...
...
Next Story

WB Division Speculation: বিহার ও উত্তরবঙ্গের কয়েকটি জেলা নিয়ে নতুন কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল হবে? জল্পনার আবহে এল আপডেট

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ সম্প্রতি বিহারের সীমাঞ্চল সফরে গিয়েছিলেন। এই সময় তিনি বিহারের উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের সঙ্গে কয়েকদফা বৈঠক করেন। এরই সঙ্গে রাজ্যপাল বদল মিলিয়ে নয়া কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের জল্পনা তুঙ্গে ওঠে।

Published on: Mar 7, 2026, 14:11:59 IST
By
Prefer HTon Google
Advertisement

বিহার এবং পশ্চিমবঙ্গে সম্প্রতি বদল করা হয়েছে রাজ্যপাল। এরই মাঝে জল্পনা তৈরি হয়েছে, বিহার এবং বাংলার একাংশ ভেঙে একটি নয়া কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল গঠন করতে পারে কেন্দ্রীয় সরকার। এরই মাঝে আবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ সম্প্রতি বিহারের সীমাঞ্চল সফরে গিয়েছিলেন। এই সময় তিনি বিহারের উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের সঙ্গে কয়েকদফা বৈঠক করেন। এরই সঙ্গে রাজ্যপাল বদল মিলিয়ে নয়া কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের জল্পনা তুঙ্গে ওঠে। এই নিয়ে এবার মুখ খুলল কেন্দ্রীয় সরকার।

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ সম্প্রতি বিহারের সীমাঞ্চল সফরে গিয়েছিলেন। (@AmitShah)
কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ সম্প্রতি বিহারের সীমাঞ্চল সফরে গিয়েছিলেন। (@AmitShah)

দাবি করা হচ্ছিল, বিহারের কয়েকটি জেলা ও পশ্চিমবঙ্গের উত্তরের জেলাগুলিকে একত্রিত করে নতুন কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল গঠনের প্রস্তুতি চলছে। বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই জল্পনাকে আরও উস্কে দিয়েছিলেন। তিনি সম্প্রতি বলেছিলেন, কেন্দ্রের ক্ষমতাসীন ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) বাংলাকে বিভক্ত করার চেষ্টা করছে। কেন্দ্রীয় সরকার এই জল্পনা সম্পর্কে অবস্থান স্পষ্ট করেছে। পিআইবি ফ্যাক্ট চেক এই জল্পনাকে পুরোপুরি খারিজ করে দিয়েছে। এটিকে নিছক গুজব বলে অভিহিত করেছেন। বিহারের সীমাঞ্চল অঞ্চল (পূর্ণিয়া, কাটিহার, কিষাণগঞ্জ, আরারিয়া) এবং পশ্চিমবঙ্গের উত্তরাঞ্চলীয় জেলাগুলিকে (মালদহ, উত্তর দিনাজপুর এবং শিলিগুড়ি করিডোর) সংযুক্ত করে একটি নতুন কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল তৈরি করা হবে বলে জল্পনা চলছে।

পিআইবি-র পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই ধরনের কোনও প্রস্তাব ভারত সরকারের বিবেচনাধীন নেই। এটা একেবারেই গুজব। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বা কোনও সরকারী সংস্থা এই ধরনের কোনও পরিকল্পনার বিষয়ে নিশ্চিত করেনি। সরকার নাগরিকদের পরামর্শ দিয়েছে যে তারা যেন যাচাই না করে এই সব দাবিতে বিশ্বাস না করে। এছাড়া স্পর্শকাতর সংবাদ অন্য কাউকে জানানোর আগে যাতে তারা তা যাচাই করে নেন। তা না হলে আঞ্চলিক অনুভূতি বা রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়তে পারে।

 
ABOUT THE AUTHOR
Abhijit Chowdhury

২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe