...
...
Next Story

CBSE OSM Controversy Update: রাহুল গান্ধীর অভিযোগের পরে CBSE-র OSM বিতর্কে মুখ খুলল মূল্যায়নকারী সংস্থা

সিবিএসই-র দ্বাদশ শ্রেণির বোর্ড পরীক্ষার মূল্যায়নের জন্য এবারই প্রথমবার বড় আকারে ডিজিটাল ওএমএস পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। ফল প্রকাশের পর একাধিক ছাত্রছাত্রী ও অভিভাবক অভিযোগ করেন, স্ক্যান করা উত্তরপত্রে অস্পষ্টতা, ভুল নম্বর এবং অন্যের খাতা দেখানোর মতো সমস্যা হয়েছে।

Published on: May 28, 2026, 14:06:51 IST
Advertisement

সিবিএসইর অন-স্ক্রিন মার্কিং বা ওএসএম পদ্ধতি নিয়ে দেশজুড়ে বিতর্কের মধ্যেই এবার মুখ খুলল মূল্যায়নের দায়িত্বে থাকা সংস্থা। সংস্থার দাবি, পুরো ডিজিটাল মূল্যায়ন ব্যবস্থায় কোনও প্রযুক্তিগত ত্রুটি ছিল না। যেসব অভিযোগ সামনে এসেছে, সেগুলি 'অত্যন্ত বিরল' ধরনের ঘটনা বলেই দাবি করা হয়েছে। উল্লেখ্য, সিবিএসই-র দ্বাদশ শ্রেণির বোর্ড পরীক্ষার মূল্যায়নের জন্য এবারই প্রথমবার বড় আকারে ডিজিটাল ওএমএস পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। ফল প্রকাশের পর একাধিক ছাত্রছাত্রী ও অভিভাবক অভিযোগ করেন, স্ক্যান করা উত্তরপত্রে অস্পষ্টতা, ভুল নম্বর এবং অন্যের খাতা দেখানোর মতো সমস্যা হয়েছে। এই ঘটনাগুলি সামনে আসতেই রাজনৈতিক ও শিক্ষামহলে বিতর্ক শুরু হয়।

সংস্থার দাবি, পুরো ডিজিটাল মূল্যায়ন ব্যবস্থায় কোনও প্রযুক্তিগত ত্রুটি ছিল না। (HT_PRINT)
সংস্থার দাবি, পুরো ডিজিটাল মূল্যায়ন ব্যবস্থায় কোনও প্রযুক্তিগত ত্রুটি ছিল না। (HT_PRINT)

মূল্যায়নকারী সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, পুরো সিস্টেমটি একাধিক স্তরের নিরাপত্তা ও যাচাই প্রক্রিয়ার মধ্যে দিয়ে কাজ করে। তাদের দাবি, উত্তরপত্র স্ক্যান, আপলোড এবং মূল্যায়নের প্রতিটি ধাপে নজরদারি ছিল। ফলে বৃহৎ আকারে কারচুপি বা প্রযুক্তিগত ব্যর্থতার অভিযোগের কোনও ভিত্তি নেই বলেই সংস্থার বক্তব্য। সংস্থার এক আধিকারিক জানিয়েছেন, যেসব অভিযোগ প্রকাশ্যে এসেছে, সেগুলি লক্ষ লক্ষ উত্তরপত্রের মধ্যে ব্যতিক্রমী কিছু ঘটনা হতে পারে। তবে অভিযোগ পাওয়া মাত্রই সেগুলি খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলেও তিনি জানিয়েছেন। একইসঙ্গে ভবিষ্যতে যাতে কোনও বিভ্রান্তি না হয়, তার জন্য প্রযুক্তিগত পর্যবেক্ষণ আরও জোরদার করা হবে বলেও দাবি করা হয়েছে।

এদিকে কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধী অভিযোগ করেছেন, সিবিএসই-র নতুন অন স্ক্রিন মার্কিং বা ওএসএম ব্যবস্থায় 'বড় ধরনের কারচুপি' হয়েছে। তাঁর দাবি, এর ফলে দেশের লক্ষ লক্ষ ছাত্রছাত্রী এবং তাঁদের পরিবার সমস্যার মুখে পড়েছেন। অন্যদিকে সিবিএসই স্পষ্ট জানিয়েছে, এই অভিযোগ 'ভুল এবং বিভ্রান্তিকর'। রাহুল গান্ধী প্রশ্ন তুলেছেন, ডিজিটাল মূল্যায়নের দায়িত্ব কেন COEMPT নামের সংস্থাকে দেওয়া হল। তাঁর দাবি, এই সংস্থার আগের নাম ছিল Globarena এবং অতীতেও বিতর্কে জড়িয়েছে তারা। তিনি আরও অভিযোগ করেন, চুক্তি দেওয়ার ক্ষেত্রে নিয়ম ভাঙা হয়ে থাকতে পারে। একইসঙ্গে এই ইস্যুতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নীরবতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন কংগ্রেস নেতা। তিনি চারটি নির্দিষ্ট প্রশ্ন তুলে স্বাধীন বিচারবিভাগীয় তদন্ত বা এসআইটি তদন্তের দাবিও জানিয়েছেন। এর জবাবে সিবিএসই জানায়, পুরো চুক্তি প্রক্রিয়া জেনারেল ফিন্যান্সিয়াল রুল মেনেই করা হয়েছে। বোর্ডের বক্তব্য, ২০২৫ সালের ২৮ অগস্ট সেন্ট্রাল পাবলিক প্রকিউরমেন্ট পোর্টালে দরপত্র ডাকা হয়েছিল এবং যোগ্য সংস্থাকেই কাজ দেওয়া হয়েছে। সিবিএসই-র দাবি, রাহুলের অভিযোগের কোনও বাস্তব ভিত্তি নেই।

 
ABOUT THE AUTHOR
Abhijit Chowdhury

২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe