানাডিয়ান পুলিশ টাস্কফোর্সের আকার ছোট করার কথা ভাবছে। গত ১২ সেপ্টেম্বর এই তদন্তের অগ্রগতি সংক্রান্ত বিষয়ে একটি বৈঠক হয়। চিঠিতে সঞ্জয় লাজার লেখেন, 'চরম ধাক্কা এবং আতঙ্কিত হয়ে আমি জানতে পারলাম যে তদন্ত বন্ধ করে দেওয়ার, টাস্কফোর্সের আকার কমিয়ে ফেলার এবং মূলত এআই-১৮২ কণিষ্ক মামলাটিকে ‘নিষ্ক্রিয়’ (inactive) অবস্থায় পাঠিয়ে দেওয়ার তোড়জোড় চলছে।'
মুম্বইয়ের বাসিন্দা সঞ্জয় লাজার সশরীরে কানাডায় গিয়ে এই বৈঠকে উপস্থিত যোগ দিয়েছিলেন। কণিষ্ক বোমা হামলায় তাঁর পুরো পরিবার—বাবা-মা এবং বোনকে হারিয়েছিলেন। লাজার লেখেন, 'এই কথা শুনে পরিবারের অনেক সদস্যই ভেঙে পড়েন এবং স্বাভাবিকভাবেই ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে ও পরিবারের সদস্যরা কান্নায় ভেঙে পড়েন।' চিঠির শেষে তিনি লেখেন, 'কানাডা ও বিশ্বজুড়ে বাড়তে থাকা খালিস্তানি ও অন্যান্য কট্টরপন্থীদের কথা মাথায় রেখে, তদন্ত যাতে অব্যাহত থাকে, পুরস্কারের অর্থমূল্য বাড়িয়ে নতুন করে উদ্যোগ নেওয়া হয় এবং অপরাধীদের খুঁজে বের করতে কানাডার পুলিশ ও গোয়েন্দা কর্তৃপক্ষ যাতে আরও জোরদার প্রচেষ্টা চালায়—তা নিশ্চিত করার জন্য আমি সসম্মানের সঙ্গে আপনার কাছে আর্জি জানাচ্ছি।' এই চিঠি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, ভারত ও কানাডার বিদেশমন্ত্রী এবং আরসিএমপি কমিশনার-সহ অন্যান্য কানাডিয়ান কর্মকর্তাদের কাছেও পাঠানো হয়েছে।
কণিষ্ক বিমান হামলা
কণিষ্ক বিমান হামলা কানাডার ইতিহাসে সবচেয়ে মারাত্মক বিমান দুর্ঘটনা হিসেবে রয়ে গিয়েছে। টরন্টো থেকে লন্ডন হয়ে মুম্বই যাচ্ছিল যাচ্ছিল ওই এয়ার ইন্ডিয়ার বিমানটি। বিমানের ভাল নাম 'কণিষ্ক।' ভ্যাঙ্কুভারে হল্ট করে লন্ডনের পথে রওনা হয়েছিল। কিন্তু গন্তব্যে পৌঁছনোর ৪৫ মিনিট আগে মাঝআকাশে বিস্ফোরণ হয়। উত্তর আয়ারল্যান্ড উপকূলে রাডার থেকে হারিয়ে যায় কণিষ্ক। বিমানে ৩০৭ জন যাত্রী ও ২২ জন বিমানকর্মী ছিলেন। উত্তর আয়ারল্যান্ড উপকূলে সমুদ্রের উপর ভেঙে পড়ে বিমানটি। মাত্র ১৩১ জনের দেহ উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছিল। তদন্তকারীদের দাবি ছিল, যাত্রাপথে বিমানটি ভ্যাঙ্কুভারে থামে। আর সেই সময় একটি স্যুটকেসে বোমা রাখা হয়। আর তাতে বিস্ফোরণ ঘটেই মাঝআকাশে ছিন্নভিন্ন হয়ে যায় বিমান। সেই সময় তো বটেও, এখনও পর্যন্ত ওই ঘটনা ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ বিমান নাশকতা।
{{/usCountry}}কণিষ্ক বিমান হামলা কানাডার ইতিহাসে সবচেয়ে মারাত্মক বিমান দুর্ঘটনা হিসেবে রয়ে গিয়েছে। টরন্টো থেকে লন্ডন হয়ে মুম্বই যাচ্ছিল যাচ্ছিল ওই এয়ার ইন্ডিয়ার বিমানটি। বিমানের ভাল নাম 'কণিষ্ক।' ভ্যাঙ্কুভারে হল্ট করে লন্ডনের পথে রওনা হয়েছিল। কিন্তু গন্তব্যে পৌঁছনোর ৪৫ মিনিট আগে মাঝআকাশে বিস্ফোরণ হয়। উত্তর আয়ারল্যান্ড উপকূলে রাডার থেকে হারিয়ে যায় কণিষ্ক। বিমানে ৩০৭ জন যাত্রী ও ২২ জন বিমানকর্মী ছিলেন। উত্তর আয়ারল্যান্ড উপকূলে সমুদ্রের উপর ভেঙে পড়ে বিমানটি। মাত্র ১৩১ জনের দেহ উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছিল। তদন্তকারীদের দাবি ছিল, যাত্রাপথে বিমানটি ভ্যাঙ্কুভারে থামে। আর সেই সময় একটি স্যুটকেসে বোমা রাখা হয়। আর তাতে বিস্ফোরণ ঘটেই মাঝআকাশে ছিন্নভিন্ন হয়ে যায় বিমান। সেই সময় তো বটেও, এখনও পর্যন্ত ওই ঘটনা ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ বিমান নাশকতা।
{{/usCountry}}